29 C
Dhaka
Wednesday, August 4, 2021
Home News & Analysis পোশাক খাতের ৫০ বিলিয়ন সম্ভাবনা ও আমাদের অবস্থান

পোশাক খাতের ৫০ বিলিয়ন সম্ভাবনা ও আমাদের অবস্থান

বিশ্বের পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষ স্হানীয় দেশ হলো বাংলাদেশ। দেশের পোশাক খাত অর্থনীতিকে শক্ত হাতে ধরে রেখেছে। ৩৫-৪০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি প্রতি বছর আমরা করে আসছি। দেশের অর্থনীতিতে আরো অবদান রাখার জন্য আমাদের স্বপ্ন হয়ে দাড়িয়েছে ৫০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয়ের মুকুট অর্জন করা৷ আমাদের অভ্যন্তরীন রিসোর্স ও সুযোগ সুবিধার যথাযথ ব্যবহার করে আমরা ৫০ বিলিয়নের লক্ষমাত্রা অর্জন করতে পারি৷ বিগত ১০ বছর সর্বশক্তি দিয়ে আমরা ৩৪ থেকে ৪০ বিলিয়ন ডলার এক্সপোর্ট করতে পেরেছি।

২০২১-২০২২ অর্থ বছরে ৫ হাজার কোটি ডলার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে তৈরি পোশাক খাত। এটা নিত্যান্ত দারুন খবর কিন্তু বর্তমান করোনা মহামরির পূর্বে এবং পরে প্রায় ২০০০ ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। প্রায় ৫ লাখ শ্রমিক চাকুরী হারিয়েছে এবং তারা বিভিন্ন পেশায় জড়িয়ে পড়েছে। এ লক্ষ অর্জন করতে হলে সকল বন্ধ কারখানা চালু করতে হবে, যা এখন নেই। প্রায় ৪০ লক্ষ দক্ষ শ্রমিক দরকার যার ঘাটতি আছে বর্তমানে। ব্যাংকের কার্যকরী সহযোগিতা দরকার কিন্তু বর্তমানে সবার ঋনের পরিমান বেশি থাকার কারনে সহযোগিতা আশানুরূপ পাওয়া যাচ্ছে না। এমনটা না হলে এই টার্গেটও অনেক কঠিন একটা বিষয় হয়ে দাড়াবে। ২০২৫ সাল পর্যন্ত সকল বন্ধ কারখানা চালুর জন্য সব লাইসেন্স ফি প্রদানের মাধ্যমে আটো রেনুয়াল, বন্ড, আই আর সি, ই আর সি, সকল সচল এবং বন্ধ কারখানাগুলোর ব্যাংক ঋণ হিসাব ২০২৫ সাল পর্যন্ত সুদ মুক্ত ব্লক হিসেবে স্থান্তাতর করে স্বাভাবিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করার সুযোগ করে দেওয়া দরকার। তাহলে ৫০০০ কোটি ২০২১-২২ নয় ২৩/২৪ হয়তো সম্ভব হবে। এই লক্ষ্যে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিজিএমইএ, এনবিআর এবং বাংলাদেশ ব্যাংক একটা পরিকল্পনা না করে দিলে ঋন খেলাফীর সংখ্যা বেড়ে যেতে পারে। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণগুলোকে প্রতি ৬ মাস পর পর সময় বাড়লেও ব্যবসায়ীরা এতে কোনো দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা করতে পারছে না। আমার মতে, ২০২৫ সাল পর্যন্ত একটি দিকনির্দেশনা ও একটি নীতিমালা হলে সবার জন্য ফাইট ব্যাক করার সাহস জোগাবে। যদি এ ভাবে চলতে থাকলে ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

যদি আমরা ৫০ বিলিয়ন ডলার আয় করতে চাই তাহলে নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর দিকে নজর দিতে হবে।

১. বন্ধ ও ঋণ গ্রস্হ ফ্যাক্টরিগুলো আবার খুলে দেওয়ার ব্যবস্হা গ্রহন করতে হবে এবং পরবর্তী ৫ বছরের জন্য তাদেরকে ব্যাংকের ব্লক একাউন্টের আওতায় সুদ মুক্ত ঋণের সুবিধা দিতে হবে৷ সরকার, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ কে ফ্যাক্টরিগুলো পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সহযোগিতা দিতে হবে।

