29 C
Dhaka
Wednesday, October 28, 2020
Home News & Analysis করোনা পরবর্তী ৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানী সম্ভাবনা। প্রস্তাবনা:০১-০৩

করোনা পরবর্তী ৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানী সম্ভাবনা। প্রস্তাবনা:০১-০৩

আমাদের কারখানা খুলে দেয়ার পর, অনেকেই আমরা সবচেয়ে সংকটে পড়বো ফুল ক্যাপাসিটি ইউটিলাজেশন নিয়ে। ধরুন আপনার ৯৫ টা নিটিং মেশিন আছে তার ভিতর মাত্র ৬০টা চালানোর মত অর্ডার আছে বাকি গুলোর ডায়া মিলছেনা, ডিজাইন মিলছেনা বা অর্ডার ই নাই। আমাদের গ্রূপে জয়েন করে আপনার খালি ক্যাপাসিটি জানিয়ে দিন। অর্ডার দেয়ার জন্য অসংখ্য কারখানা আপনাকে খুঁজে বেড়াচ্ছে। আমরা ডিজিটালি কানেক্টেড না তাই জানিনা। নিটিং, ডায়িং, কাটিং, সুইং, এমব্রয়ডারি, প্রিন্টিং নিয়ে সকলেই এই যন্ত্রনা বয়ে বেড়াচ্ছেন আমি জানি।

“স্মার্ট ফ্যাক্টরী ৪.০ সল্যুশন্স” এর পদক্ষেপ এর অংশ হিসেবে আমরা সারা বাংলাদেশের সমস্ত ফ্যাক্টরি কে অ্যামাজন ক্লাউড সার্ভিসের আওতায় আনার জন্য কাজ শুরু করেছি , সকলকে অনুরোধ করবো আমাদের যাত্রায় সামিল হতে।

আমি বিশ্বাস করি আমরা এই কানেক্টিভিটি তৈরী করে সকলের ক্যাপাসিটি সকলেই শেয়ারড করতে পারলে আমরা আরো ১৫% বেশি প্রোডাকশন করতে পারবো। তাহলে রপ্তানী বেড়ে ৩৯.১০ বিলিয়ন ডলার হবে।

আমাদের পিপিই প্রোডাক্ট প্রমোশনের জন্য এই গ্রূপকে আপাতত কিছুদিনের ডেডিকেট করছি , এই গ্রূপে কোন ফ্যাক্টরী তে কে, কি উৎপাদন করছেন তা বিশদ বর্ণনা করবেন। অনেক ক্রেতাই এখনও আপনাদের খবর জানেন না। সারা বাংলাদেশেই সবার এই পিপিই সামগ্রী খুঁজছেন।

আমাদের নীট কারখানা গুলো সাধারণত গোলগলা টি-শার্ট লাইন প্রতি ২০০০ – ২৫০০ পিস্ পর্যন্ত দৈনিক প্রোডাকশন করে।
যদি ৩০ লাইনের কারখানা আর শুধুই টি-শার্টের অর্ডার করে। তাহলে ২৬ দিন × ২০০০ × ৩০ = ১৫৬০,০০০ পিস্ আউটপুট পাওয়ার কথা। কিন্তু দেখবেন ১০ লক্ষ থেকে ১২.৫০ লক্ষ পর্যন্ত প্রোডাকশন পাচ্ছেন।

নিম্নোক্ত তিন ভাবে এই সর্বনাশ টা ঘটেই যাচ্ছে দুই দশক ধরে। এবং আমরা এই সমস্যার কোন সমাধান ও করছিনা।

১। হয়তো ২০ দিনের সমতুল্য প্রোডাকশন পাচ্ছি।

২। অথবা ২৬ দিনই কম প্রোডাকশন করছি।

৩। এবং ৫/৬ দিন নষ্ট করে ফেলছি স্টাইল চেঞ্জ, মেশিন নষ্ট, অপারেটর আসেনি, কাপড় আসেনি, এই স্টাইল টা বন্ধ করে,পরের টা লাইনে তোলো, নতুন কমেন্ট আসছে। ইত্যাদি।
পরিশেষে ফলাফল। মাস শেষে কিন্তু একটা কারখানা থেকেই ৩ থেকে ৩.৫ লক্ষ পিস্ কম শিপমেন্ট হচ্ছে। দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

৩০০০ কারখানা থেকে স্টাইল ভেদে, এসএমভি পার্থক্য অনুযায়ী যদি নূন্যতম ১ লক্ষ পিস্ ও কম শিপমেন্ট হয় তাহলে ৩০ কোটি পিসের রেভিনিউ থেকে আমরা বঞ্চিত হচ্ছি।

১ দিন থেকে ৫ দিন পর্যন্ত নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে বেশি প্রোডাকশন যারা করতে চান, ইনবক্স করুন। পুরো ২৬ দিন যে স্টাইল টা দরকার, নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে লাইনে ঢুকবে। ওয়াদা দিলাম।

এই পদ্ধতিতে ও ১৫% শিপমেন্ট বাড়িয়ে ৩৪ বিলিয়ন থেকে ৩৯ বিলিয়নে যাওয়া খুবই সম্ভব। দরকার আমাদের ১০ লক্ষ উজ্জ্বল মুখগুলোর ঐকান্তিক প্রচেষ্টা।

আমাদের লীড টাইম ১৪ দিন থেকে সাধারণত ৪৫ দিন পর্যন্ত, ওভেন অর্ডারের ক্ষেত্রে ৬৫ দিন পর্যন্ত। গড়ে ৪০ দিন যদি ধরি, দেখবেন ৭-১০ দিনের বেশি আমরা সুইং ফ্যাক্টরিকে সময় দিতে পারিনা। তার মানে ৩০-৩৩ দিন আমরা এই অর্ডার টা কে নিয়ে পাতা চালা চালি করি।
৭৫% সময় আমাদের হাতে থাকে সুইং শুরুর আগে!

