24 C
Dhaka
Wednesday, December 8, 2021
Home News & Analysis বাংলাদেশের তৈরি-পোশাক শিল্প | RMG Sector of Bangladesh.

বাংলাদেশের তৈরি-পোশাক শিল্প | RMG Sector of Bangladesh.

পোশাক মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলির মধ্যে দ্বিতীয়। কেননা মানুষ কাপড় ছাড়া এক মুহুর্ত কল্পনা করতে পারেনা, ঠিক যেমন করে খাদ্য ছাড়া বাঁচতে পারে না। মূলত শালীনতা বজায় রাখতে এবং শরীরকে কঠোরতা থেকে রক্ষা করার জন্য, জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত দীর্ঘ সময় পর্যন্ত মানুষের কাপড়ের প্রয়োজন। আদিম যুগে মানুষের পোশাকের প্রয়োজনীয়তা মেটাতে গাছের লতা-পাতা এবং গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদের ব্যবহার করতো এবং পরে মানুষ ফাইবার, সুতা এবং ফ্যাব্রিক ব্যবহার করতে শেখে। সেলাই মেশিনের সাহায্যে পোশাক তৈরির ইতিহাস কেবল ২৬০ বছর আগের গল্প, ১৭৫৫ সালে ইংল্যান্ডের চার্লস ফ্রেডেরিক প্রথমবার সেলাই মেশিন আবিষ্কার করেছিলেন। বাণিজ্যিকভাবে সেলাই মেশিনটি ১৮৫১ সালে চালু হয়েছিল যার উদ্ভাবক ইস্কা মেমরিট সিঙ্গার। পোশাক উৎপাদনের ঘটনা বাংলাদেশে অপেক্ষাকৃত নতুন। ষাটের দশকের শুরু পর্যন্ত ব্যক্তি উদ্যোগে ক্রেতাদের সরবরাহকৃত এবং তাদেরই নির্দেশিত নকশা অনুযায়ী স্থানীয় দর্জিরা পোশাক তৈরি করতো। শুধুমাত্র শিশুদের জামাকাপড় এবং পুরুষদের পরিধানযোগ্য গেঞ্জি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে ষাটের দশক পর্যন্ত তৈরি পোশাক শিল্পের অভ্যন্তরীণ বাজার ছিল না বললেই চলে। সত্তরের দশকের শেষার্ধ থেকে মূলত একটি রপ্তানিমুখী খাত হিসেবে বাংলাদেশে তৈরি পোশাক শিল্পের উন্নয়ন ঘটতে থাকে। তৈরি পোশাক শিল্পের অভ্যন্তরীণ বাজারও দ্রুত সম্প্রসারিত হয় এবং এই খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের আয় বৃদ্ধি পায় ও জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আসে। খাতটি কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং তা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও জিডিপিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।

