29 C
Dhaka
Thursday, August 5, 2021
Home News & Analysis দেশীয় বায়িং হাউজে তরুণ উদ্যোক্তাদের সম্ভাবনা

দেশীয় বায়িং হাউজে তরুণ উদ্যোক্তাদের সম্ভাবনা

৮০০০ মাইল দূরের বিদেশী মার্কেট নিয়ে হরেক রকম ভিন্ন চিন্তাভাবনা, ব্যবসা বানিজ্যের নতুন নতুন আইডিয়া আরও অনেক কল্পকথা থাকলেও কিন্তু আমাদের ৪০০ মাইল ব্যাসার্ধে স্বদেশের মার্কেট নিয়ে আমরা কতটুকুই বা চিন্তাভাবনা করছি? তার মানে কি স্বদেশের মার্কেটে ডলার বা টাকার ইনকাম নেই, নাকি আমাদের জানার ঘাটতি রয়েছে? প্রশ্নগুলো আপনাদের কাছে ছুড়ে দিলাম সাথে দুঃখ প্রকাশ করলাম কারণ আমি খুবই ক্ষুদ্র জ্ঞানের একজন মানুষ।

উল্লেখ্য যে, শত বাধার মাঝেও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, মানুষজন সচেতন হচ্ছে, শিক্ষিত হচ্ছে এটা যেমন সত্যি তেমনি শিক্ষিত বেকারের সংখ্যাও বাড়ছে। আবার অনেকেই চাকুরীতে যোগ্যতা অনুযায়ী বেতনাদি কিংবা সঠিক চাকুরির পরিবেশ পাচ্ছে না এই কথাগুলোও সত্যি। খুঁজে দেখলে আরো অনেক বাস্তব অভিজ্ঞতাগুলো সামনে চলে আসবে। এটা নিয়ে কিছু বলার আগে আমার বাবা বাংলাদেশের প্রথম গার্মেন্টস “রিয়াজ স্টোর” এর প্রতিষ্ঠাতা জনাব রিয়াজউদ্দিন এবং আমার প্রায় ৬০ বছরের টেক্সটাইল সেক্টরের বিজনেস অভিজ্ঞতার আলোকে সেসব শিক্ষিত তরুণদের উদ্দেশ্যে আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে চাই।

যেহেতু আমি এই দেশকে ভালোবাসি এবং আমি একজন বিজনেসম্যান আর কিছু উথান-পতনের বাস্তব ও করুণ অভিজ্ঞতার বাস্তব প্রমান আমি নিজেই। তাই এই সম্ভাবনাময় তরুণদের আমি কখনই এড়িয়ে যেতে পারি না দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে। এসব কথা চিন্তাভাবনা করে গত কয়েকদিন আগে চ্যানেল আই এর একটা নিউজ দেখে হঠাৎ প্লান করে পাবনার উদ্দেশ্যে রওনা হই আর যোগাযোগ করি একটি বেসরকারি, অলাভজনক, উন্নয়ন সংস্থা এর সাথে, যারা প্রায় ১০-১২ হাজার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে সময়োপযোগী কিছু আধুনিক ট্রেনিং প্রদান করে করেছেন।

নেট থেকে ঘাটাঘাটি করতে জানতে পারি যে, পাবনায় অনেকগুলো নিটিং হাব রয়েছে যারা ওয়েস্ট ম্যাটেরিয়াল ফেব্রিক থেকে প্রডাকশন করেছেন এবং দেশে বিদেশের মার্কেটগুলোতে তাদের প্রডাক্ট সেল করে মোটামুটি ভালো আয় করছেন। এতে যেমন ওয়েস্ট ম্যাটেরিয়াল রিসাইকেল করে পরিবেশকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা যায় তেমনি নিজেদের স্বচ্ছলতার পাশাপাশি দেশীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখা যায়। আপনারা হয়তো বিশ্বাস নাও করতে পারেন কিন্তু এটা অনেকাংশে সম্ভব হচ্ছে আরো ভালোভাবে হবে যদি এই ব্যাবসায় শিক্ষিত তরুণ কিংবা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা চাকুরির পাশাপাশি ডমিস্টিক বায়িং হাউজ নিয়ে চিন্তাভাবনা করেন।

দেশীয় মার্কেটে ভালো ফলাফল পেলে এই প্রডাক্ট নিয়ে বিদেশি বায়ারদের কাছেও এপ্রোচ করা যায়। আমি যেহেতু টেক্সটাইল নিয়ে কাজ করছি তাই টেক্সটাইল বিজনেস এর চিন্তাভাবনা আগে আসে। তারপরও আরো কিছু চিন্তাভাবনা মাথায় আসে। তাই কয়েকদিন পরেই রওনা হই বগুড়া এবং রংপুরের উদ্দেশ্যে। বুননের এম্বাসাডর এর মাধ্যমে জানতে পারি এসব এলাকায় ক্ষুদ্র এবং কুটির শিল্পের ব্যাপক কাজ হয় কিন্তু ভালো উদ্যোক্তা এবং পর্যবেক্ষনের অভাবে সবকিছু হারিয়ে যাচ্ছে অথচ এসব জিনিসপত্রের মার্কেট ভেল্যু এবং ডিমান্ড দুটোই অনেক বেশি।

