31 C
Dhaka
Wednesday, October 28, 2020
Home Technology Smart Textiles & Nanotechnology আধুনিক বিশ্বে স্মার্ট টেক্সটাইলস ...

আধুনিক বিশ্বে স্মার্ট টেক্সটাইলস (Smart Textiles) এর জগৎ

স্মার্ট টেক্সটাইলস (Smart Textiles) হলো বিভিন্ন ধরনের উদেশ্য সাধনের জন্য বিশেষ গুনাবলির সম্মিলিত এক ধরনের বস্ত্র ,এখানে ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন ধরনের ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ ও সেন্সর। যা আলো, তাপ, চাপ ,আদ্রর্তা, এবং বিদ্যুৎ প্রবাহের উপরে নিজের গুনাবলি পরিবর্তন করতে সক্ষম। অনেক ধরনের ফিচার, সুযোগ, সুবিধা যুক্ত হওয়ায় এটাকে বলা হয় স্মার্ট টেক্সটাইল। এটা ই-টেক্সটাইলস বা ইলেট্রনিক -টেক্সটাইল নামে সুপরিচিত। আমরা আজকে যে ধরনের পোশাক পরিধান করি আমাদের আগামী প্রজন্মের পোশাকের আকৃতি , বৈশিষ্ট ও পারফমেন্স অনেকটাই চেঞ্জ হয়ে যাবে ব্যবহৃত হবে স্মার্ট টেক্সটাইলস।

স্মার্ট টেক্সটাইলস প্রস্তুতিতে প্রয়োজনীয় বিষয়াবলীঃ

স্মার্ট টেক্সটাইল তৈরিতে প্রয়োজনীয় উপাদান দিন দিন বেড়ে চলছে, এক এক ধরনের স্মার্ট টেক্সটাইল প্রস্তুতিতে ব্যবহার ও পারফোমেন্স এর উপর ভিত্তি করে  এক এক ধরনের উপাদান ও প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে । একবিংশ শতাব্দীতে স্মার্ট টেক্সটাইল সকলের কাছে এর পরিচয় তুলে ধরবে।

স্মার্ট টেক্সটাইলসের প্রযুক্তি হলো ফলিত বিজ্ঞানের প্রায় সমস্ত শাখার সমন্বয় , যা তৈরিতে আরামদায়ক অনুভুতি, ঘনত্ব ,নান্দনিক মান এবং প্রসেসিং ক্যাপাবিলিটি ইত্যাদি বিষয়ের কথা মাথায় রেখে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করা হচ্ছে ।

বিশ্বজুড়ে নিম্নলিখিত বিষয় গুলোর উপর ভিত্তি করে স্মার্ট টেক্সটাইল প্রস্তুত করা হয় ;

(ক) সেন্সরের জন্যঃ                                                     

  • ফটো সেনসিটিভ ম্যাটেরিয়াল
  • অপটিক্যাল ফাইবার
  • পরিবাহী পলিমার
  • থার্মো সেনসিটিভ ম্যাটেরিয়ালস
  • শেপ ম্যামোরি ম্যাটেরিয়াল
  • কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কোটিং / ঝিল্লি
  • রাসায়নিক প্রতিক্রিয়াশীল পলিমার
  • যান্ত্রিক প্রতিক্রিয়াশীল উপকরণ
  • মাইক্রো ক্যাপসুল
  • মাইক্রো এবং ন্যানোম্যাটরিয়ালস

() সিগনাল ট্রান্সফার, প্রসেসিং এবং কন্টোলের জন্যঃ

  • নিউরাল নেটওয়ার্ক এবং কন্ট্রোল সিস্টেম
  • জ্ঞান তত্ত্ব এবং সিস্টেম
  • সংহত প্রক্রিয়া
  • স্ট্রাকচারাল মেকানিক্স এবং এভিয়েশন হাইড্রোলিক্স
  • অভিযোজিত এবং প্রতিক্রিয়াশীল কাঠামো
  • স্ট্রাকচারাল মেকানিক্স এবং এভিয়েশন হাইড্রোলিক্স
  • পরিধানযোগ্য কম্পিউটিং
  • বায়োপ্রসেসিং
  • টিস্যু ইঞ্জিনিয়ারিং
  • রাসায়নিক / ড্রাগ রিলিজ
  • ফাইবার টেকনোলজি 

