27 C
Dhaka
Friday, June 25, 2021
Home Interviews Educationist জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা,পর্ব-২ | Higher Study in Germany, Part-2

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা,পর্ব-২ | Higher Study in Germany, Part-2

বাংলাদেশে টেক্সটাইল শিল্পের ক্রমেই দ্রুত বিকাশ ঘটে চলেছে এবং বিশ্বমানের টেক্সটাইল শিল্পের কাতারে বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্প ইতোমধ্যেই নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে। দেশের জাতীয় অর্থনীতির মেরুদন্ড হচ্ছে বস্ত্রশিল্প আর যেহেতু এটা এক বিশাল ও বহুমাত্রিক সেক্টর, এই শিল্পের জন্য প্রয়োজন দক্ষ প্রযুক্তিজ্ঞান সমৃদ্ধ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের যাদের হাত ধরেই এগিয়ে যাবে “Made In Bangladesh ” ট্যাগ।

আর, এতসব বাস্তবিক সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে, টেক্সটাইলে উচ্চশিক্ষার প্রয়োজনীয়তা ও প্রক্রিয়া,তাৎপর্যতা ইত্যাদি নিয়ে মোঃ আহসানুল করিম বিশ্বাস এর সাথে ফেইসবুকে দ্বিতীয়বারের মতো লাইভ সাক্ষাৎকার নেয় “বুনন” পরিবার। মোঃ আহসানুল করিম বিশ্বাস বর্তমানে জার্মানির কর্পোরেট সোস্যাল রেসপন্সিবিলিটিতে একজন অডিটর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন এছাড়াও উনি মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তন অধ্যাপক, টেক্সটাইলে বি.এস.সি করেছেন BUTEX থেকে ও এম.এস.সি করেছেন TU-Dresden, Germany থেকে এবং তিনি একজন DAAD স্কলারশিপহোল্ডার। উল্লেখ্য যে, বুননের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ থেকে লাইভ প্রোগ্রামটি হোস্টিং করেন, বুনন পরিবারের চিফ-কোর্ডিনেটর ওয়েজ আহমাদ রিপন। আমাদের পাঠকদের জন্য বুননের সাথে মোঃআহসানুল করিম বিশ্বাস স্যারের সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় পর্বের বিশেষ মূহুর্তগুলো তুলে ধরা হলো।

বুননঃ আসসালামু আলাইকুম দর্শকমণ্ডলী। দেশ ও দেশের বাইরে থেকে যারা বুননের লাইভ প্রোগ্রামের সাথে যারা যুক্ত রয়েছেন, সবাইকে জানাই প্রীতি ও শুভেচ্ছা। আজকের অনুষ্ঠানের সার্বিক উপস্থাপনায় যুক্ত রয়েছি আমি, বুনন এর চিফ কোঅর্ডিনেটর ওয়েজ আহমাদ রিপন। আপনারা সবাই জানেন বুনন টেক্সটাইলের বহুমাত্রিক বিষয়ের জ্ঞান সরবরাহের প্লাটফর্ম। আমাদের মূল লক্ষ্য জ্ঞান সরবরাহের মাধ্যমে পেশাদার এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমন্বয় তৈরি করা এবং তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের আজকের প্রোগ্রাম, “টেক্সটাইলে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা -পর্ব ২”। আমাদের আজকের প্রোগ্রামে অতিথি হিসেবে রয়েছেন ইন্জিনিয়ার. এহসানুল করিম বিশ্বাস। তিনি বর্তমানে জার্মানিতে ইন্টারটেক সার্টিফিকেশনের অডিটর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। বুননের পক্ষ থেকে জনাব এহসানুল করিম বিশ্বাস, আপনাকে স্বাগতম জানাচ্ছি।

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: ধন্যবাদ বুনন এবং ধন্যবাদ রিপন। দেশ-বিদেশ থেকে যারা লাইভটি দেখছেন তাদের সবাইকে আমার প্রীতি ও শুভেচ্ছা।

বুনন: অনুষ্ঠানের শুরুতেই আমরা জানতে চাইবো, ইউরোপের অন্যান্য দেশের সাথে তুলনা করলে জার্মানির বিশেষত্বটা আসলে কি পাবো আমরা?