পরিকল্পনা মাফিক রংপুরে গিয়ে সবকিছু দেখে এবং তাদের সাথে কথা বলে একটু খারাপ লাগলো। এইসব এলাকার মানুষেরা খুবই সহজ সরল এবং অনেক পরিশ্রমী কিন্তু তারা ভালো রেসপন্স পাচ্ছে না ফলে তাদের জীবন জীবিকা নির্বাহ করা খুব কঠিন হয়ে পরেছে। এখন আমাদের সমাজে ২ টা সমস্যা একটা হলো শিক্ষিত তরুণ চাকুরী পাচ্ছে না অন্যদিকে দক্ষ শ্রমিকেরা তাদের শ্রমের মূল্য নিশ্চিত করতে পাচ্ছেনা। এই দুটো সমস্যা একসাথে রিলেট করে সবকিছু ঘাটাঘাটি করে সমস্যা সমাধানে আমি কিছু আপাত পরামর্শ দিতে চাই যা করলে সমস্যা যেমন সমাধান হবে তেমনি সোনার বাংলা হয়ে উঠতে পারে সোনার খনি।

পরামর্শসমূহঃ-

১. দেশীয় ভালো বায়িং হাউজ (শো-রুম) গড়ে তোলা টার্গেট লোকেশনে (বাস-ট্রেন চলাচলের পথে যেসকল তেলের পাম্প কিংবা ফুড ভিলেজ অথবা গুরুত্বপূর্ণ স্থানে) যেখানে মানুষেরা নির্বিগ্নে এই শোরুমগুলো ঘুরে দেখতে পারবে এবং এ সকল শো-রুমের নাম “Highway Village Mart” হিসেবে রাখা যেতে পারে।

২. শো-রুম গুলোতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের সেই ওয়েস্ট ফেব্রিক দ্বারা তৈরিকৃত ভালো মানের পোশাক এবং তার পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলের দক্ষ শ্রমিকদের করা বিভিন্ন আকর্ষনীয় ক্ষুদ্র এবং কুটির শিল্পের জিনিসগুলো রাখা।

Figure: Building Idea- Show room on highway with buying house office in every district

৩. দেশীয় কাস্টমাররা যেনো আকৃষ্ট হয় এমনভাবেই বায়িং হাউজ বা শো-রুমগুলো সাজাতে হবে এবং পাশে আলোচনা করার জন্যে চা-কফি সপও রাখা যায়।

৪. হেরিটেজ জাতীয় বিশেষ বিশেষ জায়গায় এই বায়িং হাউজগুলো স্থাপন করা যায়। কারন এই জায়গা গুলোতে দেশী বিদেশি বিভিন্ন পর্যটক আসে তাদের টার্গেট করলেও অনেক সম্ভাবনা তো থেকেই যায়।

৫. বলা হয়ে থাকে প্রচারেই প্রসার, প্রবাসী বাংলাদেশি ভাই বোন-বন্ধুরা এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে তারা যদি দেশীয় এমন পণ্যের প্রচার কিংবা বৈদেশে থেকে ক্রয় করেন তাহলে প্রডাক্টগুলো আন্তর্জাতিক মার্কেট ধরতে পারে।

আপাতদৃষ্টিতে এই পরামর্শ গুলো দিচ্ছি এবং শিক্ষিত তরুণদের উদ্দেশ্যেই বলছি একদিনে কেউ বড়লোক যেমন হয় না তেমনি রাতারাতি ভাগ্যও পরিবর্তন করা যায়না। আপনি হয়তো ভাবছেন কস্টিং নিয়ে অথবা সরকারি চাকুরী কিংবা এসব না করে বিদেশি বায়িং হাউজে বড় পোস্টে চাকুরী করা, কিন্তু একটু ভেবে দেখেন তো আপনারা যদি আমার উপরোক্ত পরামর্শগুলো পড়েন তাহলেই বুঝতে পারবেন ৫, ১০ কিংবা ১৫ বছর পরে আপনি যেমন নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারবেন তেমনি দেশের অর্থনীতি, মার্কেট এবং মানুষের ভাগ্যও কিন্তু পরিবর্তন করে সোনার বাংলা গড়ে তুলতে পারবেন।

