18 C
Dhaka
Monday, January 18, 2021
Home Fiber To Fabric Weaving & Knitting নকশি কাঁথা

নকশি কাঁথা

কাপড়ের উপর তৈরি নকশা করা কাঁথাই নকশি কাঁথা। বিশদভাবে এভাবে বলা যায়, সূক্ষ্ণ হাতে সুঁচ আর বিভিন্ন রঙের সুতায় গ্রামবাংলার বউ-ঝিয়েরা মনের মাধুরী মিশিয়ে নান্দনিক রূপ-রস ও বৈচিত্রের যে কাঁথা বোনেন, তা-ই নকশি কাঁথা। জীবন ও জগতের নানা রূপ প্রতীকের মাধ্যমে ফুটে উঠে নকশি কাঁথায়। আবহমান কাল ধরে নকশি কাঁথায় যে শিল্পকর্ম ফুটে ওঠেছে তা বাংলার শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ, প্রকৃতির প্রাচীন ঐতিহ্য। নকশি কাঁথাকে মেঝের ওপর তুলে ধরে তার উপরে বসে সেলাই করা হয়। এক সময় নকশি কাঁথা প্রায় ঘরে ঘরে তৈরি করা হতো। গ্রামে খাওয়ার পর ক্লান্ত দুপুরে ঘরের সব কাজ সেরে নারীরা ঘরের মেঝে, বারান্দা বা গাছের ছায়ায় মাদুর পেতে বসত নকশী কাঁথা নিয়ে। এক একটি নকশী কাঁথা তৈরি করতে কখনো কখনো প্রায় এক বছর সময় লেগে যায়।

নকশি কাঁথা হলো সাধারণ কাঁথার উপর নানা ধরনের নকশা করে বানানো বিশেষ প্রকারের কাঁথা। নকশি কাঁথা শত শত বছরের পুরনো ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সংস্কৃতির একটা অংশ। সাধারণত পুরাতন কাপড়ের পাড় থেকে সুতা তুলে অথবা তাঁতীদের থেকে নীল, লাল, হলুদ প্রভৃতি সুতা কিনে এনে কাপড় সেলাই করা হয়। ঘরের মেঝেতে পা ফেলে পায়ের আঙ্গুলের সঙ্গে কাপড়ের পাড় আটকিয়ে সুতা খোলা হয়। এই সুতা পরবর্তীতে ব্যবহারের জন্য রেখে দেয়া হয়। সাধারণ কাঁথা সেলাইয়ের পর এর উপর মনের মাধুরী মিশিয়ে ফুঁটিয়ে তোলা হয় বিভিন্ন নঁকশা যার মধ্যে থাকে ফুল, লতা, পাতা ইত্যাদি। পুরো বাংলাদেশেই নকশি কাঁথা তৈরি হয়, তবে ময়মনসিংহ, রাজশাহী, ফরিদপুর ও যশোর নকশি কাঁথার জন্য বিখ্যাত। ২০০৮ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য নকশি কাঁথার ভৌগোলিক স্বীকৃতি পায়অন্যান্য লোকশিল্পের মতো কাঁথার উপর দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিস, আবহাওয়া, পরিবেশ ও অর্থনৈতিক প্রভাব আছে। সম্ভবত প্রথমদিকে কাঁথা ছিল জোড়া তালি দেওয়া কাপড়। পরবর্তীতে এটি থেকেই নকশি কাঁথার আবির্ভাব।

নকশী কাঁথা সাধারণত দুই পাটের অথবা তিন পাটের হয়ে থাকে। চার-পাঁচ পাটের কাঁথা শীত নিবারণের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাতে কোনো কারুকার্য থাকে না। কিন্তু নকশী কাঁথায় বিভিন্ন নকশা থাকে। যেখানে লাল, নীল, সবুজ, বেগুনি, হলুদ প্রভৃতি রঙের সুতো দিয়ে সুচের ফোঁড়ে নকশা করা হয়ে থাকে।নকশি কাঁথা সেলাইয়ের কোনো নির্দিষ্ট নকশা নেই। যিনি সেলাই করেন তার মনে যা আসে তা-ই তিনি সেলাই করে যান। সূর্য, চাঁদ, গাছ, পাখি, মাছ, ফল, মানুষ, বিভিন্ন নকশা করা হয় নকশি কাঁথায়। তবে সেলাইয়ের ধরন অনুযায়ী কাঁথাগুলো নিম্নলিখিত প্রকারে ভাগ করা হয়েছে : (১) চলমান সেলাই ; (২)লহরী কাঁথা ;(৩) আনারসি; (৪) বাঁকা সেলাই ; (৫)সুজনি কাঁথা ইত্যাদি ।

