31 C
Dhaka
Monday, September 27, 2021
Home News & Analysis তৈরি পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশকে পিছনে ফেলার পরিকল্পনায় ব্যার্থ ভারত

তৈরি পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশকে পিছনে ফেলার পরিকল্পনায় ব্যার্থ ভারত

পোশাক খাতের রফতানি বাড়াতে ২০১৬ সালে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা একটি বিশেষ প্যাকেজ অনুমোদন করেছিলো, যাতে ২০১৮ সালের মধ্যে অন্তত ৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বস্ত্র ও পোশাক বিদেশে রপ্তানি করতে পারে তারা। তাদের লক্ষ্য ছিলো তিনবছরের মধ্যে বাংলাদেশকে গার্মেন্ট রপ্তানিতে পেছনে ফেলে একনম্বরে যাওয়া। ইউ এন কমট্রেড এর দেওয়া পরিসংখ্যান দেখিয়ে ভারত সরকার বলেছিলো, ১৯৯৫ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ আর ভিয়েতনামের থেকে বস্ত্র আর পোশাক রপ্তানিতে এগিয়ে ছিল ভারত। কিন্তু তারপর থেকেই এই শিল্পে রপ্তানির পরিমাণ কমতে থাকে। ২০০৩ সালে বাংলাদেশ আর ২০১১ সালে ভিয়েতনামের থেকেও বস্ত্র রপ্তানিতে পিছিয়ে পড়ে ভারত। ২০১৪ সালে ভারত মাত্র ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বস্ত্র আর পোশাক রপ্তানি করতে পেরেছিল। যেখানে বাংলাদেশ থেকে ২৬ বিলিয়ন আর ভিয়েতনাম থেকে ২১ বিলিয়ন ডলার মূল্যের বস্ত্র আর পোশাক বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়েছে। ওই সময় প্যাকেজটির অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে বলা হয়েছিল, তিন বছরের মধ্যে তৈরি পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান দখল করতে চায় ভারত। তবে পাঁচ বছরেও এ লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি দেশটির তৈরি পোশাক খাত। বরং এ সময় দেশটির রফতানি আরো কমেছে। খোদ ভারত সরকারের পরিসংখ্যানেই দেখা যাচ্ছে, এ পাঁচ বছরে দেশটির তৈরি পোশাক রফতানি কমেছে প্রায় ২৯ শতাংশ। যেখানে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তা ১২ শতাংশ বেড়েছে।

করোনা মহামারি আর লকডাউনের কারণে ভারতে গার্মেন্টস কারখানাগুলোর রফতানি চুক্তি বাতিল হয়েছে। মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দিল্লি, মুম্বাই, কলকাতার হাজার হাজার গার্মেন্টস কারখানা। ক্রয়াদেশ বাতিল হয়েছে লোকসানের মুখে পড়েছে পুরো শিল্প। ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের বিস্তার যত বাড়ছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগও ততটাই ঘনীভুত হচ্ছে। বিশেষ করে গার্মেন্টস শিল্পে এরই মধ্যে সংকট দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশে এই শিল্প টিকে আছে ইউরোপ এবং আমেরিকার বাজারের উপর নীর্ভর করে।কিন্তু সেসব দেশে করোনাভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণের ফলে বহু পশ্চিমা ক্রেতা বাংলাদেশ থেকে তাদের অর্ডার বাতিল কিংবা স্থগিত করছেন।বাংলাদেশরের পোশাক শিল্পের ও ব্যাপকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়!রপ্তানি চুক্তি বাতিল সহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় পরতে হয় এই খাত কে। ২১ সালের প্রথম দিকেও ক্ষতির পরিমাণ বেশি ছিলো, কিন্তু শেষ এর দিকে এসে বাড়ছে উৎপাদন ও রফতানি।

বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থাগুলোর পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ থেকে জানা যায় ২০১৬-১৭ অর্থবছর শেষে ভারতের পোশাক রফতানির অর্থমূল্য ছিল ১ হাজার ৭৩৮ কোটি ডলার। একই অর্থবছর বাংলাদেশের পোশাক রফতানি হয় ২ হাজার ৮১৪ কোটি ডলারের। অন্যদিকে সর্বশেষ ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি হয়েছে ৩ হাজার ১৪৫ কোটি ডলারের। যেখানে ভারতের রফতানি ছিল ১ হাজার ২২৮ কোটি ডলারের। সে হিসেবে পাঁচ বছরে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি বেড়েছে ১২ শতাংশের বেশি। অন্যদিকে ভারতের কমেছে ২৯ শতাংশ। বছরভিত্তিক পরিসংখ্যানের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে ভারতের রফতানি প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক ছিল শুধু ২০১৬-১৭ অর্থবছরে। অন্যদিকে বাংলাদেশের নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি ছিল শুধু ২০১৯-২০ অর্থবছরে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো- ইপিবি সর্বশেষ অর্থবছরের রপ্তানি আয়ে মহামারীর সঙ্কটের মধ্যেও বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর তথ্য দেখা গেছে৷ এক বিলিয়নের মাইলফলক অতিক্রম করা খাতগুলোর মধ্যে হোম টেক্সটাইলের প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি৷ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মহামারীর মধ্যেও সদ্য সমাপ্ত ২০২০-২০২১ অর্থবছরের রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধিসহ কয়েকটি ইতিবাচক সূচকের দেখা মিলেছে৷ যদিও সামগ্রিক রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এখনও সাড়ে ৫ শতাংশ পিছিয়ে৷ বাংলাদেশ গত ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরে মোট তিন হাজার ৮৭৫ কোটি ৮৩ লাখ ডলারের (৩৮ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন) পণ্য রপ্তানি করেছে৷ আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৫ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি৷

তবে এ পরিসংখ্যান আশার আলো জাগাতে পারছেনা ব্যবসায়ীদের মনে। তারা বলছেন, শুধু রফতানির অর্থমূল্য হিসাবে নিলে বাংলাদেশ ভারতের চেয়ে অনেক বেশি এগিয়ে। কিন্তু বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা এ রফতানি মূল্যের খুব কম অংশ দেশে ধরে রাখতে পারে। কারন দেশে তৈরি পোশাক খাতের কাঁচামালের অর্ধেকেরও বেশি এখনো আমদানি করতে হচ্ছে অন্য দেশ থেকে। সে হিসেবে প্রতিযোগিতা সক্ষমতায় বাংলাদেশ ভারতের চেয়ে অনেক পিছিয়ে। ভারত ব্যাকওয়ার্ড-ফরওয়ার্ড লিংকেজে যতটা এগিয়েছে, ততটা বাংলাদেশ এগোতে পারেনি। এক্ষেত্রে ব্যাকওয়ার্ড ও ফরওয়ার্ড লিংকেজে উন্নতি সাধন করা খুবই জরুরি।

এ বিষয়ে বনিকবার্তার তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি চট্টগ্রামভিত্তিক ওয়েল গ্রুপের পরিচালক সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ সরকারের নীতিসহায়তা নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দুর্বল। অন্যদিকে ভারত, চীনে নীতিসহায়তা নিয়ে গবেষণা করা হয়।আমাদের দেশে পোশাক খাতকে মূল চালিকাশক্তি ধরা হলেও এ ধারণার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমরা নীতি গ্রহণ করছি কি? আমাদের ব্যাংক আমাদের চাপে ফেলছে। ঝুঁকি নিয়ে ক্রয়াদেশ নিচ্ছেন পোশাক রফতানিকারকরা। বর্তমানে আমরা ব্রেক ইভেনে কাজ করছি। এ অবস্থা চলতে থাকলে অচিরেই অনেক কোম্পানি দেউলিয়া হয়ে যাবে।

শুধু ভারত নয়, এছাড়াও  ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করেই টিকে রয়েছে দেশের তৈরি পোশাক খাত। মহামারী কভিড সংকটে এসব দেশের রফতানিকারকরা মোটামুটি সবাই বেশ বিপাকে পড়েছেন। আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষকদের মতে চলমান সংকটে যে দেশ মূল্য সুবিধার পাশাপাশি ভালো মান ও সময়মতো (লিড টাইম) রফতানি করতে পারবে, সে দেশের সফলতা বেশি। এক্ষেত্রে ভারত এর সক্ষমতা অনেকটা বেশি। এ বিষয়টিই দুশ্চিন্তায় ফেলে দিচ্ছে ব্যবসায়ীদের।

ব্যাবসায়ীদের ভাষ্যমতে, বাংলাদেশে সরকারের দেয়া প্রণোদনা সুবিধাগুলো প্রশংসনীয় হলেও এখানআমলাতান্ত্রিক জটিলতা রয়েছে। যার জন্য অকার্যকর হচ্ছে সরকারি নীঅন্যদিকে এক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রতিযোগী দেশগুলো অনেকভাবেই এগিয়ে। ভারতে ব্যাংকঋণের সুদ বাংলাদেশের চেয়ে তুলনামূলক অনেক কম। প্রতিযোগী দেশের রফতানিকারকদের তুলনায় বাংলাদেশে লিডটাইমও অনেক বেশি। আবার উৎপাদন দক্ষতার দিক থেকেও ভারত এগিয়ে।

