28 C
Dhaka
Thursday, June 24, 2021
Home News & Analysis জেনে নিন বেপজা ও ইপিজেড সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | IMPORTANT INFORMATION...

জেনে নিন বেপজা ও ইপিজেড সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | IMPORTANT INFORMATION ABOUT BEPZA & EPZ.

বাংলাদেশের জিডিপি তে ১৮-২০% অবদান রাখা এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রাম ইপিজেড এর মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে। যেখানে বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল এস এম সালউদ্দিন ইসলাম কর্মরত আছেন । আসুন, বিস্তারিত ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যে জেনে নেই।

বেপজা ও ইপিজেড কি? এদের মধ্যে সম্পর্ক কিভাবে স্থাপিত হয়?

বেপজা (BEPZA), সংক্ষিপ্ত এই শব্দটির পূর্ণ অর্থ হলো বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ(Bangladesh Export Possessing Zone Authority) এবং ইপিজেড (EPZ) এর পূর্ণ অর্থ হলো রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (Export Processing Zone)।

বিশেষ করে শিল্পায়নের মাধ্যমে দেশের দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে উদ্বুদ্ধ করতে সরকার বিদেশি বিনিয়োগকে বাংলাদেশে আকৃষ্ট করতে একটি ‘ওপেন ডোর নীতি’ গ্রহণ করেছে। ইপিজেডগুলিতে বৈদেশিক বিনিয়োগের প্রচার, আকর্ষণ ও সুবিধার্থে বেপজা হ’ল সরকারী সরকারী অঙ্গ। ইপিজেডে সহজ শ্রম-ব্যবস্থাপনা এবং শিল্প সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য যোগ্য কর্তৃপক্ষ হিসাবে বেপজা কর্তৃক সামাজিক ও পরিবেশগত সমস্যা, কর্মস্থলে সুরক্ষা ও সুরক্ষা সম্পর্কিত সংস্থাগুলির আনুগত্যের তদারকি করে থাকে। একটি ইপিজেডের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হ’ল বিশেষ ক্ষেত্রগুলি সরবরাহ করা যেখানে সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীরা জটিল প্রক্রিয়া থেকে মুক্ত হয়ে একটি সহজলভ্য বিনিয়োগের পরিবেশ খুঁজে পাবেন।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ

প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদানকারী হওয়া।
উদ্দেশ্য গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলগুলিতে শিল্পায়ন, বিনিয়োগের প্রচার, রফতানি বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে শক্তিশালীকরণ। ইপিজেড সম্পর্কে রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলকে (ইপিজেড) আঞ্চলিক বা অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা, যেখানে কাস্টম কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে নূন্যতম শুল্ক অথবা এর হ্রাস সহ পণ্য আমদানি ও উৎপাদন নিশ্চিত করা।

ইপিজেড গুলো সম্পর্কে বিস্তারিতঃ

বাংলাদেশ এ পর্যন্ত সর্বমোট ৮ টি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল, ইপিজেড রয়েছে যা ২৩০৭ একর জায়গায় উপর অবস্থিত ।এবার জেনে নেই বেসিক কিছু তথ্যঃ-

১. চট্টগ্রাম ইপিজেড – আয়তনঃ৪৫৩একর – অবস্থানঃহালিশহর,টট্টগ্রাম – কার্যক্রাম শুরু ১৯৮৩ সালে – ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আয় আয় ৭৫.৬৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

২. ঢাকা ইপিজেড – ৩৫৩ একর – সাভার,ঢাকা – কার্যক্রম শুরু ১৯৯৩ সালে – ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আয় ৭৬.১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

৩. মোংলা ইপিজেড – ৪৬০ একর – মোংলা,বাগেরহাট – কার্যক্রম শুরু ১৯৯৮সালে – ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আয় ১০.১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

৪. কুমিল্লা ইপিজেড – ২৬৭ একর – বিমানবন্দর,কুমিল্লা – কার্যক্রম শুরু ২০০০ সালে – ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আয় ৩১.০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

৫. উত্তরা ইপিজেড – ২৬৫ একর – সঙ্গলসী সদর, নীলফামারী – কার্যক্রম শুরু ১৯৯৯ সালে – ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আয় ৩১.০২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

৬. ঈশ্বরদী ইপিজেড – ৩০৯ একর – পাকশি, পাবনা – কার্যক্রম শুরু ১৯৯৮ সালে – ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আয় ৮.১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

৭. আদমজী ইপিজেড – ২৪৫ একর – নারায়ণগঞ্জ – কার্যক্রম শুরু ২০০৬ সালে – ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আয় ৫০.২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