শিপমেন্ট লেট্ হলে দোষ দেয়া হয় আমাদের অপারেটরদের ইফিসিয়েন্সি ভালো না, আমাদের ফ্যাক্টরি মিড্ লেভেল ম্যানেজমেন্ট আমরা তৈরী করতে পারিনি! আই/ই টিম কাজের না! ফ্যাক্টরির প্লানিং এর বাজে অবস্থা!

পরিণতি কি ঘটে !

১। প্রতিটা অর্ডার আর্জেন্ট !

২। প্রতিটা ডেলিভারি নাকে মুখে !

৩। এই মুহূর্তে যে মেটেরিয়াল টা দরকার ঠিক সেটাই আসেনাই !

৪। সুইং শুরু করার পর, বন্ধ করেন ভাই !

৫। পরের স্টাইল টা শুরু করলে দেখবেন সুতা মিলছেনা !

৬। পিপি মিটিং এখনো হয়নি !

৭। ভাইজান এই স্টাইল টা কালকে লাগবেই !

৮। ওভারটাইম করেন, আমি এমডি স্যারের সাথে কথা বলছি !

আমরা নিজেরাই যেন আমাদের শত্রূ !

এই ৭৫% দিনের কোন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম গড়ে উঠেনি। নাম মাত্র টিএন্ডএ আছে এক্সেলে, কেউ আপডেট করিনা, সময় মতো অর্ডার করেছি কিনা কেউ জানিনা। কোন মাল সঠিক টাইমে আসেনা !

আমাদের প্রোডাক্টিভিটি এবং ইফিসিয়েন্সি বাড়াতে হবেনা। শুধু এই ৩০ দিন নিখুঁত প্ল্যান করে, ম্যানেজ করা শিখুন ১০% বেশি শিপমেন্ট বাড়বে !

৩৪ বিলিয়নকে ৩৭.৪ এ নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা আপনাদের হাতে !

Habibur Rahman, a Smart Factory and Industry 4.0 Consultant, Bangladesh
Writer:
Habibur Rahman
Smart Factory 4.0 Consultant for Textile Apparel Industries.
Follow Him on LinkedIn:
https://www.linkedin.com/in/habibur-rahman-15b21b125

2 COMMENTS

  1. Hello All,
    We are the manufacturer of all kind of interlining and also can supply all kind of PPE fabric which can meet standard lavel-3. Please let us know if anyone’s have query.

  2. Sir, I can manufacture all king of knit fabric. Please let me know if anyone’s need. Hai knitwears Ashulia, Zirabo, Savar. 01768012041

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

নিটারের শিক্ষার্থীদের নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ জয়

টানা ষষ্ঠবারের মতো বেসিসের তত্ত্বাবধানে এবং বেসিস স্টুডেন্টস ফোরামের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় মহাকাশ সংস্থা নাসার উদ্যোগে আঞ্চলিক পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেছে...

লিভিং অর্গানিজম থেকে টেকসই টেক্সটাইলের উদ্ভাবন: পরিবেশ বান্ধব টেক্সটাইলের দিকে অগ্রযাত্রা

টেক্সটাইল শিল্প হল ভোক্তা পণ্য উৎপাদনের বিশ্বের প্রাচীনতম শাখা। এটি একটি বৈচিত্র্যপূর্ণ এবং বৈষম্যময় সেক্টর যেখানে প্রাকৃতিক ও রাসায়নিক ফাইবার (যেমন:...

করোনা প্রতিরোধে গাঁজার মাস্ক!

পরিবেশ দূষণের জন্য বিশ্বজোড়া আন্দোলন চলছে। তবুও পরিবেশ রক্ষায় মানুষ এখনও অনেকটাই সচেতন নয়। এতদিন মানুষই পরিবেশের ক্ষতি করতেন। এবার সেখানেও...

ডুয়েটে মাইক্রোসফট এক্সেল বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,গাজীপুরের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের "ডুয়েট টেক্সটাইল ক্যারিয়ার এন্ড রিসার্চ ক্লাব ( DTCRC) "শিক্ষার্থীদের সফটস্কিল ডেভেলপমেন্টের লক্ষে মাইক্রোসফট...

বুটেক্সে ট্যালেন্ট হান্ট | Talent Hunt in BUTEX

করোনা মহামারীর কারনে সবকিছুই যখন স্হবির হয়েছিল। এই লক ডাউনে অবসর সময় কাটানোর অন্যতম একটি মাধ্যম যখন অনলাইন, তাই এই অনলাইন...

সার্সটেক ক্যারিয়ার ক্লাবের পথচলা | Journey of SARSTEC Career Club.

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, বরিশাল এর ক্যারিয়ার ভিত্তিক সংগঠন সার্সটেক ক্যারিয়ার ক্লাব (SCC)।

অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পাশে দাড়াচ্ছে বুটেক্স | BUTEX stands for unprivileged students

করোনা মহামারীর কারনে প্রায় চার মাস বন্ধ থাকার পর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নির্দেশনায় অনলাইন মাধ্যমে একাডেমিক ক্লাস শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।...