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: ইউরোপের দেশগুলোর সাথে আমরা যদি জার্মানিকে তুলনা করি তাহলে আমরা বলতে পারবো যে জার্মানিতে পড়ালেখার মানটা অনেক ভালো, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে টিউশিন ফি ও প্রয়োজন হয় না। অতীতে অনেকে আমেরিকা,অস্ট্রেলিয়া, কানাডাতে টিউশন ফ্রি কোর্স খুজতো, যেখানে ইউরোপে বিশেষ করে জার্মানিতে আগে থেকেই টিউশন ফি লাগে না। অন্যান্য দেশের সরকার যেখানে উচ্চ টিউশন ফি নেয় শিক্ষার্থীদের থেকে, সেখানে জার্মানিতে তেমন কোনো টিউশন ফি লাগে না।

বুননঃ ধন্যবাদ, জার্মানিতে যারা উচ্চ শিক্ষার জন্য যাবে, তারা কিভাবে প্রস্তুুতি নিবে বা নিজেদের গুছাবে এই বিষয়ে আপনার অভিমত কি?

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: আসলে একজন শিক্ষার্থী যখন পড়তে চায়, তখন আসলে কয়েকটি বিষয় কাজ করে, যেমন পড়ার মতো আর্থিক স্বচ্ছতা একটি দিক, তেমনি কোর্স নির্বাচন ও ভর্তি হওয়া আরেকটি দিক। আমি যদি টাকার অংশটাকে বাদ দেই,তাহলে শিক্ষার্থীকে আগে একটি বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করে উপযুক্ত কোর্স নির্বাচন করতে হবে,তো এজন্য আমি একটা পোর্টাল আগেই বুননকে দিয়েছি,যেখানে একজন শিক্ষার্থী তার সুবিধামতো কোর্স সার্চ করতে পারবে।আর এই পোর্টালে সব দেওয়া আছে,কেউ হয়ত মাস্টার্স করতে চায়, কেউ হয়ত এমবিএ,কেউ হয়ত পিএইচডি করতে চায়, কোন শিক্ষার্থী কোন মাধ্যমে পড়তে চায়, টিউশন ফি আছে কি নাই সহ বহুমাত্রিক বিষয়ের তথ্য জানতে শিক্ষার্থীরা কোর্স নির্বাচন করতে পারবে, বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করতে পারবে।এটা ভর্তি প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ। বিদেশে আসার ক্ষেএে আরেকটি যে বিষয় আমি বলতে চাই, তার আগে বলি, গত পর্বে আমরা সম্পূর্ণ বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করেছি এবং আজকে কিছু সুনির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো। বিদেশে পড়তে আসার ক্ষেএে আরেকটা কথা বলবো যে, বাইরে পড়তে যাওয়াটা কতটা যৌক্তিক হবে কোনো শিক্ষার্থীর ক্ষেএে সেটা তাকে ভাবতে হবে, টিউশন ফি না থাকলেও ভর্তি প্রক্রিয়ার কিছু খরচ আছে,প্লেনের ভাড়া আছে, বিদেশে আসার পর থাকা খাওয়ার একটা খরচ আছে,এসব মিলিয়ে নানা ধরনের খরচ বহনের আর্থিক সক্ষমতা আছে কি না শিক্ষার্থীর-সেসব বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে। এমন না যে বাড়িঘর বিক্রি করে সেই টাকা দিয়ে পড়তে আসতে হবে। কারন,এখানকার পড়াশোনা উন্নতমানের, কিন্তুু কঠিনও। সাথে কাজও করতে হয়, তো অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে টিকে থাকার বিষয়টা। তাই,অার্থিক সক্ষমতা থাকলে নিদিষ্ট কোর্স ও বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করে সঠিকভাবে নিয়মানুসারে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে জার্মানিতে আসতে হবে।

বুননঃ ধন্যবাদ, আমরা জানি যে জার্মানিতে বিভিন্ন প্রকারের বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। তাহলে, শিক্ষার্থীরা কি ধরনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আবেদন করলে উপকৃত হবে?

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: মূলত জার্মানিতে দুইধরনের বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, একটা হচ্ছে -ইউনিভার্সিটি অফ এ্যাপ্লায়েড সাইন্স এবং আরেকটা হচ্ছে টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি। টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি হলো ” রিসার্চ -ওরিয়েন্টেড ” বা গবেষণা-নির্ভর। যারা পিএইচডি, এম.ফিল,পোস্ট.ডক,গবেষণা বা একাডেমিক ক্ষেএে নিজের জ্ঞানের পরিসীমা বৃদ্ধি করতে চায়, তারা টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে আবেদন করবে। আর, ইউনিভার্সিটি অফ এ্যাপ্লায়েড সাইন্স হচ্ছে “প্র্যাকটিকাল-ওরিয়েন্টেড” বা ” ব্যবহারিক কাজ নির্ভর”,যেখানে মাস্টার্স করা যাবে কিন্তুু পিএইচডি এর সুযোগ সুবিধা নেই৷ কিন্তুু এইসকল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার খরচটা কম, সাথে কোর্সের সময়ও কম লাগে। আর,বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের ক্ষেএে ইউনি-এসিস্ট বর্তমানে শিক্ষার্থীদের আবেদন প্রক্রিয়ার সাহায্য করে আসছে,যেক্ষেত্রে তাদেরকে ক্ষেএবিশেষে ৭০ থেকে ১০০ ইউরো দিতে হতে পারে ভর্তি প্রক্রিয়ার জন্য। সরাসরি ভর্তির জন্য মনোনীত না হলে এ প্রক্রিয়ায় চেষ্টা করতে হবে। আমি ইউনি-এসিস্ট কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কত ইউরো নিয়ে থাকে সেটারও তালিকা বুননের হাতে তুলে দিয়েছি।

