22 C
Dhaka
Wednesday, December 7, 2022
Home News & Analysis কুমিল্লার বিখ্যাত খাদি কাপড় বাঙ্গালীর এক আবেগের নাম

কুমিল্লার বিখ্যাত খাদি কাপড় বাঙ্গালীর এক আবেগের নাম

চরকায় সুতা কেটে কাঠের তৈরি লুম মেশিনে খট খট শব্দে একের পর এক সুতার সাথে বুনন করে কাপড় তৈরির সাথে বাঙালী বহু বছর আগে থেকেই সুপরিচিত।

তখন ইংরেজ শাসনামল। পুরো উপমহাদেশ জুড়ে ইংরেজদের পণ্যে বাজার সয়লাব। এমন সময়ে শুরু হলো স্বদেশী আন্দোলন। বিদেশী পণ্যকে ‘না’ বলে নিজেদের পণ্য ব্যবহারে ঐক্যবদ্ধ হলো এই উপমহাদেশের মানুষ। নিজেদের পোশাকের চাহিদা মেটানোর জন্য চরকায় খাদি কাপড় বোনা ও তার ব্যবহার জোরেসোরে শুরু হলো তখন। একটি পেশাজীবী সম্প্রদায় তাঁত শিল্পের সাথে তখন জড়িত ছিলেন; তাদেরকে স্থানীয় ভাষায় বলা হতো ‘যুগী বা ‘দেবনাথ’।

কার্পাস তুলা থেকে তৈরি হতো সুতা এবং সেই সুতা ব্যবহার করে চরকায় তৈরি হতো খাদি কাপড়। উপমহাদেশে খাদি কাপড়ের প্রচলন অনেক আগে থেকেই ছিল। তবে মহাত্মা গান্ধী যখন জনগনকে নিয়ে স্বদেশী আন্দোলন শুরু করেন, তখনই এই খাদি কাপড়ের ব্যাবহার বাড়তে থাকে। তাই ভারতীয় উপমহাদেশে এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে মহাত্মা গান্ধীর কথাই বলা হয় প্রথমে! কারণ ১৯২০ সালে তিনিই প্রথম স্বদেশী পণ্যকে প্রতিষ্ঠার উদাহরণ হিসেবে খাদি কাপড়কে নিয়ে আসেন সবার সামনে এবং এর গুরুত্ব তুলে ধরেন। ‘স্বরাজ’ প্রতিষ্ঠার জন্য স্বদেশী পণ্যকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং এবং খাদি কাপড় হতে পারে এর অন্যতম উদাহরণ- এ চেতনাকেই জাগ্রত করেছিলেন মহাত্মা গান্ধী।

চিত্রঃ  ভারতীয় উপমহাদেশে খাদি কাপড়ের রুপকার মহাত্মা গান্ধী

এ কারনেই স্বদেশী আন্দোলনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত খাদি কাপড়। তাই খাদি কাপড় বাঙালীর কাছে তখন থেকেই এক আবেগের নাম। ১৯২১ সালে মহাত্মা কুমিল্লার চান্দিনা অঞ্চলে আসেন এবং বিদেশী কাপড় ছেড়ে দেশী কাপড় ব্যবহারে সবাইকে উদ্ভুদ্ধ  করেন। তিনি নিজে চরকার ব্যবহার সম্পর্কে প্রশিক্ষণও দেন!

১৯৩০ সালে ভারতের অভয়াশ্রম পরিচালিত কুমিল্লার বরকামতায় (বর্তমান চান্দিনা) নিখিল ভারত কার্টুর্নি সংঘে হাতে কাটা চরকায় সুতা ও তকলীতে কাপড় তৈরির কাজ চলতো। তাৎকালীন সময়ে সেখানে ডায়িং মাষ্টার হিসেবে কাজ করতেন চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার বাসিন্দা শৈলেন্দ্র নাথ গুহ। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশে খাদি শিল্প বিস্তারে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন।

খাদি কাপড়ের আদি ঠিকানা হলো কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলায়।প্রায় এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া, কলাগাও, কুটুম্বপুর, গোবিন্দপুর, হাড়িখোলা, ভোমরকান্দি, বানিয়াচং, হারং, ছয়ঘরিয়া, বেলাশ্বর, মধ্যমতলা ও দেবিদ্বার,ভানী,  উপজেলার বরকামতা, সাইতলা,জাফরাবাদ, নবীয়াবাদ ইত্যাদি গ্রাম খাদি কাপড়ের জন্য বিখ্যাত।