৮. কর্ণফুলী ইপিজেড – ২২২ একর – পতেঙ্গা,চট্টগ্রাম – কার্যক্রম শুরু – ২০০৬ সালে – ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আয় ৫০.৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বিনিয়োগ কারী ইন্ডাস্ট্রির সংখ্যা, দেশের সংখ্যা ও উল্লেখযোগ্য কিছু কম্পানিগুলোর নামঃ

বেপজার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের আটটি ইপিজেডে উৎপাদনে রয়েছে ৪১৯টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে শতভাগ বিদেশি মালিকানার ২৩৭টি, যৌথ মালিকানাধীন ৬১টি ও শতভাগ দেশীয় মালিকানাধীন রপ্তানিমুখী ১২১টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ ছাড়া উৎপাদন শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে ১৪৩টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান।

উৎপাদনে থাকা ৪১৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৭১টি চট্টগ্রাম, ৯৯টি ঢাকা, ৩৯টি আদমজী, ৩৯টি কর্ণফুলী, ৩৪টি কুমিল্লা, ১৭টি মংলা, ১১টি উত্তরা ও ১০টি ঈশ্বরদী ইপিজেডের প্রতিষ্ঠান।

বেপজার কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে ঢাকা, চট্টগ্রামের ইপিজেডগুলোতে কোনো জায়গা খালি নেই। যদিও এসব ইপিজেডের শিল্প স্থাপনের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। অপরদিকে মংলা, ঈশ্বরদী ও উত্তরা ইপিজেডে ৫০ শতাংশ জায়গা এখনো খালি রয়েছে। এসব ইপিজেডে বিনিয়োগকারীকে আকৃষ্ট করা হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০১৩ সালের জুন পর্যন্ত ইপিজেডগুলোর মোট রপ্তানির পরিমাণ তিন হাজার ৪৫০ কোটি ২৩ লাখ মার্কিন ডলার। প্রতি ডলারের ৮০ টাকা বিনিময়মূল্য ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় পৌনে তিন লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে এককভাবে সর্বোচ্চ চট্টগ্রাম ইপিজেডের রপ্তানির পরিমাণ প্রায় এক হাজার ৭১৬ কোটি মার্কিন ডলার।

বিশ্বের ৩৯টি দেশের চার শতাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ রয়েছে ইপিজেডগুলোতে। দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, তাইওয়ান, জাপান, ভারত, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, ইতালি, কানাডা, সিঙ্গাপুর, ডেনমার্ক, ইন্দোনেশিয়া, বেলজিয়াম, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, স্পেন, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি। বিশ্বের নামীদামি ব্র্যান্ডের পণ্য উৎপাদিত হয় এসব প্রতিষ্ঠানে। অর্থাৎ বাংলাদেশি শ্রমিকের হাতে তৈরি বিভিন্ন ধরনের পণ্য নামীদামি ব্র্যান্ডের হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে সারা বিশ্বে। তৈরি পোশাক খাত ছাড়াও অপ্রচলিত বিভিন্ন পণ্য প্রস্তুতকারী অনেক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে ইপিজেডে।

বর্তমানে নাইকি, রেবোক, লাফুমা, এইচ অ্যান্ড এম (সুইডেন), গ্যাপ, ব্রুকস, জেসি পেনি, ওয়ালমার্ট, কারমার্ট, অস্পিগ (জার্মানি), মাদার কেয়ার (ইউকে), লি, র্যাংলার, ডকর্স, এনবিএ, টমি হিলফিগার, অ্যাডিডাস, ফ্যালকন ( ইউএসএ), এডি বাউয়ার, এগল, রিলে (ইউকে), এমিলি, ফ্রি স্পিরিল (ইউকে), মাইলস (জার্মানি), আমেরিকান এগল, হাই-টেক (ইউকে), ফিলিপ-মরিস (ইউকে), উইনস মোর, ডেকাথলন।
এলএল ক্যামেরা লেন্সঃ- (আইও পার্টস) কোনিকা, মিনোলতা, নিকন, ফুজি, অলিম্পাস। গল্ফ শ্যাফ্ট আবু গার্সিয়া
মোবাইল পার্টসঃ-সনি অটোমোবাইল পার্টসঃ-নিসান, মিতসুবিশি, হিনো ব্র্যান্ডের যে পরিমাণ পণ্য চাহিদা রয়েছে, তার ৫০ শতাংশই তৈরি হয় বাংলাদেশে।