একটি বিশেষ  উদ্দেশ্যে স্মার্ট টেক্সটাইলের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য প্রদান করা হয় যা পরিবেশের অবস্থান ভেদে নিজে পরিবর্তন হয়ে মানুষকে আরাদায়ক অনুভূতি প্রদান করতে সক্ষম। এটি পরিবেশের বিভিন্ন আবহাওয়া ও পরিবেশে সব আবহাওয়ায় শরীরের জন্য উপযুক্ত কন্ডিশন সৃষ্টি করতে পারে , এর জন্য পোশাকের সাথে মাইক্রোচিপ এবং কম্পিউটার অ্যাপলিকেশন সিস্টেমগুলোর সেন্সর যুক্ত করা হয় , যেটা বাহিরের কন্ডিশন থেকে ডাটা নিয়ে প্রসেসিং করে শরীরে তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তন হতে সক্ষম। এটি উদ্ভাবনের ক্ষেত্র ভবিষ্যতের সম্ভাবনাকে বাণিজ্যিক দিক থেকে খুলে দেবে। ক্যারিয়ার মিডিয়াম হিসাবে স্মার্ট টেক্সটাইল একটি উচ্চ প্রযুক্তির পণ্য হিসাবে বিকশিত হচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ এ এর অবস্থান আরো উন্নত করতে সক্ষম হবে।

স্মার্ট টেক্সটাইলস এর শ্রেনীবিভাগঃ প্রয়োগের উপর ভিত্তি করে প্রধানত দুই ধরনের ,

 i)  ফ্যাশনেবল স্মার্ট টেক্স

ii) কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির স্মার্ট টেক্স

(i) ফ্যাশনেবল স্মার্ট টেক্সঃ এ ধরনের পণ্য আবহাওয়ার সাথে তার রং পরিবর্তনের মাধ্যমে হয়ে বিভিন্ন ফ্যাশনেবল স্মার্ট টেক্স তৈরি করে। টেক্সটাইল ম্যাটেরিয়ালসে কালার পরিবর্তন আনা যায় দুই ভাবে ,

ক)ইলেট্রিক সিস্টেমে লাইটিং ইফেক্ট ডিজাইন অনুসারে রং পরিবর্তন করে।

খ) কেমিক্যাল ফিনিস এর মাধ্যমে ,যেমন টেক্সটাইল ম্যাটেরিয়ালসকে ক্যালিয়াম নাইট্রেট দ্বারা বিভিন্ন ঘনমাত্রায় ফিনিসিং করলে ভিন্ন ভিন্ন ঘনমাত্রায় প্রয়োগকৃত স্থানে পানির সংস্পর্শে ভিন্ন ভিন্ন কালার ফুটে উঠবে যা শুকিয়ে গেলে আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাবে।   

(ii) কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিকারী স্মার্ট টেক্সটাইলঃ এর বিস্তৃতি ব্যাপক, অনেক উন্নত প্রযুক্তি এখানে ব্যবহার করা হয়ে থাকে, এটাকে টেকনিক্যাল টেক্সটাইল বলা হয়, স্মার্ট টেক্সটাইল ও টেকনিক্যাল টেক্সটাইল মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে স্মার্ট টেক্সটাইল ব্যবহৃত হয় মূলত মানব শরীরে ,আর টেকনিক্যাল টেক্সটাইল ব্যবহৃত হয় ফিল্ডে যেমন জিও-টেক্স, এগ্রো টেক্স ইত্যাদি। কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিকারীস্মার্ট টেক্সটাইল গুলো হলো,  

(ক) মেডিকেল টেক্সটাইলঃ বর্তমানে মেডিটেক্স ক্ষতের যত্ন এবং দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত রোধ করা জন্য ব্যবহার করা হয়, এছাড়া স্মার্ট টেক্সটাইল পরিধানকারীর তথ্য, যেমন অবস্থান, হার্ট রেট, রক্তচাপ এবং তাপমাত্রা সহ শারীরবৃত্তীয় পরামিতিগুলো যোগাযোগ করতে ব্যবহার করা হয়। মানুষের শরীরের কন্ডিশনের উপর ভিত্তি করে ফাইবারের বৈশিষ্ট্য  ও রাসায়নিক গুনাবলি গবেষণার মাধ্যমে মেডিকেল এর বিভিন্ন সেক্টরে প্রয়োগ করা হচ্ছে। যেমন,