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে খাদি শিল্পের অবস্থা

স্বাধীনতা পরবর্তী সময় খাদি শিল্পের ছিল স্বর্ণযুগ। এর পরপরই আসে সংকটকাল। যুদ্ধ বিধ্বস্ত বস্ত্রকলগুলো তখন বন্ধ। বস্ত্র চাহিদা মেটাতে আমদানি নির্ভর দেশে হস্তচালিত তাঁতের কাপড়ের ওপর প্রচুর চাপ পড়ে। দেশের বা মানুষের চাহিদার তুলনায় খাদির উৎপাদন ব্যাপক না হলেও চান্দিনা বাজারকে কেন্দ্র করে আশপাশের গ্রামগুলোতে তাঁতীরা চাদর, পর্দার কাপড়, পরার কাপড় তৈরি করতে শুরু করে।

খাদি শিল্পের বর্তমান অবস্থা

কুমিল্লা জেলার সাথে খাদিশিল্প আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে। একসময় এই খাদির খুব প্রচলন ছিল। কুমিল্লায় আগে গান্ধী অভয়াশ্রমে এ খাদি তৈরি হতো। কুমিল্লা শহরের চান্দিনা উপজেলায় এখনও গান্ধীজীর স্মৃতিবিজড়িত তাঁত রয়েছে। বর্তমানে কুমিল্লার খাদিপণ্যের বিক্রয়কেন্দ্রগুলোর মধ্যে ‘খাদি কটেজ’, ‘পূর্বাশা গিফট এন্ড খাদি, ‘খাদি হাউজ, ‘খাদি আড়ং, ‘গ্রামীণ খাদি’ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

খাদি কাপড় এখন বিভিন্ন কোয়ালিটির তৈরি হয়। মোটা, পাতলা, চেক, স্ট্রাইপ এবং বিভিন্ন রঙের গজ কাপড় পাওয়া যায়। দাম প্রতি গজ ৮০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে। এছাড়া রয়েছে খাদি শাল, রুমাল, বেড কভার, ওড়না, থ্রি-পিস এমনকি হাল ফ্যাশনের খাদি শাড়িও পাওয়া যায়।

বর্তমানে আমাদের দেশে খাদির পূর্বের মতো বিশুদ্ধ বৈশিষ্ট্য নেই। সেখানে খাদ ঢুকেছে। বর্তমানে যে খাদি কাপড় তৈরি হয়ে থাকে সেই কাপড়ে রয়েছে মিল এবং হাতে কাটা সুতার সমন্বয়। এখানে টানাতে ব্যবহৃত হয় মিলের সুতা।

পরিতাপের বিষয়, এত বছর পরও এ পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। কারণ কাপড়ে খাদি সুতার পরিমাণ আরও কমেছে; মিলের সুতার পরিমাণ বেড়েছে। উপরন্তু মিলেরই এক ধরনের সুতা তৈরি হচ্ছে। ওই সুতা দিয়ে তৈরি কাপড় একেবারে খাদি কাপড়ের টেক্সচারের মতো। একে বলা হচ্ছে ‘নিব’। ফলে বাজারে এটাকেই খাদি বলে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যা সাধারন ক্রেতার জন্য বুঝা কঠিন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি, আমাদের দেশে খাদি নিয়ে কাজ হচ্ছে না।

খাদি শিল্পে পরিবর্তন ও আধুনিকতার ছোঁয়া

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে খাদির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যেও এসেছে পরিবর্তন। এ প্রসঙ্গে আসার আগে খাদি বা খদ্দরের মৌলিক কিছু বিষয়ের ওপর আলো ফেলা যেতে পারে। এই বুনন কেবল সুতি সুতায় নয়। হতে পারে এবং হয়ও রেশম, অ্যান্ডি, মুগা, তসর, উল প্রভৃতিতে। খাদি কাপড়ের প্রকৃত বৈশিষ্ট্য হলো হাতে কাটা সুতা দিয়ে হাতে বোনা কাপড়। পরিভাষায় আমরা বলতে পারি, হ্যান্ড স্পান অ্যান্ড হ্যান্ড ওভেন কাপড়। অবশ্য হ্যান্ড স্পান সুতাই কেবল নয়, থাই স্পান সুতাও হতে পারে খদ্দরের উপকরণ। পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশ লাওস, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, চীন বা এদিকে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াতেও আছে খাদি। সেখানে মিলবে উল খাদি, সিল্ক খাদি, সুতি খাদি।