আর সবচেয়ে মহাসত্য একটি কথা হলো ইচ্ছা থাকলে উপায় হয় এবং আল্লাহ কখনোও পরিশ্রমী ব্যাক্তিদের ফিরায় দেন না। আর বাংলাদেশ সরকারসহ বিজিএমইএ, বিজিবিএ গত কয়েকবছর ধরে গ্রিন বিল্ডিং গার্মেন্টস নির্মান বিভিন্ন অনুদান ও অনেক রকম ট্রেনিং এর মাধ্যমে ব্যাপক উন্নতি সাধন করছেন তেমনি খুবই ক্ষুদ্র বাজেট করে যদি গ্রামে গ্রামে সুইং হাব করা যায় এবং গ্রামের তরুণ সমাজকে কাজে লাগানো যায় সেক্ষেত্রে আমরা দেশীয় ২৯ বিলিয়ন ডলারের ২০ কোটি মানুষের মার্কেটে সহজেই আধিপত্য বিস্তার করতে পারবো।

আমরা একটু লক্ষ্য করলেই দেখতে পাই প্রতি বছরই ইদে বিভিন্ন পত্রিকার শিরোনাম হিসেবে থাকে “ঈদের বাজার সয়লাব ভারতীয় ও পাকিস্তানি পোশাকে”। যেখানে ইদের সময় প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা চলে, সেখানে দেশীয় পোশাক থেকে আসে মাত্র চার হাজার কোটি টাকা। বাকি পুরোটাই চলে ভারতীয় ও পাকিস্তানি পোশাকের আধিপত্য। কিন্তু গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে গড়ে উঠেছে অনেক ফ্যাশন হাউস। ঢাকা ও ঢাকার বাইরে ফ্যাশন হাউসের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজারের বেশি। এখন প্রশ্ন হলো তাহলে আমাদের দেশীয় ফ্যাশন হাউজগুলো কী পিছিয়ে আছে না আমাদের নিজস্ব গণ্ডী থেকে বের হতে পারছি না। আমাদের এই দেশীয় ফ্যাশন হাউজগুলোতেও কাজ করার বিশাল জায়গা রয়েছে যা আমাদেরকেই খুঁজে বের করতে হবে।

আমাদের দেশে প্রতিবছর হাজার হাজার শিক্ষার্থী বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে বের হচ্ছে। দেশে চাকরির বাজার অত্যন্ত সীমিত তথা দেশের বেকারত্বের উচ্চহার হওয়ায় চাকরি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে তারা হতাশ হচ্ছে। হতাশ না হয়ে সবার আগে দেশীয় মার্কেট নিয়ে কাজ করো, উদ্যোক্তা হও বিশ্বাস করো ইন্টারন্যাশনাল মার্কেট সহজেই ধরতে পারবে নিজেদের ব্রান্ড তৈরি করতে পারবে। এখন যেমন আড়ং, ইয়োলোসহ বেশ কিছু ব্রান্ড তৈরি হয়ে গিয়েছে এভাবেই কিন্তু তোমরা ব্রান্ড তৈরি করে ইন্টান্যাশনাল মার্কেটও ধরতে পারো। তোমরা যদি উদ্যোক্তা হও তাহলে দেশের অর্থনীতির চাকা আরো বেগবান হবে।

এসব চাকরি প্রত্যাশীদের একটা বড় অংশ নারী যাদের মধ্যে রয়েছে উদ্ভাবনী শক্তি, আত্মপ্রত্যয় ও জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার অদ্যম বাসনা। তাই উদ্যোক্তা হিসেবে এদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে দেশের বেকার সমস্যা সমাধান যেমন হবে তেমনি এসব নারীরা নিজের, পরিবারের, সমাজের তথা দেশের জন্য সম্পদ হিসেবে পরিগণিত হবে এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ সংযুক্ত করে বলবো অনেক টেক্সটাইল মালিক তাদের গার্মেন্টস কিংবা ইন্ড্রাস্ট্রি হারিয়েছেন, যদি এমনটা হতো সেসব গার্মেন্টস মালিক এবং শিক্ষিত তরুণরা একসাথে হয়ে কাজ করে আমার মনে হয় চ্যালেঞ্জগুলো নেওয়া অনেক সহজ যেমন হবে তেমনি অনেক কর্মসংস্থানের সুযোগও হবে। ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতার আলোকে কিছু পরামর্শ দিয়েছি কিন্তু সিদ্ধান্ত নেয়ার দায়িত্ব আপনাদের।

এনবিআর এবং বন্ড বিষয়ক সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে শুল্ক মুক্ত অথবা নামমাত্র শুল্ক আরোপ করে, বিশ্বের যেসকল দেশসমূহে গার্মেন্টস শিল্প আছে সেসকল দেশ থেকে ওয়েস্ট ম্যাটেরিয়াল আমাদের দেশে আমদানি করার সুযোগ করে দিবে। তাতে আমাদের দেশে যারা ওয়েস্ট ম্যাটেরিয়াল নিয়ে কাজ করে তাঁরা খুব সহজেই অল্প মূল্যে মানসম্মত প্রোডাক্ট তৈরি করতে পারবে যা আমাদের দেশীয় মার্কেটের পাশাপাশি রপ্তানিও করতে পারবে।

