19 C
Dhaka
Wednesday, January 27, 2021
Home Technology Research & Development লিভিং অর্গানিজম থেকে টেকসই টেক্সটাইলের উদ্ভাবন: পরিবেশ বান্ধব টেক্সটাইলের দিকে অগ্রযাত্রা

লিভিং অর্গানিজম থেকে টেকসই টেক্সটাইলের উদ্ভাবন: পরিবেশ বান্ধব টেক্সটাইলের দিকে অগ্রযাত্রা

টেক্সটাইল শিল্প হল ভোক্তা পণ্য উৎপাদনের বিশ্বের প্রাচীনতম শাখা। এটি একটি বৈচিত্র্যপূর্ণ এবং বৈষম্যময় সেক্টর যেখানে প্রাকৃতিক ও রাসায়নিক ফাইবার (যেমন: তুলা, উল, তেল) কে রূপান্তরিত করা হয় সর্বশেষ ভোক্তা –পণ্য হিসাবে যার মধ্যে আছে পোশাক, ইলেক্ট্রনিক পণ্য এবং শিল্প টেক্সটাইল। অতীতে টেক্সটাইল শিল্পে শুধুমাত্র উৎপাদনশীলতার দিকে দৃষ্টিপাত করা হলেও বর্তমানে পরিবেশবান্ধব টেক্সটাইল উৎপাদনের দিকে এই শিল্প ঝুঁকেছে। এজন্য লিভিং অর্গানিজম (জীবন্ত জীব) থেকে টেকসই টেক্সটাইলের উৎপাদনের প্রয়াস করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে লিভিং অর্গানিজম থেকে বায়োডিগ্রেডেবল টেক্সটাইলের উৎপাদন একটা সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।

লাইভ বা লিভিং অর্গানিজম এবং বায়োডিগ্রেডেবল টেক্সটাইল:

আমরা যে টেক্সটাইল ব্যবহার করি তা যদি আমাদের নিষ্পত্তি করার পরে পচে না যায় তবে তারা ল্যান্ডফিলের সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তোলে। এই উচ্চ পরিমানের বর্জ্য হ্রাস করার জন্য ফ্যাশন বিশেষজ্ঞরা বায়োডিগ্রেডেবল টেক্সটাইলের উৎপাদন শুরু করেছে।

‘বায়োডিগ্রেডেবল’ এমন একটা শব্দ যা প্রায়শই পরিবেশ সচেতনতার কোণ থেকে টেক্সটাইল শিল্পের বিষয়ে কথা বলার সময় ব্যবহৃত হয়। যদি পরিবেশগতভাবে সচেতন ফেব্রিক এবং ফ্যাশন তৈরি করতে হয় তাহলে বায়োডিগ্রেডেবল ফেব্রিক, তাদের প্রভাব এবং তারা কেন পরিবেশবান্ধব সে সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান থাকা প্রয়োজন।

‘বায়োডিগ্রেডেবল’ শব্দটি জীবিত প্রাণীর মাধ্যমে প্রাকৃতিকভাবে পচে যাওয়া কোনও পদার্থের ক্ষমতা বোঝায়। লিভিং অর্গানিজম বা জীবিত জীবগুলো সরানো এবং পুনউৎপাদন ক্ষমতার অধিকারী হয়। বিভিন্ন ধরনের জীবন্ত জীব রয়েছে যেমন: গাছপালা, প্রাণী, ছত্রাক, ব্যাক্টেরিয়া, শৈবাল, প্রোটোকটিস্ট ইত্যাদি।

বায়োডেগ্রেডেবল ফেব্রিক :

এটা হচ্ছে সেই সকল ফেব্রিক যা ধীরে ধীরে প্রাকৃতিকভাবে পচে ধ্বংস হয়ে যায়। যখন কোনও টুকরো পোশাক  এর ব্যবহার শেষ হয়ে যায় অথবা ফ্যাশন এর বাইরে চলে যায় তখন প্রায়শই এটি আবর্জনা হিসেবে ফেলে দেয়া হয়। পরিবেশ সংরক্ষণ সংস্থার মতে, ২০১৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত পৌরসভার উৎপাদিত কঠিন বর্জ্যের নয় শতাংশই কাপড় ছিল। এই বিষয়ের কথা বিবেচনা করে, একটা ছোট কিন্তু ক্রমবর্ধমান সংস্কারক গোষ্ঠী পোশাক শিল্পকে দূষণ থেকে দূরে রাখার প্রয়াসে প্রকৃতির প্রতিভার দিকে ঝুঁকেছে এবং সেই উৎসটি হচ্ছে: জীবিত জীব থেকে তারা বায়োডিগ্রেডেবল টেক্সটাইল তৈরি করছে, পরীক্ষাগারে পরিবেশবান্ধব উপকরণ তৈরি করছে এবং ফেক্টরির সমাবেশের প্রয়োজন ছাড়াই কিছু নিকট-সম্পূর্ণ আইটেম উৎপাদন করছে।

