30 C
Dhaka
Tuesday, August 16, 2022
Home Interviews Industry Expert গার্মেন্টস সেক্টরের ঘুরে দাঁড়ানো শীর্ষক বুননের ভার্চুয়াল সেমিনার

গার্মেন্টস সেক্টরের ঘুরে দাঁড়ানো শীর্ষক বুননের ভার্চুয়াল সেমিনার

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে তৈরি পোশাক শিল্প খাত তথা গার্মেন্টস সেক্টর ওতোপ্রোতো ভাবে জড়িত। বিগত কয়েক দশক ধরে এটি আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি হিসেবে ভূমিকা পালন করে আসছে।

বর্তমানে দেশের প্রায় ৫ কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ ভাবে এই বস্ত্র শিল্পের সাথে জড়িত। দেশে প্রচুর মানুষ বেকার থাকা সত্ত্বেও  দক্ষ জনবলের অভাবে প্রচুর কর্মী অন্য দেশ থেকে নিয়োগ দিতে হচ্ছে। এর বহু কারন আছে, তার মধ্যে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং ইন্ডাস্ট্রির মধ্যকার বিদ্যমান বিস্তর ফারাক অন্যতম। বুনন বিগত দুই বছর ধরে শিক্ষা, শিক্ষার্থী এবং ইন্ডাস্ট্রি ও ইন্ডাস্ট্রি লিডারদের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৫ই আগস্ট, রাত নয়টায় ইন্ডাস্ট্রি লিডারদের নিয়ে একটি ভার্চুয়াল সেমিনার আয়োজন করে বুনন।

বর্তমান করোনা কালীন সময়ে অন্যান্য সেক্টরের মতো গার্মেন্টস সেক্টর ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।  অনেক গার্মেন্টস এ কঠিন পরিস্থিতির সামাল দিতে হয়েছে। পশ্চিমা বিশ্বে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় এবং ক্রয়াদেশ বাড়ায় এই খারাপ সময় থেকে ঘুরে দাঁডানোর সময় এসেছে। উক্ত সেমিনারে কিভাবে আবার নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানো যায় এই বিষয়টি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।

ভার্চুয়াল সেমিনারটি তে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্টাইলিশ গার্মেন্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. সালাউদ্দিন চৌধুরী, স্পারো গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রি এর সি.ই.ও এন্ড ম্যনেজিং ডিরেক্টর শোভন ইসলাম শাওন, গিনা ট্রাইকট-সুইডেন এর কান্ট্রি ম্যানেজার আহসান মাহমুদ। উক্ত অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন হেড অফ অপারেশন বুনন ও চেয়ারম্যান আস্ক এপ্যারেল এন্ড টেক্সটাইল সোর্সিং মো. সালাউদ্দিন এবং ওয়েজ আহমাদ রিপন, মার্কেটিং এন্ড বিজনেস হেড, বুনন।

উক্ত সেমিনারে বক্তারা বর্তমানে উদ্ধৃত পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানো এবং এই সেক্টরের বিভিন্ন ভবিষ্যত সম্ভাবনার কথা আলোচনা করেন। এই শিল্পে কিভাবে তরুণরা অবদান রাখতে পারে এবং কিভাবে তরুণদের মাধ্যমে এই শিল্পকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি সেসব বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়া বস্ত্র প্রকৌশলীদের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও বক্তারা তাদের জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতার ভান্ডার থেকে কিছু তুলে ধরেন। আমাদের দেশের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন এবং এই সীমাবদ্ধতা নিরসনে করনীয় পদক্ষেপ গুলোর কথা আলোচনা করেন। সেমিনার টি তে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি এবং নতুন নতুন বন্দর নির্মাণ নিয়ে এই সেক্টরের সম্ভাবনার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা-গাজীপুর মহাসড়কের উন্নতি ও সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্টাইলিশ গার্মেন্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. সালাউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তির অভাব রয়েছে। এক্ষেত্রে প্রাইমারি লেভেল থেকেই উদ্যোক্তা হওয়া নিয়ে বা দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য বিশেষ পড়ালেখা বা বই থাকা উচিত।”