১৯৮০ সাল পর্যন্ত কাঁচা পাট ও পাটজাত দ্রব্য মোট রপ্তানিতে ৫০% অবদান রেখে রপ্তানি আয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছে। আশির দশকের শেষার্ধে পাট ও পাটজাত দ্রব্যের আয়কে অতিক্রম করে পোশাক শিল্প রফতানি আয়ে প্রথম স্থানে চলে আসে। ১৯৯৯ সালে এই শিল্পখাতে সরাসরি কর্মসংস্থান হয় ১.৪ মিলিয়নেরও বেশি লোকের, যার মধ্যে শতকরা প্রায় ৮০ জন মহিলা। তৈরি পোশাক শিল্পের সম্প্রসারণের সাথে সাথে বস্ত্র, সুতা, আনুষঙ্গিক উপকরণ, প্যাকেটজাতকরণের উপকরণ ইত্যাদি শিল্পেরও সম্প্রসারণ হতে থাকে। এতদ্ব্যতীত পরিবহন, ব্যাংকিং, শিপিং এবং ইন্সুরেন্স সেবার চাহিদাও বৃদ্ধি পেতে থাকে। এর সবটাই অতিরিক্ত কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে। এ ধরনের নতুন পরোক্ষ-কর্মসংস্থান মূলত তৈরি পোশাক শিল্প কর্তৃক সৃষ্টি যার সুবিধাভোগী মোট ২,০০,০০০ শ্রমজীবী। বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাকের (কেবলমাত্র ওভেন শার্ট) প্রথম চালানটি রপ্তানি হয় ১৯৭৮ সালে। এরপরেই বিদেশি ক্রেতাদের আগ্রহ বেড়ে যায় এবং এই শিল্প দ্রুত বেড়ে ওঠে। ১৯৮১-৮২ সালে মোট রপ্তানি আয়ে এই খাতের অবদান ছিল মাত্র ১.১%। ২০১০ সালের মার্চ মাসে তৈরি পোশাক শিল্পের অবদান দাঁড়িয়েছে মোট রপ্তানি আয়ের ৭৬%। সময়ের পরিক্রমায় তৈরি পোশাক আরও সম্প্রসারিত হয়ে ওভেন এবং নিটিং উপখাতে বিভক্ত হয়। ২০০২ সালে পোশাক রপ্তানিতে ওভেন ও নিটিং-এর অবদান ছিল যথাক্রমে ৫২.০৬% এবং ৮.৫৮%। পরবর্তীকালে নিট পোশাক উপখাত ওভেন উপখাতের তুলনায় দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে নিট উপখাত ওভেন উপখাতকে অতিক্রম করে সমগ্র রপ্তানিতে ৪১.৩৮% (৬৪২৯ মিলিয়ন ডলার) অবদান রাখে, বিপরীতে ওভেন পোশাক ৩৮.০২% (৫৯১৮.৫১ মিলিয়ন ডলার) নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে নেমে আসে। ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে নিট ও ওভেন একত্রে আমদানিকৃত কাঁচামালের মূল্যসহ সাড়ে ১২ বিলিয়ন ডলারে উপনীত হয় এবং সাড়ে ২২ লাখ মহিলা শ্রমিকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। বিগত ২৫ বছরে তৈরি পোশাক শিল্প বিস্ময়কর প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। ১৯৭৮ সালে মাত্র ৯টি রপ্তানিমুখী পোশাক তৈরির কারখানায় উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি করে আনুমানিক এক মিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ আয় করেছিল বাংলাদেশ। অনেক কারখানা ছিল ছোট আকারের এবং এখানে উৎপাদিত পণ্য রপ্তানির পাশাপাশি স্থানীয় বাজারেও বিক্রি হতো। এরকম চারটি ছোট পুরাতন কারখানার নাম রিয়াজ গার্মেন্টস, প্যারিস গার্মেন্টস, জুয়েল গার্মেন্টস এবং বৈশাখী গার্মেন্টস। এর মধ্যে রিয়াজ গার্মেন্টস ছিল পথ-প্রদর্শক, যা ঢাকায় রিয়াজ স্টোর নামে একটি ছোট দর্জির কারখানা হিসেবে ১৯৬০ সালে কাজ শুরু করে।

এটি আনুমানিক ১৫ বছর স্থানীয় বাজারে কাপড় সরবরাহ করেছে। ১৯৭৩ সালে কারখানাটি নাম পরিবর্তন করে মেসার্স রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড নামে আত্মপ্রকাশ করে। পরবর্তীকালে কার্যক্রম সম্প্রসারিত করে ১৯৭৮ সালে প্যারিসভিত্তিক একটি ফার্মের সাথে ১৩ মিলিয়ন ফ্রাংক মূল্যের ১০ হাজার পিস ছেলেদের শার্ট রপ্তানি করে। রিয়াজ গার্মেন্টসই প্রথম বাংলাদেশ থেকে সরাসরি পোশাক রপ্তানি করে। ১৯৭৯ সালে দেশ গার্মেন্টস লিমিটেড প্রথম যৌথ উদ্যোগে নন-ইকুইটি ফার্ম প্রতিষ্ঠা করে। দেশ গার্মেন্টস ও দক্ষিণ কোরিয়ার দায়েয়ু কর্পোরেশনের মধ্যে প্রযুক্তিগত এবং বাজারজাতকরণে সহযোগিতার সম্পর্ক স্থাপিত হয়। প্রথম দিকে মেশিনে কাজ করার মতো উপযোগী করে তোলার জন্য শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পরে পরিদর্শকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ৩ জন মহিলাসহ ১২০ জন পরিচালক (মেশিন) দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয় এবং এই প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরাই ১৯৮০ সালে উৎপাদন শুরু করে। এটা ছিল প্রথম শতভাগ রপ্তানিমুখী কোম্পানি। ১৯৮০ সাল থেকে আস্তে আস্তে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামোর রন্ধে রন্ধে মিশতে শুরু করে পোশাক শিল্প,বাড়তে থাকে বিনিয়োগ ও রপ্তানি। গত বছরগুলোতে বাংলাদেশের গার্মেন্টস রফতানির পরিসংখ্যান-চিএটা অনেকটা এরকম:

