16 C
Dhaka
Thursday, January 27, 2022
Home News & Analysis বাংলাদেশী ফ্যাশন ব্র্যান্ড, পর্ব-০৩ | Bangladeshi Fashion Brand, Part-03

বাংলাদেশী ফ্যাশন ব্র্যান্ড, পর্ব-০৩ | Bangladeshi Fashion Brand, Part-03

পোশাক শিল্পগুলিতে বাংলাদেশী পোশাক ব্র্যান্ড দ্রুত বর্ধনশীল শিল্পগুলির মধ্যে একটি, যা কয়েক দশকের ব্যবধানে খুব সফলভাবেই প্রসারিত হচ্ছে।ব্র্যান্ড গুলো শুধু যেমন দেশের পোশাক শিল্পকে নতুনভাবে তুলে ধরছে,তেমনি ভাবে আমাদের সংস্কৃতি ও কৃষ্টিকে তাদের তৈরি পন্যের মাধ্যমে দেশে ও দেশের বাইরে যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলছে। আজ দেশের তেমন ই ৩ টি শীর্ষ ব্র্যান্ড অঞ্জনস, কান্ট্রি বয়, রঙ বাংলাদেশ নিয়ে আলোচনা করবো।

ANJANS (অঞ্জনস)

ব্র্যান্ড ইতিহাসঃ

অঞ্জনস বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ফ্যাশন এবং লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড,যা দেশীয় পোশাকের বিশাল বাজার তৈরির লক্ষ্যে ১৯৯৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি যাত্রা শুরু করে। গুনগত পণ্য, ডিজাইন এবং সর্বোপরি গ্রাহক পরিষেবার উপরে গুরুত্বকে প্রাধান্য দিয়ে পোশাক শিল্পে শীর্ষ জায়গা করে নিয়েছে।

ব্র্যান্ড দর্শনঃ

অঞ্জনের বিপুল পোশাক চাহিদার অন্যতম কারণ টি হলো ড্রেস ডিজাইনে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ও সংস্কৃতি বরাবরই প্রাধান্য পেয়ে থাকে। স্থানীয় কাঁচামাল ব্যবহার করে বিশেষত হ্যান্ডলুম এবং স্থানীয় টেক্সটাইল মিলে তৈরী হয়ে থাকে অঞ্জনস এর পোষাকগুলো। অঞ্জনের পোশাক সকল পরিবারের সদস্যদের জন্য অর্থাৎ সমস্ত বয়সের জন্য।এছাড়াও পোশাকের পাশাপাশি রয়েছে হোম টেক্সটাইল, জুয়েলারী, পাটের জিনিস, চামড়ার পণ্য এবং বিভিন্ন হস্তশিল্প।

অঞ্জনের পন্যঃ
◾শাড়ি
◾সালোয়ার কামিজ
◾ফতুয়া
◾কুর্তি
◾শার্ট
◾পাঞ্জাবী
◾কিডস ওয়্যার
◾পাটের তৈরি পন্য
◾জুয়েলারি
◾হস্তশিল্প
◾হোমটেক্স

ব্র্যান্ড উপস্থিতিঃ

ঢাকায় ১২ টি, চট্টগ্রাম ও সিলেটে ২ টি সহ সারা দেশ জুড়ে অঞ্জনের মোট ২৩ টি শাখা রয়েছে।

ফ্যাশন নৈবেদ্যঃ

অঞ্জন তাদের ব্র্যান্ড টির জনপ্রিয়তা ধারা বজায় রাখার জন্য কিছু অভিনব পদ্ধতি অবলম্বন করে।তবে সেগুলো যে শুধু তাদের প্রতিষ্ঠানের জন্যই নয়,বরং দেশের সংস্কৃতিকে নতুন ভাবে তুলে ধরতেও ব্যাপক ভাবে সাহায্য করেছে।