আবার আমাদের এ অঞ্চলের খাদি সুতি ও রেশমি। আমাদের এখানে খাদি সিল্ক বলতে একটি ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। এন্ডিকে বলা হয় খাদি সিল্ক। আসলে তা নয়। সিল্কের একটি ধরন এন্ডি। মুগা ও তসরের মতো। এটি নির্ভর করে মথের বিভিন্নতার ওপর। খাদি যে কোনো প্রাকৃতিক তন্তু থেকেই হতে পারে। এর বিশুদ্ধতা বজায় থাকবে একাধিক পৃথক তন্তুর মিশেলে কাপড় বোনা হলেও। যেমন সুতির সঙ্গে রেশম অথচ উল কিংবা এন্ডি সুতা দিয়ে কাপড় বোনা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে আরও একটি পদ্ধতিতে কাজ হচ্ছে। যেটাকে বলা হচ্ছে ব্লেন্ডিং। অবশ্য আগে বিভিন্ন সুতা দিয়ে তৈরির কথা বলেছি; সেটাও এক ধরনের ব্লেন্ডিং। অবশ্য এই ব্লেন্ডিংটা অন্য রকম। এখানে এক বা একাধিক তন্তুকে মিশ্রিত করে একেবারে নতুন তুলায় পরিণত করে সেই তুলা থেকে পুনরায় সুতা কাটা হচ্ছে। আর সেই ব্লেন্ডেড সুতা দিয়ে তৈরি হচ্ছে খাদি মেটেরিয়াল। তাতে বৈচিত্র্য বাড়ছে।

ক্রেতাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে ও যুগের সাথে তাল মিলিয়ে এখন বেশ আধুনিক ডিজাইনে খাদু কাপড় বানানো হচ্ছে। খাদি শিল্পে লেগেছে আধুনিকতা ও পরিবর্তনের ছোঁয়া। সাদামাটা রঙের খাদি কাপড় এখন বিভিন্ন রঙে ছাপা হচ্ছে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজগুলোতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে আছে খাদি কাপড়ের পোশাক। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে খাদি কাপড়ের তৈরি পোশাক রপ্তানি হচ্ছে।

চিত্রঃ আধুনিক ডিজাইনে খাদি কাপড়

খাদি শিল্পে সমস্যা ও তা উত্তরনের উপায়

বর্তমানে খাদির কাপড়ের যথেষ্ট চাহিদা না থাকলেও দেশে এবং বিদেশে ছোট-ছোট লটে খাদি পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন, ডেনমার্ক, তুরস্কসহ বেশ কয়েকটি দেশে এই পণ্য রপ্তানি হয়। বর্তমানে এই শিল্প টিকে থাকলেও অদূর ভবিষ্যতে এর অস্তিত্ব নিয়ে যথেষ্ট শঙ্কা রয়েছে।

১)  তুলার অপর্যাপ্ততা। খাদি কাপড় বুনতে ন্যাচারাল ফাইবার প্রয়োজন হয় যা আমাদের দেশে বিদেশ হতে আমদানি করতে হয়। অর্থাৎ আমাদের দেশে যারা খাদি কাপড় বানায় তারা সহজে সুতা পাচ্ছে না। এটা সহজলভ্য করতে হবে।

২) বর্তমানে হরেক রকমের বাহারী ডিজাইনের ভিড়ে খাদির  চাহিদার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বর্তমানে মেশিনের সাথে পাল্লা দিয়ে হস্তচালিত তাঁত দ্বারা উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না। ভবিষ্যতে এই শিল্প টিকিয়ে রাখতে বছরে অন্তত একটি করে হলেও খাদি বা খদ্দরের জামা সকলের কেনা প্রয়োজন। এতে করে খাদি কাপড়ের চাহিদাও বাড়বে সাথে যোগান ও বাড়বে।

৩) খাদি কাপড় আমাদের দেশীয় শিল্প। অথচ পরিতাপের বিষয়, বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই এটা সম্পর্কে নূন্যতম ধারনাটুকুও নেই। তাই, এই খাদি কাপড়ের ব্যাবহার বাড়াতে এটাকে তরুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।