ক্রমিক নং ফাইবারমেডিকেল ফিল্ডে এর প্রয়োগ
কটনসার্জিকাল ইউনিফর্ম, সার্জিকাল হোসিয়ারি
ভিসকোসক্যাপস, মাস্কস, টিস্যু
পলিয়েস্টারগাউন, সার্জিকাল কভার ড্রপস, কম্বল, কভারস্ট
পলি অ্যামাইডসার্জিকাল হোসিয়ারি
পলিপ্রোপিলিনপ্রতিরক্ষামূলক পোশাক
পলিইথিলিনসার্জারি কভার, ড্রপস
গ্লাসক্যাপস মাস্ক
ইলাস্টোমারিকসার্জিকাল হোসিয়ারি

(খ) মিলিটারি টেক্সঃ বুলেট প্রুফ ফেব্রিক সাধারনত কেফলার ফাইবার দিয়ে তৈরি যা পর্যাপ্ত টেকসই ও ফোর্স প্রোটেকটিভ যার কারণে সামরিক ইউনিফর্মগুলোর জন্য এই ফাইবার ব্যবহার করা হয়। যা বিস্তৃত পরিবেশের পরিবেশে সুরক্ষা, স্থায়িত্ব এবং স্বাচ্ছন্দ্য প্রদান নিশ্চিত করে গঠন করা হয়।

(গ) সেলফ ক্লিনিং টেক্সটাইলঃ ময়লা ও ধুলোবালি প্রতিরোধী একধরনের বস্ত্র। ন্যানোটেকনোলজি এর মাধ্যমে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়া, অ্যান্টিওডোর ব্যবহার করে এটা প্রস্তুত করা হয়, টেক্সটাইল স্ব-পরিচ্ছন্নতার জন্য ব্যবহৃত হয় লোটাস এফেক্ট এবং ফোটোক্যাটালাইসিস। এই পোশাক ব্যবহার করলে ওয়াশিং বা লন্ড্রি করার প্রয়োজন হবে না।

(ঘ) স্পোর্ট ওয়ার টেক্সঃ খেলাধুলার উদ্ভাবকরা পরিবেশ-বান্ধব ফাইবার এবং লাইটওয়েট উপকরণগুলোর দিকে দিন দিন ঝুকে পড়ছেন, যা পারফরম্যান্স অনুকূলকরণের সময় খেলোয়ারদের আরামপ্রদয়ক প্রশান্তিতে রাখতে পারে। টেক্সটাইল উপকরণগুলোর সাথে ইলেক্ট্রিক সিগনালসহ সেন্সর লাগিয়ে খেলাধুলায় স্পোর্টওয়্যার হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

(ঙ) তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী ফেব্রিকঃ এটি পরিধানকারীর শরীরকে গরম বা ঠান্ডা  আবহাওয়ায় সঠিক তাপমাত্রায় রাখতে সহায়তা করে। এই ধরনের ফেব্রিক তাপ সংবেদনশীল সুতা থেকে তৈরি করা হয় , যা উষ্ণ আবহাওয়ায়  প্রসারিত হয় ফলে ফেব্রিকের মধ্যে গ্যাপ সৃষ্টি হয়  ,ফলে বাতাস চলাচল করতে পারে এবং আর্দ্র আবহাওয়ায় জন্য সংকুচিত হয় এতে  কমপ্যাক্ট ফেব্রিক সৃষ্টি হয়, ফলে শরীরের তাপমাত্রাকে ধরে রাখে। University of Maryland এর YuHuang Wang বলেন, Heat sensitive fabric তাপ নিয়ন্ত্রণকারী-স্যুইচ হিসেবে কাজ করে, যা আপনার শরীরের তাপমাত্রার অস্বস্তির মাত্রার উপর নির্ভর করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু বা বন্ধ হয়ে যায় ।

(চ) স্পেস স্যুট: এটি বিশেষ ধরনের স্মার্ট টেক্স। মহাকাশ মিশনের সময় নভোচারীদের দ্বারা ব্যবহৃত স্পেস স্যুট চূড়ান্ত প্রতিরক্ষামূলক পোশাক এটা বিশেষভাবে পরীক্ষা করার পর ব্যবহার করা হয়। যা অধিক তাপ, ঠান্ডা, রাসায়নিক, মাইক্রোমোটেরয়েডস, চাপের ওঠানামা এবং তাপমাত্রার চাপ থেকে নভোচারীদের রক্ষা করে।