২. বাংলাদেশে প্রায় ১০,০০০ এর মতো ছোট ছোট ফ্যাক্টরি আছে যারা বিজিএমইএ এর আওতাভুক্ত নয় কিন্তু তারাও পোশাক রপ্তানীতে অবদান রেখে চলছে। আমরা চাইলে এদেরকেও বিজিএমইএ এর আওতাভুক্ত করতে পারে।

ছোট ফ্যাক্টরিগুলোকে নিজ উদ্যোগে একটি প্রজেক্ট মডেল বিজিএমইএকে প্রদান করতে পারে। তারা ঢাকার বাহিরে একটি যৌথ প্রজেক্টের আওতায় নিজেদেরকে নিয়ে আসবে। এবং একটি বিল্ডিং এর মধ্যে কয়েকটি ফ্যাক্টরি স্থাপন করতে পারে৷ যার মাধ্যমে বিজিএমইএ তাদেরকে “বি ক্যাটাগরির” একটা লাইসেন্স প্রদান করতে পারে। এবং এই লাইসেন্স এর সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে ফ্যাক্টরীগুলো বন্ড সুবিধা পেতে পারে। পাশাপাশি এই প্রজেক্টের ফলে তাদের কর্মদক্ষতা এবং সেইসাথে তাদের উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। এরফলে আমাদের রপ্তানির পরিমান বৃদ্ধি পাবে ও ৫০ বিলিয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এগিয়ে যাবে।

৩. আধুনিক ব্যাবসা নীতিতে পরিবর্তন আসলেও বাংলাদেশ এখনো পূর্বের ব্যাবসায়ী নীতি অনুসরণ করার ফলে অন্যান্য দেশের সাথে তাল মিলিয়ে অগ্রসর হতে পারছে না। ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪০ বিলিয়ন এক্সপোর্ট আমরা করে আসছি। এটা নিয়ে আমাদের ভাবনা নেই। কিন্তু ৫০ বিলিয়ন ডলার এর লক্ষ্য অর্জন করতে হলে, আমাদের বায়াররা যেসকল ব্যাবসায়ী নীতি অনুসরন করেন সেসকল নীতি আমাদেরকও অনুসরন করতে হবে।

৪. অনেক অফলাইন স্টর বন্ধ হয়ে গেছে। এবং অফলাইন স্টরগুলো অনলাইন স্টরে ট্রান্সফরমেশন করতেছে। এই জায়গায় আমাদের কাজ করতে হবে। শুধু বড় অর্ডার নয়। নুন্যতম অর্ডারগুলোকেও আমাদের ধরতে হবে। কম অর্ডারগুলো ঐ ছোট ফ্যাক্টরীতে দিয়ে টিকিয়ে থাকতে সাহায্য করতে হবে। পাশাপাশি দ্রুত ডেলিভারিতে নজর দিতে হবে। আপনারা যদি চায়না, ইউরোপ, আমেরিকার দিকে তাকাই তাহলে দেখবো তারা ইতোমধ্যে অটোমেশন প্রযুক্তির প্রয়োগ করে ছোট ছোট ফ্যাক্টরী করেছে। সেখানে করোনা পরিস্থিতিতে ছোট ছোট কাজগুলো করতেছে। আমাদের সব কিছু করার ক্ষমতা থাকার পরেও করতে পারতেছিনা। এখন এদিকে নজর দিতে হবে আমাদের।

৫. পোশাক ব্যবসার এই ৪০ বছরে আমরা অনেক কিছু শিখেছি এবং ডেভেলপমেন্ট কাছ থেকে পর্যবেক্ষন করেছি৷ আমাদের প্রচলিত পদ্ধতি হলো আমরা অর্ডার নেই তারপর পোশাক বানিয়ে শিপমেন্ট করি। এই ধারনা থেকে বেরিয়ে এসে নতুন কিছু করতে হবে। আমাদের নিজেদের ব্রান্ড ডেভেলপমেন্ট করতে হবে। এছাড়া আরেকটা কাজ করতে হবে, যেমন আমরা অর্ডারের পূর্বেই বায়ারের দেশের কালচার রিসার্চ করে পোশাক তৈরি করে তাদেরকে দিতে পারি। এই পদ্ধতিতে আমাদের শিপমেন্টের সময়সীমা কমে আসবে এবং বায়ার যখনই অর্ডার করবে আমরা তখনি শিপমেন্ট করতে পারবো। এই পদক্ষেপ ৫০ বিলিয়নের স্বপ্ন পূরনে আমাদের এগিয়ে রাখবে।