নকশীকাঁথা সেলাইয়ের ধরনেরও এখন অনেক প্রকারভেদ আছে।প্রথম দিকে শুধু চলমান সেলাই কাঁথা প্রচলিত ছিল। এই ধরনের সেলাইকে ফোড় বলা হয়। বর্তমানে চাটাই সেলাই, কাইত্যা সেলাই, যশুরে সেলাই, রিফু সেলাই, কাশ্মীরি সেলাই, শর সেলাই, ইত্যাদি সেলাই দিয়ে কাঁথা তৈরি হয়। মাঝে মধ্যে হেরিংবোন সেলাই, সাটিন সেলাই, ব্যাক সেলাই ও ক্রস সেলাই ব্যবহার করা হয়।

নকশি কাঁথার নকশাগুলোতে ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতির গভীর প্রভাব রয়েছে। যদিও কোন নির্দিষ্ট নিয়ম মানা হয় না, তবে ধরে নেওয়া হয় প্রত্যেকটা ভালো সেলাইকৃত নকশি কাঁথার একটি কেন্দ্র থাকবে। বেশিরভাগ কাঁথার কেন্দ্র হলো পদ্ম ফুল এবং পদ্ম ফুলের আশে পাশে নানা রকম আঁকাবাঁকা লতার নকশা থাকে। কখনো শাড়ীর পাড় দিয়ে সীমানা তৈরি করা হয়। নকশাতে ফুল, পাতা, পাখি মাছ, প্রাণী, রান্না আসবাব, এমনকি টয়লেট সামগ্রীও থাকতে পারে। বেশির ভাগ কাঁথার প্রাথমিক কিছু নকশা একই রকম হলেও দুইটি কাঁথা একই রকম হয় না। সাধারণত কাঁথাতে একই নকশা বারবার ব্যবহৃত হয়। উল্লেখযোগ্য নকশাগুলো হলোঃ পদ্ম নকশা, সূর্য নকশা, চন্দ্র নকশা,চাকা নকশা, জীবন-বৃক্ষ নকশা,
স্বস্তিকা নকশা, কালকা নকশা,পর্বত নকশা,মৎস নকশা,নৌকা নকশা,পায়ের ছাপ নকশা,রথ নকশা,মসজিদ নকশা,পাঞ্জা নকশা,কৃষি সামগ্রী,প্রানী-নকশা,সাজঘর সামগ্রী,রান্নাঘর সামগ্রী,পালকি নকশা ইত্যাদি।আর,নকশীকাঁথার পাড় হলো কাঁথার সীমানার দিকের অংশ। বেশিরভাগ নকশি কাঁথার পাড় আছে। কোন কোন ক্ষেত্রে একটি শাড়ীর পাড়কেই কাঁথার পাড় বানানো হয়, কখনো নকশা সেলাই করে পাড় বানানো হয়। সাধারণ পাড় গুলো হলোঃধানের শীষ অথবা খেজুর চারি পাড়,বিছে পাড়,বেকি পাড়,বরফি পাড়,চোক পাড়,তাবিজ পাড়,মালা পাড়,মই পাড়,গাট পাড়,চিক পাড়,নোলক পাড়,মাছ পাড়,পাঁচ পাড়,বাইশা পাড়,আনাজ পাড়,শামুক পাড়,অনিয়ত পাড়,গ্রেফি পাড়,কলম পাড় ইত্যাদি।