তিনি আরও বলেন, “বিজিএমইএ এর কাছে আমাদের অনুরোধ রয়েছে বিশেষ ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করার জন্য,যাতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে ওঠে। তরুণরা পড়ালেখার পাশাপাশি মিল ভিজিট করেও খুব সহজে তাদের দক্ষতা বাড়াতে পারে। এতে করে বাংলাদেশের অন্যান্য সকল সেক্টরগুলোর মত টেক্সটাইল সেক্টরেও উন্নতি ঘটবে। বিদেশ থেকে আর কর্মী আনতে হবে না। ফলে বাংলাদেশের বেকারত্ব দূর হবে। বাংলাদেশের টেক্সটাইলে সেক্টরে আগের থেকে অনেক উন্নত হয়েছে। “

স্পারো গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রি এর সি.ই.ও এন্ড ম্যনেজিং ডিরেক্টর শোভন ইসলাম শাওন বলেন,
“গত মার্চে যখন হঠাৎ করে কোভিড-১৯ শুরু এবং আমেরিকা, স্পেন, ফ্রান্স, ইতালিতে যখন লকডাউন পড়ে যায় তখন পুরো টেক্সটাইল  ইন্ডাস্ট্রিতে একটা ধ্বস নেমে আসে। যেখানে ২০১৮-২০১৯ এ ৩৪  বিলিয়ন ডলার রপ্তানি করি সেখানে ২০১৯-২০ এ আমরা রপ্তানি করি ২৮ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ আমরা প্রায় ছয় বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ২০% কম রপ্তানি করি। কিন্তু এত কিছুর পরও আমরা উঠে দাঁড়াতে সক্ষম হই।”

তিনি আরও বলেন, “দুইটি সুসংবাদ আছে, প্রথমটি হলো ২০২০-২১ সালে যে ম্যানুফ্যাকচারিং ইনডেক্স হয় তাতে বাংলাদেশ অর্জন করে  “The second biggest most appreciated ethical sourcing country next to Taiwan”। বাংলাদেশের পয়েন্ট ছিল ৭.৭ আর তাইওয়ান এর পয়েন্ট ছিল ৭.৮। যেখানে বাংলাদেশ ইন্ডিয়া এবং ভিয়েতনাম থেকে এগিয়ে ছিল। ২য় টি হলো USA কর্তিক যে গ্লোবাল বিল্ডিং কাউন্সিল আছে তা বাংলাদেশের বিজিএমইএ কে লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড দেয়। আর এটি বাংলাদেশের জন্য সত্যিই একটি বড় পাওনা। আর এ ক্ষেত্রে মালিক, কর্মী এবং বাংলাদেশ সরকার সকলেরই অবদান রয়েছে।”

গিনা ট্রাইকট-সুইডেন এর কান্ট্রি ম্যানেজার আহসান মাহমুদ বলেন, “বর্তমানে ইউরোপীয় কাস্টমারদের একটা ভাল ধারণা হলো বাংলাদেশ এমন একটা দেশ যারা সকল প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তাদের ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারে। তাছাড়া আমাদের প্রোডাক্ট এর মান ও যথেষ্ট ভাল ছিল। শিপমেন্ট সার্ভিসও অনেক ভাল ছিল। ২০২০ সালে আমাদের বিজনেস যেখানে ৫% গ্রো করেছিল। কিন্তু এ বছর আমাদের লক্ষ্যমাত্রা পুরো বিশ্বে ৩৫% সিপমেন্ট করা। যেখানে 2019 সালের আগে ছিল ১১%।”

তিনি আরও জানান, “বর্তমানে আমাদের শিপমেন্ট খুব ভালো চলছে, কিন্তু আমরা আবার কিছু সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি। সেটা আমাদের ইন্ডাস্ট্রির সমস্যা নয়, সেটা হল চট্টগ্রাম পোর্ট এর সাথে দূরত্বের সমস্যা। এই সমস্যা গুলোর সমাধান করলে আমরা অনেক অর্ডার কালেক্ট করতে পারবো। এবং টেক্সটাইল সেক্টর আরো উন্নত হবে।