৬. প্রতিটি জেলায় জেলায় সুইং হাব গড়ে তুলতে হবে যাতে করে দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা চাকরীহারা লোকজনগুলো চাকরী পাবে। পাশাপাশি আমরাও কম মূল্যে কাজ করাতে পারবো৷

৭. উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও বায়িং হাউজগুলোকেও শুল্কমুক্ত আমদানির সুযোগ করে দিতে হবে।

৮. নিজস্ব অর্থায়নে রিটেইলার/বায়িং হাউজ/ফরেন লিয়্যাজু অফিসকে বন্ডেড ওয়্যারহাউসের সুবিধা দিতে হবে৷ তাহলে ব্যাংকগুলোর উপর চাপ কমবে। এবং CM ও CMT দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে হবে। আর তাদেরকে Back to Back L/C এর সুবিধা দিতে হবে এবং তাদের মাধ্যমে আমরা ছোট ফ্যাক্টরীগুলোকে কাজে লাগাতে পারি।

৯. যেসকল দেশ টেক্সটাইলে উন্নত তাদেরকে গার্মেন্টস তৈরি করে দেওয়ার প্রস্তাব দিতে হবে। এক্ষেত্রে আমরা সুইং হাব হিসেবে কাজ করবো এবং এটা আমাদের বেশি বেশি প্রমোট করতে হবে যাতে এটা বিস্তৃত হয়।

১০. ফ্যাক্টরীগুলোর ম্যানুফেকচারিং থেকে এক্সপোর্ট এই পুরো প্রক্রিয়াটির স্বচ্ছ ধারনা থাকলে বেশি রপ্তানি আয় অর্জন করা সম্ভব। একটি অর্ডার পাওয়া থেকে শিপমেন্ট পর্যন্ত ৭০-৯০ দিনের একটি সময়ের প্রয়োজন হয়। এই সময়ের ভিতরে ফ্যাক্টরি লাইসেন্স, বন্ড, কাস্টমস, সাপ্লাই চেইন, কমপ্লাইন্স এবং ব্যাংকিং এই প্রক্রিয়াগুলো বাধাহীন ভাবে পরিচালনা করার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

১১. দক্ষ জনবল যে কোন প্রতিষ্ঠানের সম্পদ। শ্রমিকদের প্রশিক্ষন একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাই শ্রমিক, মিড লেভেলের ম্যানেজমেন্টের প্রশিক্ষনের ব্যবস্হা করতে হবে।

১২. আধুনিক প্রযুক্তির সাথে মিল রেখে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তুলতে হবে। যাতে করে তারা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

১৩. পোশাক শিল্পের ৪০ বছরে বিভিন্ন মানুষের অবদান রয়েছে। টেক্সটাইল শিক্ষায় শিক্ষিত ছাড়াও দেশের প্রত্যেকটি সেক্টরের মানুষ এই শিল্পকে হাতে ধরে বড় করেছেন৷ কিন্তু যদি আমরা ৫০-৬০ বিলিয়ন রপ্তানির স্বপ্ন দেখি তাহলে আমাদের টেক্সটাইল এক্সপার্টদের এই সেক্টরে বেশি বেশি সুযোগ দিতে হবে। কারন এই সেক্টর সম্পর্কে দীর্ঘমেয়াদী চিন্তা করতে পারে একমাত্র এই সেক্টরের গ্রাজুয়েটরা৷ এখন সময় দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য মাত্রা অর্জনের জন্য এক্সপার্ট ও সেক্টর রিলেটেড মানুষদের বেশি বেশি সুযোগ দেওয়া৷

১৪. বন্ডেড ওয়্যার হাউজ ও ব্যাক টু ব্যাক LC এর কারনেই আজকে আমাদের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে। এই দুটি খুটি শক্ত হলে আমরা এই শিল্পের টেকসই উন্নয়ন ও ৫০ বিলিয়ন লক্ষমাত্রার চেয়েও বেশি আয় করতে সক্ষম হবো।

উপরোক্ত পয়েন্টগুলো বিবেচনায় আনলে আমরা ৫০ বিলিয়ন লক্ষমাত্রা অর্জন করতে সহয়তা করবে৷ পাশাপাশি আমাদের সুইং হাবকে প্রমোট করতে হবে। এই সুইং আমাদের শক্তি৷ ৫০ বিলিয়ন অর্জনে সুইং সুবিধাকে কাজে লাগাতে হবে।