গ্রামাঞ্চলের নারীরা পাতলা কাপড়, প্রধানত পুরানো কাপড় স্তরে স্তরে সজ্জিত করে সেলাই করে কাঁথা তৈরি করে থাকেন।এখানে একাধিক পুরানো জিনিস একত্রিত করে নতুন একটি প্রয়োজনীয় জিনিস তৈরি করা হয়। কাঁথা তৈরির কাজে পুরানো শাড়ি, লুঙ্গি, ধুতি ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়। প্রয়োজন অনুযায়ী কাঁথার পুরুত্ব কম বা বেশি হয়। পুরুত্ব অনুসারে তিন থেকে সাতটি শাড়ি স্তরে স্তরে সাজিয়ে নিয়ে স্তরগুলোকে সেলাইয়ের মাধ্যমে জুড়ে দিয়ে কাঁথা তৈরি করা হয়। সাধারণ বা কাঁথাফোঁড়ে তরঙ্গ আকারে সেলাই দিয়ে শাড়ীর স্তরগুলোকে জুড়ে দেয়া হয়। বিভিন্ন রঙের পুরানো কাপড় স্তরীভূত করা থাকে বলে কাঁথাগুলো দেখতে বাহারী রঙের হয়। সাধারণত শাড়ীর রঙ্গীন পাড় থেকে তোলা সুতা দিয়ে কাঁথা সেলাই করা হয় এবং শাড়ীর পাড়ের অনুকরণে কাঁথাতে নকশা করা হয়। তবে কোন কোন অঞ্চলে, যেমন প্রধানত রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকায় কাপড় বোনার সুতা দিয়েও কাঁথাতে নকশা করা হয়ে থাকে। সাধারণ কাঁথা কয়েক পাল্লা কাপড় কাঁথাফোঁড়ে সেলাই করা হলেও এই ফোঁড় দেয়ার নৈপুণ্যের গুণে এতেই বিচিত্র বর্ণের নকশা, বর্ণিল তরঙ্গ ও বয়নভঙ্গির প্রকাশ ঘটে। নকশার সাথে মানানোর জন্য বা নতুন নকশার জন্য কাঁথার ফোঁড় ছোট বা বড় করা হয় অর্থাৎ ফোঁড়ের দৈর্ঘ্য ছোট-বড় করে বৈচিত্র্য আনা হয়। উনিশ শতকের কিছু কাঁথায় কাঁথাফোঁড়ের উদ্ভাবনী প্রয়োগকে কুশলতার সাথে ব্যবহার করার ফলে উজ্জ্বল চিত্রযুক্ত নকশা দেখা যায়। কাঁথাফোঁড়ের বৈচিত্র্য আছে এবং সেই অনুযায়ী এর দুটি নাম আছেঃ পাটি বা চাটাই ফোঁড় এবং কাইত্যা ফোঁড়।

বেশিরভাগ গ্রামের নারী এই শিল্পে দক্ষ। সাধারণত গ্রামের মহিলারা তাদের অবসর সময় নকশি কাঁথা সেলাই করে থাকেন। এক একটি কাঁথা সেলাই করতে অনেক সময়, এমনকি ১ বছর সময়ও লেগে যায়। নতুন জামাইকে বা নাদ বউকে উপহার দেয়ার জন্য নানী-দাদীরা নকশি কাঁথা সেলাই করে থাকেন। এক একটি কাঁথা সেলাইয়ের পিছনে অনেক হাসি-কান্নার কাহিনী থাকে। বিকেল বেলা বা রাতের খাবারের পর মহিলারা একসাথে বসে গল্প করতে করতে এক একটি কাঁথা সেলাই করেন। তাই বলা হয় নকশি কাঁথা এক একজনের মনের কথা বলে। এটি মূলত বর্ষাকালে সেলাই করা হয়। একটা প্রমাণ মাপের কাঁথা তৈরিতে ৫ থেকে ৭ টা শাড়ী দরকার হয়। আজকাল পুরাতন সামগ্রীর বদলে সূতির কাপর ব্যবহার করা হয়। ইদানীং কাঁথা তৈরিতে পুরাতন কাপড়ের ব্যবহার কমে গেছে।
মূলত নকশা করার পূর্বে কোন কিছু দিয়ে এঁকে নেওয়া হয়। তারপর সুঁই-সুতা দিয়ে ওই আঁকা বরাবর সেলাই করা হয়। কাঁথায় সাধারণত মধ্যের অংশের নকশা আগে করা হয় এবং ধীরে ধীরে চারপাশের নকশা করা হয়। আগে কিছু কাঁথার নকশা আঁকানোর জন্য কাঠের ব্লক ব্যবহার করা হত, এখন ট্রেসিং পেপার ব্যবহার করা হয়।