বুনন: জার্মানিতে তো বহুমাত্রিক কোর্স আছে, তো সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা কি কি কোর্স নিয়ে পড়তে পারে, আর টেক্সটাইলের শিক্ষার্থীদের জন্য মাস্টার্স করার জন্য কি কি কোর্স আছে?

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: যে শিক্ষার্থী যে বিষয়ে পড়াশোনা করে, তার জন্য সে বিষয় সম্পৃক্ত কোর্স করাটাই ভালো হবে। তবে কেউ যদি অন্য বিষয় নিয়ে পড়তে আগ্রহী হয়ে থাকে, সে পড়তে পারবে। জার্মানিতে কোর্সগুলো এভাবে নির্বাচন করা হয় যে চাকুরির বাজারে সেটার সর্বাধিক চাহিদা থাকবে। আর,টেক্সটাইলের শিক্ষার্থীদের জন্য বলবো, বিগত ২০ বছর হয়ত বাংলাদেশের টেক্সটাইলের শিক্ষার্থীরা তেমন আসতো না, কিন্তুু গত ৩-৪ বছর ধরে বাংলাদেশের টেক্সটাইলের ছাএরা আসছে,কোর্স করছে এবং চাকুরীও করছে। আর, এছাড়া, টেক্সটাইলের বাইরেও নন-টেক্সটাইলের বিষয় নিয়ে পড়ছে।আমি যে পোর্টাল দিয়েছি বুননকে, সেখানে টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ারদের জন্য বিভিন্ন নন-টেক্সটাইলের বিষয়েরও উল্লেখ আছে।

বুননঃ ধন্যবাদ আপনাকে। জার্মানিতে আবেদনের সঠিক সময়টা কখন? -এসম্পর্কে যদি কিছু বলতেন?

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: আগে শুধুমাত্র” উইন্টার” সেমিস্টার ছিলো,কিন্তুু এখন বিদেশী শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক এবং সময়ের সাথে ক্রমাগত বেড়েই চলেছে । তাই, এখন ” সামার” ও “উইন্টার” দুইটি সেমিস্টার চালু রয়েছে। এপ্রিল থেকে শুরু করে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত “উইন্টার” এর জন্য এবং যারা “সামার” এ আসবে তাদের আবেদন নভেম্বর -ডিসেম্বরের দিকে শুরু হয়ে যায়।এছাড়া সিট খালি থাকলে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্সের সাথে সম্পৃক্ত কো-অর্ডিনেটরের সাথে যোগাযোগ করে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করা যেতে পারে।

বুননঃ ধন্যবাদ, ইউনিএসিস্ট ছাড়াও তো সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য আবেদন করা যায়। এসম্পর্কে যদি কিছু বলতেন?

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: অতীতে শিক্ষার্থীরা সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্য আবেদন করতে পারতো, কিন্তুু ক্রমাগত বর্ধমান শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ইউনি-এসিস্টকে বর্তমানে দায়িত্ব দিয়ে থাকে,যারা শিক্ষার্থীদের আবেদনের কাগজপএ গ্রহন করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পাঠিয়ে দেয়।যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনিএসিস্ট দিয়ে আবেদনের কথা বলা হবে, তাদের ক্ষেএে সরাসরি আবেদন করা যাবে না,আর যাদের ক্ষেএে বিশ্ববিদ্যালয়ে সরাসরি আবেদনের কথা বলা হবে, তাদের ক্ষেএে ইউনিএসিস্টের মাধ্যমে আবেদনের কোনো দরকার নেই।

বুননঃ ধন্যবাদ, জার্মানিতে কি কি স্কলারশিপ রয়েছে এবং সেগুলো পেতে হলে সাধারণত কি কি শর্তাবলি পূরন করতে হয়?