গার্মেন্টস ব্যবসা একটি লাভের ব্যবসা৷ এখানে লাভ সব সময় করা সম্ভব। যদি ব্যাংকিং ও কাস্টমস এই বিষয়গুলো সুশৃঙ্খলভাবে সামাল দিতে পারি। এবং ব্যবসার প্রত্যেকটি বিষয় সুশৃঙ্খলভাবে সাজাতে পারি ও পরিচালনা করতে পারি।

টেক্সটাইল সেক্টর অনেক দক্ষ ও অভিজ্ঞ মানুষ এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছে। টেক্সটাইল সেক্টরে দীর্ঘ ২৯ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে আমার ক্ষুদ্র মতামত পোষণ করলাম। এছাড়াও ছোট বেলা থেকে আমি বাবার সুবাদে এই ব্যাবসা দেখে আসছি। এই করোনা পরিস্থিতিতে নিজেও ব্যবসায়িক দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। কিন্তু মানুষকে শেখানোর আগ্রহ ও টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রির স্বার্থে লেখালেখি করি৷ আমার লেখায় ভুল ভ্রান্তি হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

লিখেছেনঃ
মোঃ সালাউদ্দিন
চেয়ারম্যান, আস্ক এপারেল অ্যান্ড টেক্সটাইলস সোর্সিং
হেড অফ অপারেশন, বুনন

Most Popular

গার্মেন্টস এ “কার্বন লেবেল” প্রয়োগের জন্য আইন পাস করেছে ফরাসী পার্লামেন্ট

ফরাসী পার্লামেন্ট সম্প্রতি একটি জলবায়ু বিল অনুমোদন দিয়েছে যা পোষাক, টেক্সটাইলসহ সকল ধরণের পণ্য এবং পরিষেবায় "কার্বন লেবেল" এর প্রয়োগ বাধ্যতামূলক...

ভিয়েতনাম ফ্যাক্টরি শাটডাউনে বৈশ্বিক ফ্যাশন সাপ্লাই চেইনে নেতিবাচক প্রভাব

ভিয়েতনামে কোভিড-১৯ এর জন্য চলমান লকডাউন বৈশ্বিক ফ্যাশন এবং ফুটওয়্যার ব্র্যান্ড গুলোর অবকাশকালীন পণ্য মজুদকে বাধা দিতে পারে এবং এটি তাদের...

হোম টেক্সটাইলে নতুন বিপ্লবের সম্ভাবনায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য বলতেই সবার আগে চলে আসে তৈরি পোশাক শিল্প। কখনো কখনো পাট, হিমায়িত চিংড়ি, চামড়া রপ্তানি নিয়েও আলোচনা হয়।...

অবশেষে বাড়ছে পোশাক ক্রয়াদেশ

দীর্ঘদিন পর ইউরোপ আমেরিকায় করোনা পরিস্থিতি উন্নতি ও পরিবর্তিত ভু-রাজনিতিসহ ৬ কারনে তৈরি পোশাকের প্রচুর ক্রয়াদেশ আসছে বাংলাদেশে। আগামী ২ বছরের...

দেশের শিল্প মালিকদের জন্য উদাহরণ হতে পারে সীকম গ্রুপ | Seacom group could be an example for the country’s industrial owners

করোনাকালে যখন বিশ্বের বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানি খরচ মেটাতে হিমশিম খেয়ে কর্মী ছাঁটাই করতে ব্যাস্ত, যখন বি.জে.এম.ই.এ সভাপতি রুবানা হক ঘোষণা...

পৃথিবীর সব থেকে লাক্সারিয়াস ফেব্রিক ভিকুনা’র আদ্যোপান্ত | Vicuna: The Most Luxurious Fabric In The World

মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে অন্যতম চাহিদা হলো বস্ত্র। আদিমকাল থেকে মানুষ নিজের লজ্জাস্থান ঢাকার জন্যই শুধু নয় - শীত, বৃষ্টি ,...

শাশা ডেনিম লিমিটেড ফ্যক্ট্ররি রিভিউ | Industry Review of Shasha Denim Limited.

SHASHA বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রতিষ্ঠান কেননা এই ডেনিম মিল বাংলাদেশে ডেনিম ফেব্রিক সেক্টরে Backward Linkage এর জন্ম দিয়েছে। SHASHA এর পরে...