উল্লেখ্য, ইপিজেডে প্রথম বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ছিল ডিলাইট নিটিং। ১৯৮৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে চট্টগ্রাম ইপিজেডে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রথম বিনিয়োগ করে। এরপর একই বছর বিনিয়োগকারী দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠান ছিল রিজেন্সি গার্মেন্টস। এর মধ্যে রিজেন্সি গার্মেন্টস এখনো টিকে থাকলেও বন্ধ হয়ে গেছে প্রথম বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ডিলাইট নিটিং।

লক্ষ্যমাত্রা এবং অর্জনঃ

২০১৮-১৯ অর্থবছরে বিনিয়োগ, রফতানি ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। গত অর্থবছরে বেপজা ৮টি ইপিজেডের চালু শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ থেকে বিনিয়োগ আকর্ষণ করেছে ৩৩৩.৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, রফতনি হয়েছে ৭৫২৪.১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের পণ্য এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে ১৯৫৪৮ বাংলাদেশী নাগরিকের।

বেপজা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মধ্যে সম্পাদিত বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি অনুসারে ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ, ৬৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতানি আয় এবং ১৫০০০ বাংলাদেশী নাগরিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

বিনিয়োগ অর্জন ৩৩৩.৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ॥ বর্তমানে বেপজার আটটি ইপিজেডে চালুকৃত এন্টারপ্রাইজসমূহ ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৩০০ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৩৩৮.৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রকৃত বিনিয়োগ অর্জন করেছে। এর মধ্যে জুন ২০১৯ পর্যন্ত বেপজার আটটি ইপিজেডে মোট বিনিয়োগ ৫০১৪.২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

রফতানি প্রবৃদ্ধি ৭৫২৪.১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ॥ জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০১৯ পর্যন্ত বেপজা ৬৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে অতিরিক্ত ১০২৪.১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রফতনি করেছে। বেপজার প্রকৃত রফতানি আয় ৭৫২৪.১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম ইপিজেড ২৩৯১.৬৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ঢাকা ইপিজেড ২২০৬.৩১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, মোংলা ইপিজেড ৮৯.৪৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, কুমিল্লা ইপিজেড ৪৯০.৭৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, উত্তরা ইপিজেড ২৯৩.৭৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ঈশ্বরদী ইপিজেড ১৫০.২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, আদমজী ইপিজেড ৮২৬.৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং কর্ণফুলী ইপিজেড ১০৭৫.৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আটটি ইপিজেড থেকে ক্রমপুঞ্জিভূত রফতানি আয় ৭৪০৮৯.২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

দীর্ঘ ১০ বছরে প্রতিষ্ঠানটির উন্নতির তুলনামূলক অর্থনৈতিক রিপোর্টঃ

বিনিয়োগঃ গত ১০ বছরে ইপিজেড এ বিনিয়োগ বেড়েছে ৩গুন।
*২০০০-২০০৮ সাল পর্যন্ত যা ছিলো ১৫০৯.১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, সেটা ২০০৯-২০১৮ সাল পর্যন্ত হয়ে এসেছে ৪৭৬৮.৪৮ মিলিয়ন মার্কিন
ডলার

রপ্তানীঃ গত ১০ বছরে রপ্তানি বেড়েছে ৪ গুন।
*২০০০-২০০৮ সাল পর্যন্ত যা ছিলো ১৭৫৯৮.২৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, সেটা ২০০৯-২০১৮ সাল পর্যন্ত হয়ে এসেছে ৬৯০৩০.৩৯ মিলিয়ন মার্কিন
ডলার

কর্মসংস্থানঃ গত ১০ বছরে কর্মসংস্থান বেড়েছে ৩ লক্ষ মানুষের।
*২০০০-২০০৮ সাল পর্যন্ত যা ছিলো ২,০৩,৪৪৭ জন সেটা ২০০৯-২০১৮ সাল পর্যন্ত হয়ে এসেছে ৫,০২,৭৬৮ জন।
*ইপিজেড গুলোতে প্রায় ৬৪-৬৬% ই নারী কর্মী।

★১০ বছরে ফেক্টরীর সংখ্যা বেড়েছে ১৯৬ টি

সুযোগ সুবিধা ও নিরাপত্তা ব্যাবস্থাঃ

ইপিজেড যেসব নিশ্চিত করে:

-কাস্টম বন্ডেড এরিয়াতে প্লট / কারখানার বিল্ডিংঅবকাঠামোগত সুবিধা,

-প্রশাসনিক সুবিধা আর্থিক উৎসাহ সহ ইপিজেড আকর্ষণ

-বিদেশী এবং স্থানীয় বিনিয়োগ

Type:
A – 100% foreign ownership 58%
B – joint venture 14%
C – 100% local venture 28%