স্পেস স্যুট উত্পাদন জন্য কাঁচামাল:

স্পেসসুট তৈরি করতে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণগুলি হ’ল:

  • নাইলন ট্রাইকোট
  • স্প্যানডেক্স
  • উরেথানে কোটেড নাইলন
  • নিওপ্রিন কোটেড নাইলন
  • মায়লার (Mylar)
  • গরটেক্স (Gortex)
  • কেভলার (Kevlar)
  • ড্যাকরণ (Dacron)

একটি স্পেস স্যুটের বিভিন্ন স্তর:

১. সর্ব প্রথম ঠান্ডা জলীয় নাইলনের স্থর যা শরীরের সংস্পর্শে থাকে ,

২. নাইলের স্থরের পর অত্যাধিক চাপ সহনশীল বিভিন্ন উপাদানের স্থর

৩. তাপে সুরক্ষার জন্য একটি ডেক্রনের স্থর ও চারটি আলুমিনাইজড মায়লারের (Mylar) স্তর সহ ভেতরে মোট পাঁচ স্থরে গঠিত ।

৪. অতিরিক্ত উত্তাপ থেকে সুরক্ষার জন্য দুটি কাপ্তনের (Kapton) স্তর।

৫. একটি সাদা টেফলন প্রলিপ্ত কাপড়ের একটি স্তর যা অত্যাধিক তাপমাত্রায় বা আগুনে পুড়বেনা বা গলেও যাবে না।

এটা মূলত তিন ধরনের স্থরে গঠিতঃ

  • ভিতরের স্তর: হালকা ভরের নাইলনের সাথে পাতলা ছিদ্রযুক্ত ফ্যাব্রিক থাকে ।
  • মধ্যস্থর: নাইলন নিওপ্রেনের চাপকে আবদ্ধ করে রাখে।
  • বহিরাগত স্তর: নাইলন নীচের চাপযুক্ত স্তরগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখে।

(ছ) 3D ফেব্রিকঃ এটি উইভিং এর একটি নতুন কনসেপ্ট। 3D ফেব্রিক বলতে বুঝায় ফেব্রিকের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও ব্রেথ, যার পুরুত্ব সাধারন ফেব্রিকের চেয়ে অনেক বেশি। বহুমুখী শারীরিক, কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য এবং অ্যাপ্লিকেশন স্কোপের কারণে 3D ফেব্রিক উন্নতির দিকে ফোকাস করা হচ্ছে। এই সব ফেব্রিকের গাঠনিক বৈশিষ্ট্য সাধারন ফেব্রিকের থেকে অনেক আলাদা, ফলে এর সৌন্দর্য্য , গুনাবলি এবং মূল্য অনেক বেশি।  

বিশ্ব অর্থনীতিতে স্মার্ট টেক্সটাইলের প্রভাব

বিশ্ববাজারে স্মার্ট টেক্সটাইলের আকার ২০২৫ সালের মধ্যে ৫.৫৫ মার্কিন বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে, পুর্ববর্তী হিসাব অনুসারে  সিএজিআর (CAGR) এর এক রিপোর্টে এই তথ্য উঠে এসেছে ,যদিও করনো ভাইরাসের প্রভাব  এর মধ্যে বিদ্যমান।গ্র্যান্ড ভিউ রিসার্চ অনুসারে বলা হয়েছে, আধুনিক প্রযুক্তি উন্নত হওয়ার সাথে বৈশিক স্মার্ট টেক্সটাইলের চাহিদা দিন দিন অসীম আকারে বেড়ে উঠতেছে। বিশ্বজুড়ে ফ্যাসন ও বিনোদনের তীব্র প্রতিযোগীতা বেড়ে চলছে এর প্রেক্ষিতে স্মার্ট টেক্সটাইলের ব্যবহার বেড়ে চলছে। আধুনিক সভ্যতা স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার দিকে ধাবিত হওয়ায় এবং সচেতনতার বৃদ্ধির কারণে ক্রীড়া ও ফিটনেস খাতে স্মার্ট টেক্সটাইলের ক্রমবর্ধমান চাহিদা বৃদ্ধি হতে থাকবে । বাংলাদেশে স্মার্ট টেক্সটাইল খাতের উপর বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, গতানুগতিক আমরা যে ধরনের পোশাক  রপ্তানি করে থাকি, এর সাথে স্মার্ট টেক্সটাইল খাত টি যুক্ত করলে বিপুল পরিমানে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হতে পারে।