দেশটিতে তৈরি পোশাক রফতানিতে উন্নতির জন্য বিভিন্ন সময়েই এমন অনেক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ভারত। দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, স্কিম ফর ইন্টিগ্রেটেড টেক্সটাইল পার্কস (এসআইটিপি) পরিকল্পনার অধীনে এখন পর্যন্ত ৫৯টি টেক্সটাইল পার্ক নির্মাণের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২২টির এরই  নির্মাণ শেষ হয়েছে।

বিকেএমইএর প্রথম সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বণিক বার্তাকে বলেন, দেশটির রফতানিকারকরা পোশাক রফতানিতে যেমন প্রণোদনা পান, আবার সুতা রফতানির ক্ষেত্রেও পান। সব প্রণোদনাই মূলত নগদ সহায়তা। শুরুর দিকে ২০ শতাংশ থাকলেও পরে ১২ শতাংশ করা হয়। অন্যদিকে বাংলাদেশের রফতানিকারকদের নতুন বাজারে রফতানি, দেশীয় সুতা ব্যবহার ও ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের জন্য আছে ৪ শতাংশ নগদ সহায়তা। সমস্যা হলো এসব সুবিধার পুরোটা পাওয়া যাচ্ছে না।

তিনি আরো বলেন, ভারতের সবচেয়ে বড় সক্ষমতার ক্ষেত্রটি হলো তুলা উৎপাদন। আবার কৃত্রিম সুতা সক্ষমতাও বাংলাদেশের চেয়ে ভালো। এ সুতা উৎপাদন বাংলাদেশেও হয়, কিন্তু দাম ভারতের চেয়ে অনেক গুণ  বেশি। ভারত আমাদের কাছে খুব একটা ভয়ের কারণ এমনটা না। আমাদের শঙ্কার কারণ অন্য কোনো দেশ না, আমাদের বাধা হয়ে আছে যে  মূল ক্ষেত্রটি তা হলো আমাদের জাতীয় নীতি ও এর বাস্তবায়ন। সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের মতবিরোধ ও সমন্বয়হীনতা।

এছাড়া বাংলাদেশের তুলনায় ভারতে তৈরি পোশাক খাতের অভ্যন্তরীণ বাজারও বেশ শক্তিশালী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১২০ কোটি জনসংখ্যার দেশ ভারতে স্থানীয় চাহিদা পূরণ করতে গিয়েই তৈরি পোশাক খাতের সক্ষমতার প্রায় পূর্ণ ব্যবহার হয়ে যায়। এছাড়া শ্রম ও শ্রমিকের নিরাপত্তা কমপ্লায়েন্স ইস্যুতেও বাংলাদেশ এগিয়ে। এ কারণে বড় ক্রেতারাও বাংলাদেশ থেকে পণ্য কিনতে বেশি আগ্রহী।

বিশ্লেষন করে দেখা যাচ্ছে, ভারত ভবিষ্যতে রফতানির দিকে আরো নজর দেবে। বাংলাদেশে কাঁচামাল রফতানিতে শুল্কারোপ করবে। দেশটি এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজে। আবার ফ্যাশন ডিজাইনের মতো ক্ষেত্রগুলোতেও নজর দিচ্ছে দেশটি। ফলে হাইএন্ড পণ্যের বাজারে দেশটি অনেক দূর এগিয়ে যাবে। আবার দেশটিতে এরই মধ্যে ১৪০টির মতো অর্থনৈতিক অঞ্চল আছে, যেগুলো কাজে লাগানোর সুযোগ আছে। অন্যদিকে বাংলাদেশের একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল সক্রিয় করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। ভারত বর্তমানে রফতানিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে না। ফলে উৎপাদকরা স্থানীয় বাজার নিয়েই সন্তুষ্ট থাকছেন।