সালমোট গার্মেন্টস রপ্তানি
(ইউএস মিলিয়ন ডলার)
বাংলাদেশের মোট রপ্তানি
(ইউএস মিলিয়ন ডলার)
মোট রপ্তানির %
গার্মেন্টস রপ্তানি
২০০৫-০৬৭৯০০.৮০১০৫২৬.১৬৭৫.০৬
২০০৬-০৭৯২১১.২৩১২১৭৭.৮৬৭৫.৬৪
২০০৭-০৮১০৬৯৯.৮০১৪১১০.৮০৭৫.৮৩
২০০৮-০৯১২৩৪৭.৭৭১৫৫৬৫.১৯৭৯.৩৩
২০০৯-১০১২৩৯৬.৭২১৬২০৪.৬৫৭৭.১২
২০১০-১১১৭৯১৪.৪৬২২৯২৪.৩৮৭৮.১৫
২০১১-১২১৯০৮৯.৭৩২৪৩০১.৯০৭৮.৫৫
২০১২-১৩২১৫১৫.৭৩২৭০২৭.৩৬৭৯.৬১
২০১৩-১৪২৪৪৯১.৮৮৩০১৮৬.৬২৮১.১৩
২০১৪-১৫২৫৪৯১.৪০৩১২০৮.৯৪৮১.৬৮
২০১৫-১৬২৮০৯৪.১৬৩৪২৫৭.১৮৮২.০১
২০১৬-১৭২৮১৪৯.৮৪৩৪৬৫৫.৯০৮১.২৩
২০১৭-১৮৩০৬১৪.৭৬৩৬৬৬৮.১৭৮৩.৪৯
২০১৮-১৯৩৪১৩৩.২৭৪০৫৩৫.০৪৮৪.২১
Data Source Export Promotion Bureau, Compiled by BGMEA

এই পরিসংখ্যান থেকে বলা যায়, যে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে পোশাক শিল্প এবং তা সম্ভবপর হচ্ছে ক্রমবধর্মান টেক্সটাইল ফ্যাক্টরির জন্য। নিচে ক্রমেই বেড়ে ওঠা টেক্সটাইল ফ্যাক্টরির সংখ্যার পরিসংখ্যান চিএ তুলে ধরা হলো:

সালগার্মেন্টস ফ্যাক্টরির সংখ্যাসালগার্মেন্টস ফ্যাক্টরির সংখ্যা
১৯৮৪-৮৫৩৮৪২০০১-০২৩৬১৮
১৯৮৫-৮৬৫৯৪২০০২-০৩৩৭৬০
১৯৮৬-৮৭৬২৯২০০৩-০৪৩৯৫৭
১৯৮৭-৮৮৬৮৫২০০৪-০৫৪১০৭
১৯৮৮-৮৯৭২৫২০০৫-০৬৪২২০
১৯৮৯-৯০৭৫৯২০০৬-০৭৪৪৯০
১৯৯০-৯১৮৩৪২০০৭-০৮৪৭৪৩
১৯৯১-৯২১১৬৩২০০৮-০৯৪৯২৫
১৯৯২-৯৩১৫৩৭২০০৯-১০৫০৬৩
১৯৯৩-৯৪১৮৩৯২০১০-১১৫১৫০
১৯৯৪-৯৫২১৮২২০১১-১২৫৪০০
১৯৯৫-৯৬২৩৫৩২০১২-১৩৫৮৭৬
১৯৯৬-৯৭২৫০৩২০১৩-১৪৪২২২
১৯৯৭-৯৮২৭২৬২০১৪-১৫৪২৯৬
১৯৯৮-৯৯২৯৬৩২০১৫-১৬৪৩২৮
১৯৯৯-০০৩২০০২০১৬-১৭৪৪৮২
২০০০-০১৩৪৮০২০১৭-১৮৪৫৬০
২০১৮-১৯৪৬২১
Source: BGMEA

টেক্সটাইল ফ্যাক্টরির সংখ্যা বতর্মানে প্রায় ৫০০০ এরও অধিক। কিন্তু, তাজরিন ও রানা প্লাজা ধ্বসের মতো কিছু কারনে বাংলাদেশের টেক্সটাইল সেক্টর আজ বহুবিধ চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের মুল চ্যালেঞ্জ গুলো হলো বাজার এবং পণ্য বৈচিত্র্যের অভাব, কাঁচামালের অপ্রতুলতা এবং ক্রমবধর্মান মুল্য, বাড়তি শ্রমিক মূল্য, তীব্র প্রতিযোগীতামুলক বাজার, নতুন বিনিয়োগের অভাব, গতানুগতিক চিন্তাভাবনা, গবেষণা ও উন্নয়নের অভাব, এনএফটিএর অধীনে নতুন অঞ্চলের উত্থান, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, রেড টেপ সংস্কৃতি, শ্রমিকদের প্রশিক্ষণের অভাবের এবং নিম্ন উত্পাদনশীলতা, ক্রেতাদের দেওয়া কম দাম, বিএসসিআই কর্তৃক পরিদর্শন করা সুরক্ষা ইস্যু, অপর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ, দুর্বল পরিবহন অবকাঠামো, চুক্তি ও জোটের কভারেজ ইত্যাদি। চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও বাংলাদেশের আরএমজি খাত ২০২১ সালের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন ডলারের রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। দেশ আরও বেশি হারে বৃদ্ধি পেলে এই লক্ষ্যমাত্রা পৌঁছানো যাবে। চীন উচ্চ-প্রযুক্তি বিভাগে অগ্রসর হবে এবং স্থানান্তর আদেশের সুবিধা নিতে পারে বাংলাদেশ।