অঞ্জনস বিভিন্ন সময়ে প্রচুর সিরিজ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। বাংলাদেশের তাঁতি ঐতিহ্যবাহী জামদানি প্রদর্শনী “জামদানি বিপনন প্রদর্শনী”, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের পোশাক প্রদর্শনী “পোশাকে বর্নমালা”, বাংলা নববর্ষের পোশাক প্রদর্শনী “বৈশাখী বাঙালিয়ানা” এবং বিজয় দিবসের পোশাক প্রদর্শনী “বিজয়ের পোশাক” বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ২০০৯ সালে অঞ্জনের বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের নরসিংদী অঞ্চলের তাঁত ইতিহাসের উপর ভিত্তি করে হ্যান্ডলুম প্রদর্শনী “বায়ন সংগীত (বুনন সাউন্ড)” এরও আয়োজন করা হয়েছিল।

অঞ্জনের আয়োজিত এই প্রদর্শনী দেশের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য গুলোকে পুনরায় পোশাক প্রেমিদের নিকট সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছে!

অঞ্জনস তাদের কার্যকম শুধু দেশের পোশাক শিল্পেই সীমাবদ্ধ রাখেনি বরঞ্চ অন্যান্য দিকেও নিজেদের বিস্তার অব্যাহত রেখেছে।অঞ্জনের বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সাথে বাংলাদেশ জাতীয় হকি দলের ওয়্যারড্রোব অংশীদার হিসাবে কাজ করেছে।বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ওয়্যারড্রোব অংশীদার হিসাবে সর্বাধিকবার চ্যাম্পিয়ন ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের সাথেও কাজ করেছে।

সময়ের সাথে সাথে অঞ্জনের ডিজাইনগুলি পরিবর্তিত হয়েছে, পাশাপাশি পণ্য লাইনে নানান ভাবে নতুনত্ব পরিবর্তন এনেছে।এর ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালে অঞ্জনের নতুন এবং ভিন্ন ধারণা নিয়ে অঞ্জনের দ্বারা দুটি নতুন পোশাক ব্র্যান্ড “মার্গিন” বি অঞ্জনের এবং “আর্ট অফ ব্লু” শুরু করা হয়েছে।অঞ্জনের আউটলেটগুলোতে গ্রাহকেদের পোশাক চাহিদা যেমন পরিপূর্ণ ভাবে মেটাতে সক্ষম হচ্ছে,তেমনি ভাবে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করছে।আমাদের বাঙালিয়ানা কে যথাযথভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া পোশাক গুলো কে বাঁচিয়ে রাখছে বছরের পর বছর ধরে।

COUNTRY BOY (কান্ট্রি বয়)

ব্র্যান্ড ইতিহাসঃ

কান্ট্রি বয় ২০০৭ সালে একটি ভিন্ন উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে চালু হয়েছিল।”কান্ট্রি বয় লাইফস্টাইল” COUNTRY BOY (প্রাঃ) লিমিটেড দ্বারা বিতরণ করা হয়। “COUNTRY BOY” এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মোঃ শহিদুল ইসলাম খান টিটু। ২৫ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা নিয়ে মোঃ শহিদুল ইসলাম খান টিটু গ্রাউন্ড আপ থেকে এই সংস্থাটি তৈরি করেছিলেন।নিজ কোম্পানির প্রতি তার প্রতিনিয়ত দৃষ্টি,লক্ষ্য এবং সঠিক পরিচালনার দরুন ‘কান্ট্রি বয়’ বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ব ফ্যাশন ব্র্যান্ড হিসাবে তৈরি হয়েছে।

ব্র্যান্ড দর্শনঃ

কান্ট্রি বয়” সাধারণত পুরুষদের পছন্দের পোশাককে ফোকাস করে তাদের ব্র‍্যান্ডটির ট্যাগলাইন কিছুটা এরকম রেখেছিল যে “Country Boy gentleman looking for”। তবে,বছরের পর বছর ধরে রিচ ব্র্যান্ড এবং মার্কেট মূল্য বৃদ্ধির সাথে সাথে ট্যাগলাইনটি পরিবর্তিত হয়ে একটি নতুন রুপ নেয় যা বর্তমানে “Country Boy Lifestyle -Unlimited Fashion” হিসেবে পরিচিত।