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: প্রথমে যেটা বলবো যে,জার্মানিতে টিউশন ফি নাই,কাগজ-বইপএের খরচ নেই,ফ্রিতে লাইব্রেরিতে গিয়ে পড়ার সুযোগ আছে এবং কোর্স-কর্ডিনেটররা বিনামূল্যে পড়াশোনার উপকরনগুলো সরবরাহ করে থাকেন। তাই,জার্মানিতে স্কলারশিপের তেমন প্রচলন নেই। কিন্তুু, DAAD স্কলারশিপ আছে,যেটা সম্পর্কে গতপর্বেও বলেছিলাম। জার্মান সরকার এই স্কলারশিপের মাধ্যমে সারাবিশ্ব থেকে, বিশেষকরে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো থেকে মেধা খুঁজে নেই এবং তাদের সুযোগ দিয়ে থাকে। তবে একটি দেশ থেকে এই স্কলারশিপ পাওয়ার সৌভাগ্য হয় প্রতিবছর ২ থেকে ৩ জনের এবং তাদের ২ বছরের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অভিজ্ঞতাও থাকতে হবে। তবে তাদের থাকা-খাওয়া থেকে শুরু করে প্লেনের ভাড়াও” DAAD” দিয়ে থাকে। এছাড়াও, ডয়েসল্যান্ড স্কলারশিপ রয়েছে যেটা শিক্ষার্থী তার সক্ষমতা,ভাষাগত দক্ষতা, জার্মানিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক বা সামাজিক সংগঠনগুলোর সাথে সম্পৃক্ততার ভিওিতে জার্মানিতে যাওয়ার পরেও পেতে পারে। এক্ষেত্রে, জার্মান ভাষা জানতে হবে।

বুননঃ ধন্যবাদ, আলোচনার এপর্যায়ে আমরা জার্মানিতে পড়তে যাওয়ার ক্ষেএে IELTS স্কোর এবং জার্মান ভাষাশিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাচ্ছি।

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: ধন্যবাদ। গত পর্বে এবিষয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে বলেছিলাম। এটা কেন দরকার আমার সেটা আগে জানতে হবে।যদি কোর্স জার্মান ভাষায় হয় তাহলে জার্মান ভাষা জানতেই হবে, আর কোর্স ইংরেজি ভাষায় হলে ইংরেজিটা ভালোভাবে জানতেই হবে, সেক্ষেএে জার্মান ভাষা ভালোভাবে না জানলেও সমস্যা নেই। এক্ষেত্রে IELTS স্কোর চাইতে ও পারে,নাও চাইতে পারে। তবে গড়ে ৪.৫ থেকে ৬.৫ লাগে,৭ হলে কোথাও আটকাতে হয় না। পাশাপাশি, কোথাও হয়ত B2 সার্টিফিকেটও লাগতে পারে। তবে, জার্মানিতে আসার ভিসা পেতে ইংরেজি বা জার্মান ভাষায় পারদর্শী হওয়ার পাশাপাশি IELTS স্কোর লাগতে পারে, অথবা কারও B2 সার্টিফিকেট থাকলেও ভিসা পেতে পারে। এছাড়া,উচ্চতর পযার্য়গুলোর ক্ষেএে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় TOEFL,GRE ও চাইতে পারে।

বুননঃ ধন্যবাদ স্যার। ভর্তি আবেদন করার ক্ষেত্রে ” মিডিয়া অফ ইনস্ট্রাকশন” নিয়ে যদি কিছু বলতেন?

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: ধন্যবাদ, অতীতে শিক্ষার্থীদের “মিডিয়া অফ ইন্সট্রাকশন”এর ব্যাপারে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হতো, বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে আলাদাভাবে কোনো শাখা ছিলোনা, এখন যুগ অনেক আধুনিক হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে আলাদাভাবে শাখা রয়েছে যারা প্রত্যয়নপএ দিয়ে থাকে, অথবা সার্টিফিকেট আকারে ” মিডিয়া অফ ইন্সট্রাকশন” দিয়ে থাকে।

বুননঃ আমরা জানি যে,জার্মানিতে আবেদনের সময় মোটিভেশন লেটার অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে,এই বিষয়ে যদি কিছু বলতেন?

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: এক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থীকে বিষয়টা বুঝিয়ে লিখতে হবে যে কেনো জার্মানি গিয়ে সে কোর্স করতে চায়? এক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থীকে সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয় নিয়ে লেখতে হবে, কেনো পড়তে চায়,কি টপিক গুলো নিয়ে রিসার্চ করতে চায়, কিভাবে একজন শিক্ষার্থীর সাথে কোর্সটি সম্পৃক্ত, কিভাবে সে কোর্স থেকে প্রাপ্ত জ্ঞানকে তারদেশে গিয়ে সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারবে, এসব বিষয় নিয়ে লেখতে হবে।

বুননঃ জার্মানিতে আবেদনের ক্ষেএে মোটিভেশন লেটারের পাশাপাশি রেফারেন্স লেটারেরও দরকার হয়। এই বিষয়ে যদি কিছু বলতেন?