একটা সময় ছিল যখন টেক্সটাইল সেক্টরে এতটা উন্নত ছিল না বা এতো ভালো শিক্ষা ব্যবস্থা ও ছিল না যেটার ফলে স্টুডেন্টরা টেক্সটাইল সেক্টরে আবদান রাখতে পারবে। কিন্তু বর্তমানে উন্নত প্রযুক্তির কারণে আমাদের টেক্সটাইল সেক্টরে অনেক উন্নতি ঘটেছে। বর্তমানে ছাত্র দের অনেক স্কোপ আছে যার ফলে তারা এই সেক্টরে অনেক অবদান রাখতে পারবে। তবে সব থেকে বড় কথা নিজের সততা এবং কাজের প্রতি ডেডিকেশন ধরে রাখতে হবে, তবেই আরও এগিয়ে যেতে পারবে।”

অনুষ্ঠানটির পরিচালনায় থাকা, হেড অফ অপারেশন বুনন ও চেয়ারম্যান আস্ক এপ্যারেল এন্ড টেক্সটাইল সোর্সিং মো. সালাউদ্দিন বলেন,
“বাংলাদেশের রানা প্লাজা ধ্বসে পড়ার পর পুরো টেক্সটাইল সেক্টর ক্ষতির সম্মুখীন হয়। এতে করে টেক্সটাইল সেক্টরের সকলেরই একটা মানসিক পরিবর্তন ঘটেছে। রানা প্লাজার এই দুর্ঘটনার আগের ৩০ থেকে ৪০ বছর সকলে এক প্রকার জোড়াতালি দিয়ে এই সেক্টরটাকে চালিয়ে আসছিল। কিন্তু রানা প্লাজার ঘটনার পর সকলেই নিজেদের চিন্তা-ভাবনা পরিবর্তন করেছে। আর সেটা একপ্রকার বাধ্য হয়েই। নিজেদের প্রচেষ্টায় এবং কঠোর পরিশ্রমে এই দশ বছরে টেক্সটাইল সেক্টরে এতটা উন্নতি করেছে।

তারপর আসি বর্তমানের এই করোনা পরিস্থিতিতে। এই পরিস্থিতিতে আসার পরেই অর্থাৎ ১৯ সালের পর সকলেই এই টেক্সটাইল সেক্টরের অবদান বুঝতে সক্ষম হয়েছে। আমরা জানি না আমরা ঠিক কতটা এগোতে পারবো, কিন্তু আমাদের মালিক-শ্রমিক সকলেই অনেক পরিশ্রম করছে  সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য। বর্তমানে অনেকেই এই টেক্সটাইল সেক্টর নিয়ে গবেষণা করছে। সব থেকে বড় কথা এই টেক্সটাইল সেক্টর যে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কতটা অবদান রাখছে তা কল্পনার বাহিরে। লিপস্টিক থেকে চকলেট, সকল ক্ষেত্রেই টেক্সটাইল সেক্টরের অবদান রয়েছে। বাংলাদেশের প্রায় পাঁচ কোটি মানুষ এই সেক্টরের সাথে কোন না কোন ভাবে জড়িয়ে  আছে।”

তিনি আরও বলেন,”আমাদের এই টেক্সটাইল সেক্টরে প্রচুর ইনভেসমেন্ট হচ্ছে। প্রচুর অর্ডার আসছে। এই সবকিছুই আমাদের টেক্সটাইল সেক্টর পরিচালনার জন্য হচ্ছে। আমরা আমাদের শ্রমিকদের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, ভালো বেতন-ভাতা সহ অন্যান্য সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করছে। আমাদের শ্রমিকরা তাদের নিজ নিজ কর্মস্থলে সবচেয়ে বেশি সুরক্ষিত ছিল। আমরা আমাদের এই সকল অ্যাক্টিভিটি যে শুধুমাত্র করোনাকালীন পরিস্থিতিতেই চালু করেছি তা নয়, আমরা গত পাঁচ বছর ধরেই কমপ্লায়েন্স বাস্তবায়নের লক্ষে এ সকল সুযোগ-সুবিধা দিয়ে আসছি। যার ফলে আমাদের এই সেক্টরে এত উন্নতি ঘটেছে। বর্তমানে টেক্সটাইল সেক্টরে যে কেউ ব্যবসা করতে চাইলে এ সকল নিয়মাবলী খুব ভালো করেই মনে রাখে। কারণ তারা জানে এসব নিয়মাবলী না মেনে চললে তারা উন্নতি করতে পারবে না।”