বিশেষত বিকল্প রুচিসম্মত পোশাক সরবরাহ করার জন্য কান্ট্রি বয় বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম ফ্যাশন রিটেইলার হিসেবে দ্রুত পরিচিতি লাভ করেছে। কান্ট্রি বয় লাইফস্টাইল স্টোরটি তাদের গ্রাহকদের জন্য ভালো মানের, একচেটিয়া এবং ট্রেন্ডি পণ্যদ্রব্য বিক্রয়ে বিশ্বাস করে।স্টোরটিতে পুরুষদের জন্য শীর্ষ লাইন ব্র্যান্ড “কান্ট্রি বয়” এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের সাথে মহিলাদের জন্য আছে “ফ্যাশন পার্ক”।

কান্ট্রি বয় ব্র‍্যান্ডের পন্যঃ
◾ক্যাজ্যুয়াল শার্ট
◾ফরমাল প্যান্ট
◾পাঞ্জাবি
◾টি-শার্ট
◾কুর্তা
◾ব্লেজার
◾শর্টস
◾ক্যাজুয়াল হাফ শার্ট
◾পোলো শার্ট
◾কোটি
◾কাবলি

ব্র্যান্ড উপস্থিতিঃ

বর্তমানে, ব্র্যান্ডটি বাংলাদেশে প্রায় ১৬ টি বড় আকারের আউটলেট আছে এবং ব্র্যান্ডটি তাদের আরও বেশি আউটলেট তৈরির চেষ্টা করছে।ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক আউটলেট প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও “কান্ট্রি বয়” -এর আছে।

ফ্যাশন নৈবেদ্যঃ

২০০৭ সালে মেনসওয়্যার ব্র্যান্ড হিসাবে প্রতিষ্ঠিত, “কান্ট্রি বয়” এর গ্রাহকদের প্রগতিশীল ফ্যাশন সরবরাহের দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।প্রতিষ্ঠার পর থেকে, “কান্ট্রি বয়” এমন একটি ব্র্যান্ড হিসাবে বিকশিত হয়েছে যা ফর্মালওয়্যারকে সবচেয়ে আকর্ষনীয় শার্ট, প্যান্ট, পাঞ্জাবী এবং ক্যাসুয়ালওয়্যার,টি-শার্ট, শর্টস, জোগারস, আউটারওয়্যার, ব্লেজার -এর জন্য ফ্যাশনপ্রেমিদের জন্য বেশি জনপ্রিয়।

ব্র্যান্ডের মূল বিশ্বাসটি নতুনত্ব এবং মৌলিকত্ব যার মাধ্যমে গ্রাহকদের এমন এক পণ্য দেওয়া হয় যা অন্য পন্যগুলো থেকে ভিন্নতর হয় হয়ে থাকে। কারিগরদের ট্রেন্ডি ডিজাইন করা পোশাক গ্রাহকদের পৌছে দিতে বিশেষভাবে সর্বদা প্রস্তুত থাকে “কান্ট্রি বয়”।

RANG BANGLADESH (রঙ বাংলাদেশ)

ব্র্যান্ড ইতিহাসঃ

সময়টা ১৯৯৪ সালের দিকে। চার জন বন্ধু মিলে পরিচিতদের গায়ে হলুদ,বিয়ের অনুষ্ঠানের কাজের অভিজ্ঞতা থেকে শুরু করেন এই রঙ।প্রথমে নারায়ণগঞ্জের চাষাড়ায় শান্তনা মার্কেটে ছোট্ট পরিসরে ‘রঙ’ এর সূচনা হয়েছিল।সেই সময় ‘রঙ’ মানেই ছিলো “নারায়ণগঞ্জের রঙ”।মূলত তখন ‘রঙ’ এর শাড়ির জনপ্রিয়তা ছিলো ব্যাপক।রঙ এর শাড়ি পেতে হলেই গ্রাহকদের চলে যেতে হত নারায়ণগঞ্জে।এভাবে ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তার চাহিদা অনুযায়ী ‘রঙ’ এর শাখা ঢাকা,চট্টগ্রাম, সিলেট সহ বিভিন্ন জেলায় বিস্তার লাভ করেছে। পরবর্তীতে কালক্রমে রঙ দ্বিবিভক্ত হয়, যার একটি হলো “রঙ বাংলাদেশ”।”রঙ বাংলাদেশ” এর প্রতিষ্ঠাতা সৌমিক দাস।