এছাড়াও ইপিজেডগুলোতে শ্রমিক ও কর্মচারীদের নিয়মিত বেতন-বেতনাদী নিশ্চিত করা, মেডিকেল সুবিধা প্রদান, বিভিন্ন ট্রেনিং, পুষ্টিকর খাবার, ডে- কেয়ার, বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানসহ স্কুল ইত্যাদি সুবিধা ইতিমধ্যেই নিশ্চিত করেছে।

বিশৃংঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ এবং এছাড়াও, শ্রমিক ইউনিয়ন এবং অন্যান্য ক্রিয়াকলাপগুলি যা প্রায়শই উৎপাদনশীলতার জন্য ক্ষতিকারক হিসাবে দেখা হয়, তাদের ইপিজেডগুলির অভ্যন্তরে নিষিদ্ধ করা হয়।

ভবিষ্যত পরিকল্পনাঃ

দেশের এই বিপুল সংখ্যক জনসম্পদ কে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে আরও বড় বড় পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় একটি নবম জোন খোলা হবে সম্প্রতি সরকার ঘোষণা করেছে।২৪ জানুয়ারি ২০১৮ তে চট্টগ্রাম এর মিরশরাই এ প্রায় ১১৫০ একর জায়গায় উপর নির্মিত হতে যাচ্ছে নতুন একটি ইপিজেড। 15 বছরের মধ্যে 100 টি নতুন ইপিজেড এবং এসইজেড স্থাপন করা হবে। সরকার ইপিজেডগুলিতে কারখানা খোলার জন্য বিনিয়োগকারীদের জন্য অসংখ্য প্রণোদনা প্রদান করে। উদাহরণস্বরূপ, নতুন কারখানাগুলি 5 বছরের জন্য কর মওকুফ উপভোগ করে।

Writer:
Mohammad Al-Amin
PTEC
Sr. Campus Ambassador, Bunon

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

আধুনিকতা ও ঐতিহ্যের মিশেল খাদিতে কাঁথা এমব্রয়ডারি

মণীষীদের মতে, লোকশিল্পের মধ্যে অতীতের প্রতিধ্বনি, সমকালের অভিধান ও ভবিষ্যতের প্রতিরূপ প্রতিফলিত হয়। বাংলার লোকশিল্পের কথা উঠলেই সবার আগে মাথায় আসে...

প্লাস্টিক বোতল থেকে ফ্যাব্রিক

প্লাস্টিক‌ বোতল থেকে ফ্যাব্রিক? এও কি সম্ভব। হ্যা। ঠিকই শুনছেন। প্লাস্টিক বোতল পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমেও সম্পূর্ণ সাসটেইনেবল বা টেকসই ফাইবার পাওয়া সম্ভব।...

টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় আবারো ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ

আগামী ২৬ জুন ২০২১, শনিবার সকাল ১০:০০ টায় রাজধানীর তেজগাঁওস্থ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে (এফডিসি) ‘প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষায় প্রস্তাবিত বাজেট...

কেয়ার লেবেলে আধুনিকতার ছোয়া

কেয়ার লেবেল হচ্ছে তৈরিকৃত গার্মেন্টসের একটি অংশ,যেখানে ভোক্তাদের উদ্দেশ্য গার্মেন্টস এর কেয়ার সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য দেয়া থাকে। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে...

এন্টি গ্রাভিটি স্যুট (জি-স্যুট) | Anti Gravity Suite(G-suite)

আমরা হয়ত মোটামুটি সবাই Gravity বা মধ্যাকর্ষণ শক্তির সাথে পরিচিত।সহজে বলি মধ্যাকর্ষণ শক্তি বলতে এমন একটি অদৃশ্য শক্তিকে বুঝাই যা পৃথিবীর...

টেক্সটাইল ট্রিটমেন্ট , টেক্সটাইল ডাইজ এবং টেক্সটাইল ফিনিশিংয়ের ইতিহাস | History of Textile Treatment, Textile Dyes & Textile Finishing.

১. ৫০০ খ্রিস্টাব্দ - চীনে কাঠের ব্লক ব্যবহার করে জিয়া জিআই পদ্ধতি রেসিস্ট ডাইং (সাধারণত সিল্ক) আবিস্কার হয়।

পাবনা টেক্সটাইলে ৬ দিনব্যাপি AOP ট্রেনিংএর সমাপ্তি

বলা হয়ে থাকে "সুন্দর ক্যারিয়ার গড়নে পরিশ্রমের বিকল্প নেই" সেটা হোক যেকোনো মুহুর্তেই কিংবা মৃত্যুর আগে পর্যন্ত। তাইতো দেশে যখন করোনা...