নকশি কাঁথার বাণিজ্যিক ব্যবহার বেশি দিনের নয়। সাম্প্রতিক সময়ে এসে নকশি কাঁথা তার বাণিজ্যিক রূপ লাভ করে। প্রথম দিকে মানুষ তার নিত নৈমিত্তিক প্রয়োজনেই কাঁথা সেলাই করত। আত্মীয় স্বজন বা বাড়ির মেহামানদের অতিরিক্ত সমাদর করার জন্য তারা নকশি কাঁথা বিছিয়ে দিতো। এছাড়া সাধারণ কাঁথা দিয়েই তারা তাদের প্রয়োজন মেটাত। বাংলার কৃষি সমাজে এটাই ছিল রীতি। বাড়িতে কেউ এলে তার জন্য পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন বিছানায় বসানোই ছিল ভদ্রতার লক্ষণ। আর এই কারণেই তখনকার মেয়েরা নকশি কাঁথা সেলাই করতো। একটি নকশি কাঁথা সেলাই করতে তাদের বছরের পর বছর ব্যয় করতে হতো। ফলে তারা এই নকশি কাঁথা নিয়ে কোনো রকমের বানিজ্যিক চিন্তা করার অবসর পায় নি।

কালক্রমে, বলতে গেলে ব্রিটিশ আমলে যখন বিদেশিরা এদেশে আগমন করে তখন কিছু বিদেশি উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এদেশের নকশি কাঁথার গুণে মুগ্ধ হয়ে অর্ডার দিয়ে নানা রকমের নকশি কাঁথা বনিয়ে নিতো। কিন্তু নকশি শিল্পীরা তা সহজেই বানিয়ে দিতে চাইতেন না। বাংলাদেশে এটি বাণিজ্যিক রূপ লাভ করে সত্তরের দশকে এসে। তখন কারিকা নামে একটি সংস্থা গ্রাম্য মহিলাদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার জন্য তাদের যে হাজার বছরের অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান- নকশি কাঁথা বোনা, তা কাজে লাগাতে চেষ্টা করে। আর এর ফলেই ১৯৭২ সালে প্রথম কারিকা বাণিজ্যিকভাবে নকশি কাঁথা উৎপাদন শুরু করে। এরপর ব্রাক তার নারী স্বাবলম্বী কার্যক্রমের অংশ হিসিবে নকশি কাঁথাকে গ্রহণ করে এবং ব্র্যাক আড়ংয়ের মাধ্যমে এটি বাজার জাত করে। বলা যায় ব্রাকই নকশি কাঁথার ব্যাপক বাণিজ্যিকায়ন করতে সক্ষম হয়। কিন্তু সেই সাথে নকশি কাঁথার সেই ঐতিহ্যগত যে রূপ বা শৈল্পিক দিকটি অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়। আজ নকশি কাঁথার বাণিজ্যিক ব্যবহার সর্বত্র দেখা যাচ্ছে।
দেশে নকশি কাঁথা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে- নকশি কাঁথা, বেড কভার, থ্রি-পিস, ওয়ালমেট, কুশন কভার, শাড়ি, পাঞ্জাবি, টি-শার্ট, ফতুয়া, স্কার্ট, লেডিস পাঞ্জাবি, ইয়ক, পার্স, বালিশের কভার, টিভি কভার, শাড়ির পাড়, ওড়না, ফ্লোর কুশন, মাথার ব্যান্ড, মানি ব্যাগ, কলমদানি, মোবাইল ব্যাগ, শিকা, শাল চাদর ইত্যাদি।

এ দেশের জামালপুরের বকশীগঞ্জ, ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ, মাদারগঞ্জ, মেলান্দহ, যশোর, ফরিদপুর, সাতক্ষীরা অঞ্চলে নকশি কাঁথা বেশি তৈরি হয়ে থাকে। তা ছাড়া ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, রাজশাহী, বরিশাল, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও সিলেটে নকশি কাঁথার বাজার ও ছোট ছোট প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে। এ শিল্পকে কেন্দ্র করে কেবল জামালপুরেই গড়ে উঠেছে রংধনু হস্তশিল্প, সৃজন মহিলা সংস্থা, সুপ্তি, ক্যাম্প, কারু নিলয়, জোসনা হস্তশিল্প, প্রত্যয় ক্রাফট, রওজা কারুশিল্প, কারুপল্লী, কারু নীড়, দোলন চাঁপা, ঝিনুক, সূচিকা, তরঙ্গ, দিপ্ত কুটির, বুনন, অণিকা, মিম, মামিম, শতদলসহ প্রায় ৩০০ প্রতিষ্ঠান। তাই বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি নকশি কাঁথা তৈরি হয় জামালপুরে।সারাবিশ্বে এখন নকশি কাঁথার বিশেষ বাজার তৈরি হয়েছে। পৃথিবীব্যাপী বিভিন্ন বাজারে এ শিল্প ইদানীং বেশ ভালো স্থান করে নিতে চলেছে। বাংলাদেশের নকশি কাঁথা গুণগতমানে উন্নত এবং দাম তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় দেশ-বিদেশে এর চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশের নকশি কাঁথার উন্নত গুণগত মান ও মূল্য তুলনামূলক কম হওয়ায় বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নকশি কাঁথার বিশেষ বাজার সৃষ্টি হচ্ছে। ইউরোপ, আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যেও নকশি কাঁথা রফতানি হচ্ছে।