এ বিষয়ে  সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, আমাদের বাজার সুবিধাগুলো যখন থাকবে না তখন বেশি সমস্যায় পড়ব। ফলে আমাদের উচিত বাজার সুবিধাভিত্তিক সক্ষমতা বা প্রতিযোগিতা থেকে দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতানির্ভর সক্ষমতা বা প্রতিযোগিতার দিকে গুরুত্ব দেয়া। এ রূপান্তরই আগামী দিনগুলোয় বাংলাদেশের মূল চ্যালেঞ্জ। বনিক বার্তার তথ্য অনুযায়ী সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান বলেন,বর্তমান পরিস্থিতি উভয় দেশের জন্যই লাভজনক, তিনি আরও বলেন, ভারতের অর্থনীতিবিদরা গবেষণা করে দেখেছেন, দেশটি পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের চেয়ে ভালো না করার অন্যতম কারণ হলো দেশটির কঠোর শ্রম আইন। এ কারণে দেশটির উদ্যোক্তারা ব্যাকওয়ার্ড ও ফরওয়ার্ড লিংকেজ শক্তিশালী করতে বেশি সক্ষমতা দেখাতে পেরেছেন। এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অগ্রসর হতে পারেনি। ভারতও দেখছে, তাদের তুলা-সুতার গুরুত্বপূর্ণ বাজারে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। আর সেটাতেই তারা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। এখানে পরিস্থিতি দুই পক্ষের জন্যই লাভজনক। তবে বর্তমানে মেক ইন ইন্ডিয়া নীতি বাস্তবায়ন করতে হলে অনেক সময় নেবে। ভারতে শ্রমিকের দরকষাকষির সক্ষমতাও অনেক কমেছে। আজ ভারত রফতানি বেশি না করলেও ভবিষ্যতে যে পারবে না, এটা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। কারণ প্রযুক্তিগত বা অন্যান্য সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের চেয়ে অনেক এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ ভারতের আছে।

রিপোর্টার:
মোঃ মেহেদী হাসান
শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর, বুনন

Most Popular

এওপিটিবি’র মিলনমেলা

সমগ্র বাংলাদেশের অল ওভার প্রিন্টিং সেক্টর নিয়ে কাজ করা সকল ইঞ্জিনিয়ার ও টেকনোলজিস্টদের প্রাণের সংগঠন “অল ওভার প্রিন্টিং টেকনোলজিস্টস অব বাংলাদেশ”।সংগঠনটির...

ভিয়েতনামের বিকল্প খুজঁছে বিশ্বের বিভিন্ন খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান

সাধারনত যে সকল খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো জুতা ও পোশাকের জন্য ভিয়েতনামের কারখানাগুলোর ওপর নির্ভরশীল তারা ভিয়েতনামের বিধিনিষেধের ব্যাপারে খুবই চিন্তিত। যদিও...

অনাবিল প্রশান্তির মনোরম পরিবেশে গড়ে উঠেছে ফতুল্লা এপারেল

তৈরী পোশাক শিল্প বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান হাতিয়ার। দেশের মোট রফতানি আয়ের  ৮৪% আসে পোশাক খাত থেকে। তাই দিন দিন দেশে...

রপ্তানিতে ভিয়েতনামকে ছাড়িয়ে যাওয়ার জন্য বাণিজ্য নীতির সংস্কারের বিকল্প নেই : বিশেষজ্ঞরা

ব্যাপক বাণিজ্য কূটনীতির সংস্কার এবং অর্থনৈতিক নীতির উন্মুক্ততা ভিয়েতনামকে আজ সেরা ২০ টি দেশের তালিকায় আসতে সাহায্য করেছে। উদাহরনসরূপ ১৯৮০-৯০ সালের...

পোশাক এবং টেক্সটাইল প্রযুক্তির আবিস্কারের টাইমলাইন | Timeline of clothing and textiles technology

টেক্সটাইল ফাইবার এবং ফেব্রিকের আদী থেকে বর্তমান ইতিহাসঃ ১. ২৭০০ খ্রিস্টপূর্ব - টেক্সটাইল উপকরণ এবং ঝুড়ি এবং...

সীমিত পরিসরে চালু হচ্ছে বুটেক্সের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড

করোনা ভাইরাস জনিত রোগ কোভিড-১৯ বিস্তার রোধ এবং পরিস্থিতির উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার ৩১/০৫/২০২০ থেকে ১৫/০৬/২০২০ তারিখ পর্যন্ত দেশের সার্বিক কার্যাবলি এবং...

অস্ট্রেলিয়ায় ই-স্টোর চালুর ঘোষণা দিয়েছে “এইচ এন্ড এম”

এইচএন্ডএম অস্ট্রেলিয়ায় তাদের প্রথম ই-স্টোর এবং বিশ্বব্যাপী এইচএন্ডএম এর সদস্যের মধ্যকর বিশ্বস্ততা বৃদ্ধি কর্মসূচী চালু করেছে। এইচ...