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: এক্ষেত্রে, “রেফারেন্স লেটার” হলো “রেকমেন্ডেশন লেটার ” যেটা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর, লেকচারার বা শিক্ষকদের কাছে থেকে সই করিয়ে নিতে হয়, যেটাতে মূলত তাদের সুপারিশ থাকে। এক্ষেত্রে, কেউ অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসরদের সুপারিশ পএ ও নিতে পারে। পাশাপাশি, যারা রিসার্চ কাজে যুক্ত এমন ব্যক্তিবর্গ অথবা ইন্ডাস্ট্রির উচ্চ পর্যায়ের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যক্তিবর্গের কাছে থেকেও রেকোমেন্ডেশন লেটার পাওয়া যেতে পারে এক্ষেত্রে, অন্তত, একজন শিক্ষকের সুপারিশ নিলে ভালো হবে।

বুননঃ ধন্যবাদ আপনাকে, কেউ যদি DAAD স্কলারশিপ পেতে চায়, সেক্ষেত্রে “রেকোমেন্ডেশন লেটার” এর ব্যাপারটা নিয়ে যদি কিছু বলতেন?

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: কেউ যদি DAAD স্কলারশিপ পেতে চায়, তার আবশ্যিক দুই বছরের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এক্ষেএে, একাডেমিক সুপারিশের পাশাপাশি, যে ইন্ডাস্ট্রি বা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করবে, সেখানকার উচ্চ পর্যায়ের কোনো ব্যক্তির সুপারিশ পএ লাগবে।

বুননঃ জার্মানিতে পড়তে গেলে একাডেমিক সিভির প্রয়োজন হয় কি, প্রয়োজন হলে সেই একাডেমিক সিভি কেমন হওয়া উচিত?

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: অনেকসময় একাডেমিক সিভির প্রয়োজন পড়ে, অনেকসময় পড়ে না। এক্ষেত্রে, একটা ভালো সিভিতে সব ধরনের তথ্যই থাকা দরকার, যেমনঃ আবেদনকারীর ছবি,ঠিকানা, জীবনবৃত্তান্ত, শিক্ষাগত যোগ্যতা, প্রকাশনার যোগ্যতা,সহ-শিক্ষা কার্যক্রম,সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা, চাকুরীর যোগ্যতা, এককথায় সবকিছুরই উল্লেখ থাকলে ভালো হবে।

বুননঃ ধন্যবাদ স্যার, এপর্যায়ে, আমরা দর্শকদের কিছু প্রশ্ন নিয়ে নিবো। একজন দর্শক জানতে চেয়েছিলেন, IELTS স্কোর ছাড়া কি ভিসা পাওয়া সম্ভব?

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: ধন্যবাদ, আগেও বলেছি, আরেকটু যোগ করি৷ IELTS স্কোর না থাকলে B2 দিতে হবে, আর B2 না থাকলে IELTS দিতে হবে। তাহলে,ভিসা পেতে হলে IELTS না থাকলে জার্মান ভাষার দক্ষতার সার্টিফিকেট দিতে হবে।

বুননঃ ধন্যবাদ আপনাকে, কিছু বিশ্ববিদ্যালয় “প্রজেক্ট পেপার ” চেয়ে থাকে। এই বিষয়ে যদি কিছু বলতেন?

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: এক্ষেত্রে, প্রজেক্ট পেপারে একজন শিক্ষার্থী কি নিয়ে পড়াশোনা করেছে, কি নিয়ে পড়তে চায়,রিসার্চ করতে চায় সেটার টাইমলাইন সম্পর্কে ধারনা দিয়ে লেখবে , এটা অনেকটা প্রজেক্ট প্রপোজাল যেমনে লেখা হয়, সেভাবেই লেখা যেতে পারে।প্রজেক্ট পেপার ১-২ পৃষ্ঠায় লেখলেই ভালো, অনেকে বিস্তারিত লেখতে ৮-১০ পৃষ্ঠায়ও লিখে থাকে।

বুনন: ধন্যবাদ স্যার, প্রত্যেকটি শিক্ষার্থী অষ্টম সেমিস্টারে প্রজেক্ট ওয়ার্ক করে থাকে,সে যদি তার রিসার্স পেপার আন্তর্জাতিক মানের কোনো জার্নালে প্রকাশ করতে পারে তাহলে সে কি সুবিধা পাবে?