আপাত খাতটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বৃদ্ধির উপর আলোকপাত করে বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলি কাটিয়ে উঠতে পারে। শক্তিশালী মজুরি নীতিমালা চালু করে এবং ন্যূনতম মজুরির সময়োপযোগী সমন্বয় করে অন্তর্ভুক্তিমূলক বৃদ্ধি নিশ্চিত করা যেতে পারে। এই কৌশলটি খাতটির প্রতিযোগিতা বাড়াতে এবং পোশাক শিল্পশ্রমিকদের আরও ভালো সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে,ভালো থাকবে আমাদের স্বপ্নের “Made in Bangladesh ” ট্যাগ।

Writer:
Abir Mohammad Sadi
BUTEX
Sr.Campus Ambassador, Bunon

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

” জাতীয় বস্ত্র দিবসে টেক্সটাইল বিষয়ক কুইজের আয়োজন করেছে সিটেক ক্যারিয়ার ক্লাব”

৪ ডিসেম্বর জাতীয় বস্ত্র দিবস ২০২১ উপলক্ষে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, জোরারগন্জ,চট্টগ্রাম (সিটেক) এর ক্যারিয়ার বিষয়ক ক্লাব "সিটেক ক্যারিয়ার ক্লাব" কর্তৃক সকল...

লিখিত অনুমোদন পেয়েছে সিটেক ক্যারিয়ার ক্লাবের নতুন কমিটি

টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, জোরারগন্জ, চট্টগ্রাম এর ক্যারিয়ার বিষয়ক ক্লাব " সিটেক ক্যারিয়ার ক্লাব" এর ২০২১-২২ সেশানের গঠিত নতুন কমিটিকে লিখিত অনুমোদন...

চট্টগ্রাম টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে সপ্তাহব্যাপী অল ওভার প্রিন্টিং ওয়েবিনার সম্পন্ন : মূল্যায়ন পরীক্ষা ১৪ নভেম্বর

অল ওভার প্রিন্টিং (All Over Printing) এবং ডিজাইন ডেভেলপমেন্ট (Design Development) এর ওপর চট্টগ্রাম টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ারিং কলেজে (সিটেক) AOPTB (All Over...

অধ্যক্ষের সাথে সিটেক ক্যারিয়ার ক্লাবের নবগঠিত কমিটির সৌজন্য সাক্ষাত

চট্টগ্রাম টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (সিটেক) এর ক্যারিয়ার বিষয়ক সংগঠন সিটেক ক্যারিয়ার ক্লাবের ২০২১-২০২২ সেশনের নবগঠিত কমিটির সাথে অত্র কলেজের সম্মানিত অধ্যক্ষ...

সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট কি, কেন, কিভাবে ?

আমরা সকলেই বাস্তুতন্ত্র বা ইকোসিস্টেম শব্দটার সাথে পরিচিত।এই বাস্তুতন্ত্র বা ইকোসিস্টেমে আসলে কি হয়!উৎপাদ থেকে বিয়োজক শ্রেণির মধ্যে খাদ্যের পরিবহন চিত্রটা...

তুলা । Cotton

তুলা একধরনের আঁশ উৎপাদক অর্থকরী ফসল।তুলা আঁশজাতীয় নরম পদার্থবিশেষ যা সংশ্লিষ্ট তুলা গাছের বীজের সাথে সম্পৃক্ত থাকে। তুলা দেখতে সাদা, লম্বা,...

জন মার্সার এর জীবনী | Life history of John Mercer.

গবেষক জন মার্সার (২১ ফেব্রুয়ারী ১৭৯১ - ৩০ নভেম্বর ১৮৬৬) ছিলেন ইংল্যান্ডের ল্যাঙ্কাশায়ারের গ্রেট হারউডে জন্মগ্রহণ কারেন।তিনি ছিলেন একজন ইংরেজ ডাইং...