৪) আমাদের দেশের এই শিল্পকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে হবে। বছরে অন্তত দুইটি প্রদর্শনী বা মেলার আয়োজন করতে হবে যা হবে পুরোটা খাদি শিল্প কেন্দ্রিক। এতে করে এর প্রচার ও প্রসার ঘটবে।

৫) দেশীয় বাজারে বিদেশী কাপড় বিশেষ করে ভারতীয় কাপড়ের অবাধ ব্যাবসা রোধ করতে হবে। এতে যেমন আমাদের দেশীয় কুটির পোশাক শিল্প এগিয়ে যাবে তেমনি খাদি শিল্পেরও প্রসার ঘটবে। কর্মসংস্থান এর সুযোগ ও তৈরি হবে।

৬) বর্তমানে খাদি কাপড় বানানোর কারিগরের সংকট পরিলক্ষিত। স্বল্প পরিসরে হলেও সরকারী বা বেসরকারী উদ্যোগে খাদি কাপড় বানানোর প্রশিক্ষনের ব্যাবস্থা করতে হবে।

৭) বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড এর দায়িত্বে  দেশে খাদির উন্নয়নে সঠিকভাবে পণ্য উন্নয়ন, বাজারজাতকরণ এবং প্রমোশন করতে পারত, সেই প্রতিষ্ঠানই হলো। এছাড়াও সরকার এবং বিভিন্ন এনজিও প্রতিষ্ঠানগুলো পৃষ্ঠপোষকতায় এগিয়ে এলে খাদি কাপড় সংশ্লিষ্ট  এই সমস্যাগুলো সমাধান সম্ভব।

খাদি আমাদের দেশীয় শিল্প। এর সাথে জড়িয়ে আছে আছে বাঙালীর শত বছরের আবেগ। বিদেশী সংস্কৃতির  আগ্রাসনে আমাদের নিজ দেশীয় এই শিল্প ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। সরকারের উচিত এই শিল্পের প্রতি সুনজর দেয়া।

Writer:
Fahmid Al Refat
Primeasia University
Sr. Research Assistant, BUNON

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

গত রবিবার (২৭ নভেম্বর, ২০২২) শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অডিটরিয়ামে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময়...

সম্পূর্ণ হলো নিটারের এফডিএই ডিপার্টমেন্টের ফাইনাল ড্রেস সাবমিশন

সাভারে অবস্থিত ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড রিসার্চ নিটারে ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের ফাইনাল ড্রেস সাবমিশন...

নিটারে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

ঢাকার নিকটস্থ সাভারের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড রিসার্চ (নিটার) এর বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রাইমএশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে টেক্সটাইল ক্লাব উদ্বোধনী এবং নবীন বরন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

গত ২রা নভেম্বর প্রাইমএশিয়া বিশ্ববিদ্যালয় টেক্সটাইল ক্লাবের আয়োজনে টেক্সটাইল ক্লাব উদ্বোধনী এবং নবীন বরন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত...

টেক্সটাইল রিসাইক্লিং

টেক্সটাইল রিসাইক্লিং হলো অব্যবহৃত টেক্সটাইল পণ্য সামগ্রী হতে প্রক্রিয়াজাত করণের পর ফাইবার, ইয়ার্ণ বা ফ্যাবিক অবস্থায় ফিরে আনা, যা সম্পর্ণরূপে টেক্সটাইল...

Spandex Fibre | স্প্যানডেক্স ফাইবার | ইলাস্টেন ফাইবার | LYCRA fiber Spandex

স্প্যানডেক্স, লাইক্রা বা ইলাস্টেন ব্যতিক্রমী সিন্থেটিক ফাইবার। এটি পোলিইথার-পলিইউরিয়া কো-পোলিমার যা ১৯৫৮ সালে ভার্জিনিয়ার ওয়েইনস্বরোতে রসায়নবিদ জোসেফ শিভারসেট ডুপন্টের বেঞ্জার তার...

ম্যাগাজিন শ্যাডো’র মোড়ক উন্মোচন

ম্যাগাজিন শ্যাডোর মোড়ক উন্মোচন করল দেশের পােশাক খাতের প্রিন্টিং বিভাগের সংগঠন স্ক্রীন প্রিন্ট ওয়েলফেয়ার এসােসিয়েশন (এসপিডব্লিউএ)। 'শ্যাডো' ম্যাগাজিনটি এসপিডব্লিউএ এর নিজস্ব...