উচ্চ মূল্য ও পর্যাপ্ত মূল্যায়নের অভাব হচ্ছে স্মার্ট টেক্সটাইল মার্কেটের অন্যতম বাধা, এর জন্য উচ্চ দাম বিশিষ্ট প্রোডাক্ট গুলো উচ্চ বাজার বিশিষ্ট অঞ্চকে সাপ্লাই দিয়ে উচ্চ বিলাশি ক্রেতাদের নিকট সহজেই পৌঁছে দিতে পারে। তবে, স্মার্ট টেক্সটাইল দিনদিন জনপ্রিয় হওয়ার কারণে ফ্যাক্টরটি গ্রাহকদের উপর দীর্ঘমেয়াদে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না । বিস্তৃত মান এবং বিধিবিধানের অভাবে স্মার্ট টেক্সটাইল নির্মাতাদের জন্য নতুন এবং বর্ধমান প্রযুক্তিগুলিকে স্কেল এবং বাণিজ্যিকীকরণ করা কঠিন করে তুলছে। তবে গবেষণা কার্যক্রম এবং স্টেকহোল্ডারদের কাছে প্রচুর আগ্রহ সৃষ্টি করে এই সমস্যাটির সমাধান করা যেতে পারে।

Writer
মোঃ রায়হান কবির
বি এস সি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং,
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

নিটারের শিক্ষার্থীদের নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ জয়

টানা ষষ্ঠবারের মতো বেসিসের তত্ত্বাবধানে এবং বেসিস স্টুডেন্টস ফোরামের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় মহাকাশ সংস্থা নাসার উদ্যোগে আঞ্চলিক পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেছে...

লিভিং অর্গানিজম থেকে টেকসই টেক্সটাইলের উদ্ভাবন: পরিবেশ বান্ধব টেক্সটাইলের দিকে অগ্রযাত্রা

টেক্সটাইল শিল্প হল ভোক্তা পণ্য উৎপাদনের বিশ্বের প্রাচীনতম শাখা। এটি একটি বৈচিত্র্যপূর্ণ এবং বৈষম্যময় সেক্টর যেখানে প্রাকৃতিক ও রাসায়নিক ফাইবার (যেমন:...

করোনা প্রতিরোধে গাঁজার মাস্ক!

পরিবেশ দূষণের জন্য বিশ্বজোড়া আন্দোলন চলছে। তবুও পরিবেশ রক্ষায় মানুষ এখনও অনেকটাই সচেতন নয়। এতদিন মানুষই পরিবেশের ক্ষতি করতেন। এবার সেখানেও...

ডুয়েটে মাইক্রোসফট এক্সেল বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,গাজীপুরের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের "ডুয়েট টেক্সটাইল ক্যারিয়ার এন্ড রিসার্চ ক্লাব ( DTCRC) "শিক্ষার্থীদের সফটস্কিল ডেভেলপমেন্টের লক্ষে মাইক্রোসফট...

জেনে নিন বেপজা ও ইপিজেড সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | IMPORTANT INFORMATION ABOUT BEPZA & EPZ.

বাংলাদেশের জিডিপি তে ১৮-২০% অবদান রাখা এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রাম ইপিজেড এর মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে। যেখানে বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান...

করোনা পরবর্তী ৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানী সম্ভাবনা, প্রস্তাবনা -১৫

একদিন ভিয়েলাটেক্সের চেয়ারম্যান ডেভিড হাসনাত সাহেবকে প্রশ্ন করেছিলাম ১০০ মিলিয়ন ডলারের ব্যবসাকে যদি ১৫০ মিলিয়ন ডলারে নিয়ে যেতে চাই, সর্ব প্রথম...

করোনা পরবর্তী ৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানী সম্ভাবনা, প্রস্তাবনা- ০৮

কানবান মেথড সম্বন্ধে আমরা সকলে মোটামুটি এখন জানি। কানবান হল একটা প্রব্লেম সলভিং বড় নোটিশ বোর্ড। আপনি আপনার সমস্যা গুলো লিখবেন,...