সেমিনারের শেষাংশে অতিথিরা সংক্ষিপ্ত আকারে বর্তমানের সামগ্রিক চিত্রটা তুলে ধরেন এবং এর থেকে উত্তরণের বিভিন্ন উপ্রায় বলেন। এছাড়া তরুণদের, বিশেষ করে শিক্ষার্থী এবং ফ্রেশ গ্রাজুয়েটদের কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। সেমিনার টি বুননের ফেসবুক পেইজে থেকে সরাসরি লাইভ সম্প্রচার করা হয়েছিল।

https://fb.watch/7eHDIowFLN/

রিপোর্টার:
মো. মোশাররফ হোসেন মিঠু
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস
ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর, বুনন
এবং
নুরুল আফসার খালেদ
চিটাগাং ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি (চিয়েট)
জুনিয়র রিসার্চ এসিস্টন্ট, বুনন

Most Popular

টেক্সটাইল ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্পে “টেকসই উন্নয়ন” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

৩ জুলাই বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অফ ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি এর টিইএম (টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট) বিভাগ এর সহযোগিতায় টেক্সটাইল ম্যানুফ্যাকচারিং ইন্ডাস্ট্রিতে টেকসই উন্নয়ন...

বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি’র টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের অভিনব উদ্যোগ

বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও ফ্যাশন নির্ভর অন্যতম প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অফ ফ্যাশন এন্ড টেকনোলজি জন্মলগ্ন থেকেই উন্নত ও মানসম্পন্ন শিক্ষা ছড়িয়ে দেয়ার...

সিটেক ক্যারিয়ার ক্লাবের উদ্যোগে মার্চেন্ডাইজিং বিষয়ক ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

গত ৫ ও ৬ জুলাই ২০২২ রাত ৯:৩০-১১:০০ টায় সিটেক ক্যারিয়ার ক্লাবের উদ‍্যোগে “Basic knowledge on Merchandising” শীর্ষক ভার্চুয়াল ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়।...

বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে সিটেকে বার্ষিক ইসলামিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

গত ২৪ জুন ২০২২ এ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, জোরারগঞ্জ, চট্টগ্রাম এর মুসলিম শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে কলেজ অডিটোরিয়ামে "সিটেক বার্ষিক ইসলামিক কনফারেন্স ২০২২" শীর্ষক...

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা,পর্ব-২ | Higher Study in Germany, Part-2

বাংলাদেশে টেক্সটাইল শিল্পের ক্রমেই দ্রুত বিকাশ ঘটে চলেছে এবং বিশ্বমানের টেক্সটাইল শিল্পের কাতারে বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্প ইতোমধ্যেই নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম...

জিন্স সম্পর্কে আকর্ষণীয় কিছু তথ্য,পর্ব-২ | Interesting Facts about Jeans, Part-2

১. লিভাইস স্ট্রস অ্যান্ড কো তাদের জিন্সের সেলাইয়ের জন্য ট্রেডমার্কযুক্ত কমলা কালারের থ্রেডকে ব্যাবহার করতো। এটি একটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হিসাবে কাজ...

সরকারী টেক্সটাইল কলেজগুলোর শেষ বর্ষের ফলাফল প্রকাশ

করোনা আর লকাডাউনে যেনো থমকে আছে সবকিছুই কিন্তু এই থমকে থাকার মধ্যেও সীমিত আকারে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সমাপ্ত করছে সরকার।তাইতো চলতি এপ্রিল...