আমি ইতিমধ্যেই তরুণদের নিয়ে কাজ করা শুরু করে দিয়েছি। বিভিন্ন আইডিয়া দিচ্ছি, বিভিন্ন সেমিনার ওয়েবিনার এবং ট্রেনিং সেশন করাচ্ছি। ইতিমধ্যেই তরুণদের জন্যে বুননের প্রধান উপদেষ্টা এবং “এডামস বি”  ও “ট্রাভেলস বি” সহ  “বি”  ফ্যামিলি তৈরি করছি। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সফর করছি। তাছাড়াও টেক্সটাইল শিল্পকে নেতৃত্ব দিচ্ছে এমন বিভিন্ন সংগঠনে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কথা তুলে ধরার চেষ্টা করছি। নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে কাজ করছি আগত টেক্সটাইল লিডারদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এর জন্যে। আমার এই পথযাত্রায় আরো কিছু আমার পর্যায়ের মানুষ যুক্ত হলে কাজগুলো আরও সুন্দরভাবে পরিচালনা করা যেত। তবুও বলছি আমি খুবই ক্ষুদ্র একজন ব্যাক্তি আমার কথাগুলোতে ভুল-ত্রুটি  হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানাচ্ছি এবং বুনন টিমের তত্ত্বাবধানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে এই প্রতিবেদনটি করেছি।

লিখেছেনঃ 
মোঃ সালাউদ্দিন 
হেড অফ অপারেশন, বুনন 
চেয়ারম্যান, আস্ক এপারেল এন্ড টেক্সটাইল সোর্সিং

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

গার্মেন্টস এ “কার্বন লেবেল” প্রয়োগের জন্য আইন পাস করেছে ফরাসী পার্লামেন্ট

ফরাসী পার্লামেন্ট সম্প্রতি একটি জলবায়ু বিল অনুমোদন দিয়েছে যা পোষাক, টেক্সটাইলসহ সকল ধরণের পণ্য এবং পরিষেবায় "কার্বন লেবেল" এর প্রয়োগ বাধ্যতামূলক...

ভিয়েতনাম ফ্যাক্টরি শাটডাউনে বৈশ্বিক ফ্যাশন সাপ্লাই চেইনে নেতিবাচক প্রভাব

ভিয়েতনামে কোভিড-১৯ এর জন্য চলমান লকডাউন বৈশ্বিক ফ্যাশন এবং ফুটওয়্যার ব্র্যান্ড গুলোর অবকাশকালীন পণ্য মজুদকে বাধা দিতে পারে এবং এটি তাদের...

হোম টেক্সটাইলে নতুন বিপ্লবের সম্ভাবনায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য বলতেই সবার আগে চলে আসে তৈরি পোশাক শিল্প। কখনো কখনো পাট, হিমায়িত চিংড়ি, চামড়া রপ্তানি নিয়েও আলোচনা হয়।...

অবশেষে বাড়ছে পোশাক ক্রয়াদেশ

দীর্ঘদিন পর ইউরোপ আমেরিকায় করোনা পরিস্থিতি উন্নতি ও পরিবর্তিত ভু-রাজনিতিসহ ৬ কারনে তৈরি পোশাকের প্রচুর ক্রয়াদেশ আসছে বাংলাদেশে। আগামী ২ বছরের...

চীনে উচ্চশিক্ষা, পর্ব-০২ | Higher Study In China, Part-2

আজ আলোচনা করবো উচ্চ শিক্ষার ( মাস্টার্স) জন্য চায়নার বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে। চায়নাতে লেখাপড়া করার জন্য বা ভর্তি হবার...

৩ মাসে গ্যাপের লোকসান ১ বিলিয়ন ডলার | Gap records nearly $1 billion in losses on past 3 months.

গ্যাপ হচ্ছে বিশ্বব্যাপী খুচরা পোশাক বিক্রয়কারী একটি আমেরিকান প্রতিষ্ঠান। গত বৃহস্পতিবার গ্যাপের সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী করোনা মহামারীর কারনে গত ৩ মাসে...

জন মার্সার এর জীবনী | Life history of John Mercer.

গবেষক জন মার্সার (২১ ফেব্রুয়ারী ১৭৯১ - ৩০ নভেম্বর ১৮৬৬) ছিলেন ইংল্যান্ডের ল্যাঙ্কাশায়ারের গ্রেট হারউডে জন্মগ্রহণ কারেন।তিনি ছিলেন একজন ইংরেজ ডাইং...