ব্যবহারিক কাঁথা তৈরি কখনও বন্ধ না হলেও বিশ শতকের প্রথম দশকগুলিতে রাজনৈতিক অভ্যুত্থান, মেশিনে তৈরি জিনিসপত্রের প্রাচুর্য এবং রুচির পরিবর্তন এক সময়ের শিল্পসমৃদ্ধ এ নকশি কাঁথাকে বিলুপ্তির দিকে নিয়ে যায়। তবে বর্তমান বছরগুলিতে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে নৃতাত্ত্বিক শিল্পকলার প্রতি মানুষের আগ্রহ কাঁথাশিল্পের পুনরুজ্জীবনে উৎসাহের সৃষ্টি করেছে।

writer :
Abir Mohammad Sadi
BUTEX
Sr.Campus Ambassador , BUNON

2 COMMENTS

  1. Good ?V I should certainly pronounce, impressed with your web site. I had no trouble navigating through all the tabs as well as related information ended up being truly easy to do to access. I recently found what I hoped for before you know it at all. Reasonably unusual. Is likely to appreciate it for those who add forums or anything, website theme . a tones way for your customer to communicate. Nice task..

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

নোয়াখালী টেক্সটাইলের নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ, সাইফুর রহমান – বুননের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা অভিনন্দন

গত ১৩ জানুয়ারী পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোঃ মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সাইফুর রহমান কে টেক্সটাইল...

১২ হাজার বাংলাদেশি কর্মী নেবে জর্ডান

আসছে বছর গার্মেন্টস সেক্টরে ১২ হাজার বাংলাদেশি কর্মী নেবে জর্ডান। বৃহস্পতিবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে...

গার্মেন্টসে এখন নারী শ্রমিক প্রায় ৫৮ শতাংশ

নারী শ্রমিকদের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা তৈরি পোশাক খাতে নারীরাই পিছিয়ে পড়ছেন। এই খাতে নারী শ্রমিক কমে যাচ্ছে। নারীর তুলনায়...

এলেন ম্যাকআর্থারের ফাউন্ডেশনের ” ডেনিম পন্যের পুনঃব্যবহারযোগ্যতা বৃদ্ধি” উদ্যোগকে অনুপ্রানিত ও ত্বরান্বিত করতে ‘জিন্স রিডিজাইন’ চালু করছে “এইচ এন্ড এম”

এলেন ম্যাকআর্থারের ফাউন্ডেশনের উদ্যোগকেই  অনুপ্রাণিত হয়ে জনপ্রিয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড "এইচএন্ডএম " পুরুষদের ডেনিম সংগ্রহ করা শুরু করেছে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে এবং...

মেডিকেল টেক্সটাইল -TEXTILE IN MEDICAL SECTOR

বর্তমান পরিস্থিতিতে মেডিকেল টেক্সটাইল একটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রযুক্তিগত টেক্সটাইল খাতের অন্যতম সেরা উদ্ভাবনী মেডিকেল টেক্সটাইল। মেডিকেল টেক্সটাইল বায়ো-মেডিকেল টেক্সটাইল হিসাবে পরিচিত...

সীমিত পরিসরে চালু হচ্ছে বুটেক্সের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড

করোনা ভাইরাস জনিত রোগ কোভিড-১৯ বিস্তার রোধ এবং পরিস্থিতির উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার ৩১/০৫/২০২০ থেকে ১৫/০৬/২০২০ তারিখ পর্যন্ত দেশের সার্বিক কার্যাবলি এবং...

পৃথিবীর সব থেকে লাক্সারিয়াস ফেব্রিক ভিকুনা’র আদ্যোপান্ত | Vicuna: The Most Luxurious Fabric In The World

মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে অন্যতম চাহিদা হলো বস্ত্র। আদিমকাল থেকে মানুষ নিজের লজ্জাস্থান ঢাকার জন্যই শুধু নয় - শীত, বৃষ্টি ,...