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: কোনো শিক্ষার্থী যদি তার প্রজেক্ট পেপারকে জার্নালে প্রকাশ করতে পারে, এটা তার অনেক বড় একটা দক্ষতা, সে বাকি আবেদনকারীর চেয়ে নিঃসন্দেহে কয়েক ধাপ এগিয়ে থাকবে,কেননা কোনো রিসার্চ ওয়ার্ক বা প্রজেক্ট পেপারের সর্বশেষ ও সর্বোচ্চ সফলতা হচ্ছে সেটা প্রকাশ করতে পারা। তবে জার্নালে আর্টিকেল প্রকাশের পর সেটা অবশ্যই অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালো কোনো প্রফেসরকে দিয়ে রিভিও করিয়ে নিতে হবে।

বুননঃ অনুষ্ঠানের এ পর্যায়ে আমরা “ব্লক-এ্যাকাউন্ট” সম্পর্কে জানতে চাইবো।

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: ব্লক এ্যাকাউন্ট হলো আসলে জার্মানিতে থাকা খাওয়ার জন্য একটি নিরাপদ দিকনির্দেশনাস্বরুপ। কারও হয়ত জার্মানিতে পড়তে ১০ লক্ষ টাকা লাগবে, তো ব্লক-এ্যাকাউন্ট এটার প্রমান যে, একাউন্টের মালিক যে শিক্ষার্থী তার সেই সক্ষমতা আছে এবং প্রতিমাসে সে একটি নিদিষ্ট হারে খরচ করে সেই টাকা ব্যবহার করে কোর্সগুলো সম্পূর্ণ করবে,যাতে অতিরিক্ত খরচের হাত থেকে শিক্ষার্থীরা রক্ষা পায়। মূলত শিক্ষার্থী ব্লক এ্যাকাউন্ট করবে নিজের নিরাপত্তার জন্য। এক্ষেত্রে, কোনো শিক্ষার্থী পার্ট-টাইম জব করতে পারে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের ক্ষেএে।

বুনন: ধন্যবাদ আপনাকে, এ পযার্য়ে দর্শকদের কাছে প্রশ্ন নিবো। একজন জিজ্ঞাসা করেছেন, গবেষণার জন্য জার্মান বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজস্ব কোনো ফান্ডিং দিয়ে থাকে কি না, আরেকজন জানতে চেয়েছেন,কেউ পিএইচডি করতে গেলে কোনো সুনির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনির্দিষ্ট অধ্যাপকের কাছে আবেদন করতে পারবে কি না?

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: ধন্যবাদ। তাহলে, দুইটি প্রশ্ন আছে। গবেষণার জন্য জার্মান বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে কোনো কোনো ক্ষেএে ইন্ডাস্ট্রিগুলো টাকা দিয়ে থাকে তবে সেক্ষেত্রে গবেষণার ফলাফল তাদের, এছাড়া জার্মান সরকার ও ফান্ডিং করে থাকে। কোনো শিক্ষার্থী যে কোর্স নিয়ে পড়তে যাবে তাকে সে কোর্সের কো-অর্ডিনেটরকে জিজ্ঞাসা করতে হবে এবং জেনে নিতে হবে ফান্ডিং সুযোগ সুবিধা নিয়ে।তবে,এক্ষেত্রে জার্মানে প্রচুর সুযোগ-সুবিধা আছে। আর,পিএইচডি টা জার্মানে একটি চাকুরির মতো।খুব কমক্ষেএে সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপকের সাথে যোগাযোগ করে তার অধীনে পিএইচডি করা যায়, মূলত সার্কুলার প্রকাশের পর যোগ্যতার প্রমান দিয়ে শিক্ষার্থী কোনো অধ্যাপকের অধীনে ৩-৪ বছর গবেষণা করে এবং কোনো সুনির্দিষ্ট বিষয়ের উপর ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়ে থাকে।

বুননঃ ধন্যবাদ আপনাকে। অনুষ্ঠানের এপযার্য়ে ভিসা প্রসেসিং সম্পর্কে জানতে চাচ্ছিলাম?