ব্র্যান্ড দর্শনঃ

রঙ ব্র্যান্ডটির মাদার ব্রান্ড হল রঙ বাংলাদেশ।রঙ বাংলাদেশের কিছু সাব ব্র্যান্ড রয়েছে যেমন ওয়েস্ট রঙ, শ্রদ্ধাঞ্জলি,আমার বাংলাদেশ। গ্রাহকদের পছন্দসই পোশাকের চাহিদা মেটাতে এই সাব ব্র্যান্ড গুলো প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

WEST RANG (ওয়েস্ট রঙ)
তরুন প্রজন্মের পছন্দের বিষয়টি মাথায় রেখে বেশ কয়েক বছর আগে পশ্চিমা ফ্যাশনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ পোশাক এবং অন্যান্য ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল পন্যের সম্ভার নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল “ওয়েস্ট রঙ”।বর্তমানে এটি রঙ বাংলাদেশ এর একটি সাব ব্র্যান্ড হিসাবে থাকছে।এখনো ওয়েস্ট রঙ হৃদয়ে তরুন ও বয়সে তরুন – উভয় শ্রেণির ক্রেতাদের সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করে চলছে

SHRADDHANJALI (শ্রদ্ধাঞ্জলি)
পরিবারের, সমাজের শ্রদ্ধাস্পদদের জন্য নিবেদিত রঙ বাংলাদেশ-এর এই সাবব্র্যান্ডটি। এখানে মূল লক্ষ্য বাণিজ্য নয় বরং বরিষ্ঠদের সেবা প্রদান। তাদের উপযােগী রঙ, আরাম এবং মর্যাদাকে মাথায় রেখেই ডিজাইন করা হবে প্রতিটি পণ্য। এটা পুরােপুরিই হবে বয়োজ্যেষ্ঠদের আপন ভুবন। তারা এখানে একেবারেই নিজেদের জন্য পণ্য খুঁজে নিতে পারবেন।

AAMAR BANGLADESH (আমার বাংলাদেশ)
বিশ্বজুড়েই নিজের দেশকে উপস্থাপনের প্রয়াস থাকে। “রঙ বাংলাদেশ” বিষয়টি যথেস্ট গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে আলাদা একটি প্রডাক্ট লাইন করছে আমার বাংলাদেশ সাব ব্র্যান্ডের অধীনে। প্রতিটি আউটলেটেই আলাদা কর্ণার থাকবে আমার বাংলাদেশ-এর।তাদের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশকে সচেতনভাবে ব্র্যান্ডিং করা। বাংলাদেশের পণ্যকে দেশি এবং বিদেশী ক্রেতাদের কাছে তুলে ধরা। এজন্য রয়েছে আলাদা প্রডাক্ট ভাবনা, নকশা ও তার বাস্তবায়ন যা ক্রেতাদের ভালাে লাগাকে স্পর্শ করতে পারবে।

রঙ বাংলাদেশ এর পণ্যগুলো হলোঃ
◾শাড়ি
◾সালোয়ার কামিজ
◾পাঞ্জাবি
◾টি-শার্ট
◾ফতুয়া
◾কুর্তা
◾টপস
◾পাজামা
◾ঘর সাজানোর পন্য
◾শো-পিচ
◾নকশি কাঁথা
◾হস্তশিল্প

ব্র্যান্ড উপস্থিতি
রঙ ব্র্যান্ডটির ঢাকা,কুমিল্লা ও ফতুলায় সহ বিভিন্ন স্থানে ৭ টি আউটলেট রয়েছে।