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: লক্ষ্য হতে হবে, আমি জার্মানিতে পড়তে চাই। এক নয়, বরং একাধিক বিষয়ের জন্য আবেদন করতে হবে। ভিসা পেতে হলে যে রিকোয়েরমেন্টগুলো থাকবে তা পূরণ করতে হবে। এ্যাম্বাসিতে গিয়ে খোঁজখবর নিতে হবে, কোর্স-কোর্ডিনেটরদের কাছ থেকে লিংক নিতে হবে এবং চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। স্কলারশিপের জন্য শুধু মাএ ভার্সিটির রিকোয়েমেন্ট পূরন করলেই চলবে না, এ্যাম্বাসির রিকোয়েমেন্টও পূরণ করতে হবে। ভিসা এ্যাম্বাসিতে ফর্ম এর জন্য আবেদন করতে হবে এবং তাদের অনুমতি পেলে এন্ডোর্সমেন্ট নিতে হবে। কেননা কোনো কোর্স যদি ছয় মাসের হয়,তারজন্যও টাকা দিয়ে এন্ডোর্সমেন্ট নিতে হয়।তারপর, বাকি রিকোয়েরমেন্ট যেমন : IELTS স্কোর চাচ্ছে কিনা?ব্লক-এ্যাকাউন্ট এর বিষয়ে কি বলছে? পাসপোর্ট সাইজ ছবি চাচ্ছে কিনা? অ্যাপোয়েন্টমেন্ট ক্যালেন্ডারের বিষয়ে কি বলছে ইত্যাদি নিয়মানুযায়ী নিশ্চিত করতে হয়।অ্যাপোয়েন্টমেন্ট তিনমাসের পরেও হতে পারে। এন্ডোর্সমেন্ট কাগজপএ নিয়ে ভিসা অফিস থেকে তাদের শর্তসমূহ পূরণ করে ভিসা প্রসেস করতে হয়।এক্ষেত্রে আবেদনকারীর ইচ্ছাশক্তি ও মনবলকে প্রাধান্য দেওয়া হয় যোগ্যতার পাশাপাশি।তবে, বলবো,কোর্স ইন্ডোরমেন্টের পর ইনভাইটেশন লেটার পেলেই,এ্যাপায়নমেন্ট নিতে হবে এবং সব কাগজপএ গুছিয়ে নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে এম্বাসিতে জমা দিয়ে দিলে সময় অপচয় কম হবে।

বুননঃ ধন্যবাদ আপনাকে। স্যার,আমরা মাঝেমধ্যে দেখি যে, অনেক ক্ষেত্রে অনেকের ভিসা বাতিল হয়ে যায়। এর কারনগুলো কি হতে পারে-সেসম্পর্কে যদি কিছু বলতেন?

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: এক্ষেত্রে কোনো শিক্ষার্থী হয়ত আবেদনের জন্য এ্যাম্বাসিতে কাগজপএ সঠিকভাবে জমা না দিলে, IELTS স্কোর কম থাকলে, জার্মান বা ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা না থাকলে,আবেদনের শর্তাবলি পূরন না করলে, এ্যাম্বাসিতে ভাইভার প্রশ্নগুলোর উত্তর সুনির্দিষ্ট ও যৌক্তিকভাবে না বললে ভিসা বাতিল হয়ে যায় এবং একবার ভিসা বাতিল হয়ে গেলে একটি নির্দিষ্ট সময় পরে আবার আবেদন করতে পারে।

বুননঃ আজকে আমরা টেক্সটাইলের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় অনেক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করলাম,নন-টেক্সটাইলের শিক্ষার্থীদের বিষয়ে যদি কিছু বলতেন?

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: ধন্যবাদ, আসলে গতপর্বে এবং আজকে যা বলছি সেটা সবার জন্যই, প্রক্রিয়াগুলো টেক্সটাইল-নন টেক্সটাইল সবার জন্যই একই হবে।

বুনন: ধন্যবাদ আপনাকে। আমরা অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি। এখন কিছু প্রশ্ন নিবো, একজন দর্শক জিজ্ঞাসা করেছেন, কারও এইচ.এস.সি তে জিপিএ কম, কিন্তুু বি.এস.সি তে সিজিপিএ ভালো হলে,তার কি ভিসা পেতে কোনো সমস্যা হবে কি না?

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: না,আসলে এইচ.এস.সির রেজাল্ট এক্ষেত্রে তেমন কোনো গুরুত্ব রাখে না, আবেদনের শর্তাবলি পূরন করতে পারলে এবং কোর্সে সিট খালি থাকলে অনেক সুযোগ আছে জার্মানির ভিসা পাওয়ার।

বুননঃ ধন্যবাদ স্যার। আমরা আবার আমাদের দর্শকদের কাছে থেকে প্রশ্ন নিবো। একজন দর্শক জিজ্ঞাসা করেছেন, স্কলারশিপের ক্ষেএে বড় শহরে পার্ট-টাইম জব কোনো প্রভাব ফেলে কিনা?

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: না। কোনো প্রভাব ফেলে না। তবে বড় শহরে পার্ট-টাইম জবের সুযোগসুবিধা অবশ্যই বেশি।

বুনন: আর একজন দর্শক প্রশ্ন করেছেন, স্কলারশিপ পেতে হলে দুইবছরের অভিজ্ঞতা লাগবে। সেক্ষেত্রে কেউ ডিপার্টমেন্টের শিক্ষকের অধীনে রিসার্চ এ্যাসিটেন্টের কাজ করলে, সেটা কি গণনা করা হবে কি না?

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: হ্যাঁ,কেননা রিসার্চ ও কাজের মধ্যেই পড়বে। আরেকটা বিষয় বলতে পারি,১ বছর চাকুরির অভিজ্ঞতা থাকলেই হয়,১ বছর অভিজ্ঞতা থাকলেই আবেদন করা যেতে পারে,ভিসা পেতেও সময় লেগে যায়। তাই,১ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারে,এতে সময়ের অপচয় হবে না।

বুননঃ ধন্যবাদ আপনাকে। আমরা অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি। আমরা অনুষ্ঠান আর দীর্ঘায়িত করবোনা, শেষ পর্যায়ে আমাদের দর্শকদের উদ্দেশ্যে যদি কিছু বলতেন?

ইন্জি.এহসানুল করিম বিশ্বাস: ধন্যবাদ বুননকে। যারা বিভিন্ন জায়গা থেকে লাইভ প্রোগ্রামটি দেখেছেন, তাদেরও অসংখ্য ধন্যবাদ৷ গত পর্ব এবং আজকে হয়ত বেশিরভাগ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়ে গেছে যেমনঃ ভিসা প্রসেসিং,কোর্স-সার্চিং,থাকা-খাওয়া, স্কলারশিপের শর্তাবলি ও ফান্ডিং, চাকুরি ও উচ্চশিক্ষার সুবিধা সহ আরও অনেককিছু। এরপরও দর্শকদের প্রশ্ন থাকলে আশা করি “বুনন” আমাকে জানাবে এবং আমরা আরেকটি লাইভ প্রোগ্রাম করবো। সবাই মেধা বিকাশের সুযোগ পান এবং সুস্থ সুন্দরভাবে বেড়ে উঠুন, সেই কামনাই করবো। ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতে আবারও দেখা হবে নতুন কোনো লাইভ প্রোগ্রামে নতুন সব প্রশ্ন নিয়ে।

বুননঃ ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার সুস্থতা কামনা করছি এবং দর্শকদের শুভকামনা জানিয়ে আজকের লাইভ প্রোগ্রাম এখানেই শেষ করছি। আসসালামু আলাইকুম। ধন্যবাদ সবাইকে।

Uni Assist Website Link

University & Course Searching Link

Reporter:
Abir Mohammad  Sadi 
BUTEX
Sr.Campus Ambassador, BUNON

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

আধুনিকতা ও ঐতিহ্যের মিশেল খাদিতে কাঁথা এমব্রয়ডারি

Your browser does not support the audio element. মণীষীদের মতে, লোকশিল্পের মধ্যে অতীতের প্রতিধ্বনি,...

প্লাস্টিক বোতল থেকে ফ্যাব্রিক

প্লাস্টিক‌ বোতল থেকে ফ্যাব্রিক? এও কি সম্ভব। হ্যা। ঠিকই শুনছেন। প্লাস্টিক বোতল পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমেও সম্পূর্ণ সাসটেইনেবল বা টেকসই ফাইবার পাওয়া সম্ভব।...

টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় আবারো ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ

আগামী ২৬ জুন ২০২১, শনিবার সকাল ১০:০০ টায় রাজধানীর তেজগাঁওস্থ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে (এফডিসি) ‘প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষায় প্রস্তাবিত বাজেট...

কেয়ার লেবেলে আধুনিকতার ছোয়া

কেয়ার লেবেল হচ্ছে তৈরিকৃত গার্মেন্টসের একটি অংশ,যেখানে ভোক্তাদের উদ্দেশ্য গার্মেন্টস এর কেয়ার সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য দেয়া থাকে। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে...

সেলাই মেশিনের ইতিহাস | History of Sewing Machine

সেলাই মেশিন আবিষ্কারের ইতিহাস ঠিক যেন সুতার বুননে ঠাসা এক কলঙ্কিত কালো-অধ্যায়। ব্যর্থ প্রচেষ্টা, নকশা চুরি, পেটেন্ট ব্যর্থতাসহ এমনকি অল্পের জন্য...

মিশরীয় পোশাক কথন

প্রাচীন মিশর প্রাচীনতম সভ্যতার একটি, যার নিজস্ব রাজনৈতিক ব্যবস্থা, সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ, ধর্ম, বিশ্ব দর্শন এবং অবশ্যই, ফ্যাশন। এই রাষ্ট্রের বিবর্তন এখনও...

অর্গানিক কটন | Organic Cotton

আমাদের বস্ত্রশিল্পের সর্বোচ্চ ব্যবহৃত কাচামাল হচ্ছে কটন যা ইন্ডিয়া, মিশর, তুরস্ক, চীন, কিরগিজস্থান, আমেরিকার সহ বিভিন্ন দেশে উৎপাদিত হয়ে থাকে। কটন...