ফ্যাশন নৈবেদ্যঃ

‘রঙ’ প্রতিনিয়তই তাদের পন্য দেশে ও দেশের বাইরে সফলভাবে তুলে ধরছে।রঙ ব্রান্ডের সকল প্রডাক্ট শতভাগ দেশজ।এছাড়াও রঙ তাঁত এবং হস্তশিল্প শিল্পে অবদান রাখছে।মূল রঙ দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেলেও “রঙ বাংলাদেশ” এর প্রথম লক্ষ্য একইরকম রয়েছে।যে লক্ষ্য নিয়ে রঙ এর যাত্রা শুরু হয়ে অব্যাহত ছিল,২৬ বছর ধরে সেই লক্ষ্যে অবিচল রয়েছে রঙ।’রঙ বাংলাদেশ’ তাদের তৈরি পন্যসামগ্রির মাধ্যমে সময়কে রাঙাতে চায়।দেশের সংস্কৃতিকে সমুন্নত রেখে ফ্যাশন প্রিয়দের দেশজ পন্যে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতে চায় “রঙ বাংলাদেশ”!

বাংলাদেশী ফ্যাশন ব্র্যান্ড, পর্ব-০১ আর্টিকেল টি পড়তে এখানে ক্লিক করুন।

বাংলাদেশী ফ্যাশন ব্র্যান্ড, পর্ব-০২ আর্টিকেল টি পড়তে এখানে ক্লিক করুন।

writer:
Sadiya Rahman
DWMTEC
Campus Ambassador, Bunon

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ উত্তরণ,দক্ষ প্রকৌশলী তৈরি করছে নিটার, প্রয়োজন সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার

লিখেছেন:  মোঃ আবুবকর সিদ্দিক, এস এম আশিক ও মোহাম্মদ আবুল হাসান শিবলী সচরাচর বাংলাদেশের উচ্চাভিলাষী...

বস্ত্র শিল্পে ন্যানো প্রযুক্তি

ন্যানো একটি গ্রিক শব্দ যার বাংলা অর্থ ক্ষুদ্র বা সূক্ষ্ম। ন্যানো প্রযুক্তি বলতে বোঝায় আণবিক স্কেলে  কার্যকরী সিস্টেমের একটি বিজ্ঞান, প্রকৌশল...

টেক্সটাইল টেক এসোসিয়েশনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

রিপোর্টারঃ তামিমা মোস্তফা মনিষা । ১৫ই জানুয়ারি, শনিবার নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে টেক্সটাইল টেক অ্যাসোসিয়েশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ১৫ই জানুয়ারী বিকাল...

পাবনা টেক্সটাইলে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের যৌথ সামাজিক কর্মকান্ড অনুষ্ঠিত

চারিদিকে বাড়ছে ঠান্ডার প্রকোপ, রাজশাহী এবং রংপুর বিভাগে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগী এবং মৃত্যুর সংখ্যা।এই হাড়ভাঙা শীতে আপনার অপ্রয়োজনীয় কাপড়গুলো হতে পারে...

কিভাবে ভিয়েতনাম টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি কোভিড-১৯ মহামারী মোকাবিলায় সফলতা অর্জন করেছে

ভিয়েতনাম কোভিড-১৯ কে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছে। তাই তারা সামাজিক দূরত্ব তুলে দিয়েছে, অর্থনৈতিক কেন্দ্রগুলো পুনরায় খুলে দিয়েছে, ব্যবসাবাণিজ্য সচল হয়েছে।

সাপের ত্বক বা স্নেকস্কিনের তৈরি প্রোডাক্ট

সাপের ত্বকের বা স্নেকস্কিনের তৈরিকৃত পোশাক একটি ক্লাসিক ফ্যাশন আইটেম। বিলাসবহুল স্টোর এবং বিশ্বের ফ্যাশন রাজধানীতে ক্যাটওয়াকগুলিতে সাধারণ প্রদর্শিত হয়ে থাকে।...

অর্গানিক কটন | Organic Cotton

আমাদের বস্ত্রশিল্পের সর্বোচ্চ ব্যবহৃত কাচামাল হচ্ছে কটন যা ইন্ডিয়া, মিশর, তুরস্ক, চীন, কিরগিজস্থান, আমেরিকার সহ বিভিন্ন দেশে উৎপাদিত হয়ে থাকে। কটন...