জীবন্ত ব্যাক্টেরিয়া, শেওলা, ছত্রাক প্রভৃতি লিভিং অর্গানিজম এর সাহায্যে টেক্সটাইলকে বায়োডিগ্রেডেবল করা সম্ভব। উদাহরণস্বরূপ: নিউইয়র্ক সিটির ফ্যাশন ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলোজি (এফ আই টি) এর গণিত ও বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক থান্ন শিরোস (Theanne Schiros) এবং তার শিক্ষার্থী এর একটা দল শৈবাল –ভিত্তিক ফেব্রিক (alga-based fabric) তৈরি করেছেন যা কটনের তুলনায় দ্রুত বায়োডিগ্রেডেবল।

লিভিং অর্গানিজম থেকে টেকসই টেক্সটাইল তৈরির কয়েকটি পদ্ধতি

টেকসই বিষয়টি বর্তমান ফ্যাশন এর একটা মাপকাঠি হয়ে উঠায় লিভিং অর্গানিজমকে বায়ো-ইঞ্জিনিয়ারড পদ্ধতিতে ভবিষ্যতের পোশাক তৈরির জন্য উপযুক্ত করার জন্য কিছু গবেষকগণ কাজ করে চলেছে। জীবিত ব্যাক্টেরিয়া, ছত্রাক, প্রাণীর কোষ প্রভৃতিকে বায়ো-ইঞ্জিনিয়ারড করে প্রসেস করার মধ্যমে টেক্সটাইল উৎপাদন করা সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং এই ধরণের টেক্সটাইল ব্যবহারের পর ফেলে দিলে আস্তে আস্তে ননটক্সিক পদার্থে বিভক্ত হয়ে পরিবেশে মিশে যাবে। এরই ফলশ্রুতিতে কিছু নতুন উদ্ভাবন হচ্ছে:

ব্যাক্টেরিয়ার মাধ্যমে বা সাহায্যে মাকড়সা সিল্কের উৎপাদন :

মাকড়সা সিল্ক অথবা রেশম একটি শক্তিশালী নমনীয় এবং হাল্কা উপাদান হিসাবে পরিচিত। তবে শৈল্পিক মাপকাঠি অনুযায়ী মাকড়সার চাষ করা সম্ভব নয়। এই সমস্যাটি থেকে উদ্ধার পেতে জার্মানির এ এম সিল্ক (A .M .Silk ) প্রতিষ্ঠান জেনেটিক্যালি ইঞ্জিনিয়ারড ব্যাক্টেরিয়া এর ব্যবহার শুরু করে। এই পদ্ধতিতে ফারমেন্টেশন বায়োরিয়াক্টেরের অভ্যন্তরে ব্যাক্টেরিয়াগুলো স্পাইডার সিল্ক প্রোটিন তৈরি করে যা পরে তন্তুতে রূপান্তরিত হয়, যা অনন্য বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একেবারে নতুন উপাদান। এটা একটা বায়োফেব্রিকেটেড উপাদান যার মাধ্যমে কর্মক্ষমতা এবং স্থায়িত্ব এই দুই ধরনের বৈশিষ্ট্যকেই পূর্ণ করা সম্ভব।




চিত্র: স্পাইডার সিল্ক

শৈবালের মাধ্যমে ফেব্রিক বডিকে আচ্ছাদন করা :

ফেব্রিক তৈরি এবং রঙ করতে যে রাসায়নিক উপাদান ব্যবহৃত হয় তা সাধারণত বিষাক্ত, ক্ষতিকর এবং হাজার হাজার শ্রমিকের মৃত্যুর জন্য দায়ী। এই ধরনের রাসায়নিক উপাদান সাধারণত বস্ত্র পরিধানকারীর শরীরে র‍্যাশের সৃষ্টি করে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য সামুদ্রিক শৈবাল ব্যবহৃত হচ্ছে। জার্মান –ইসরাইল ফার্ম  “অ্যালজি –লাইভ” তন্তু উৎপাদনের জন্য শৈবাল ব্যবহার করছে এবং এটা রং করা হচ্ছে শৈবাল থেকে উৎপন্ন কালার ব্যবহার করেই। এই ধরনের তন্তু দিয়ে তৈরি ফেব্রিক শুধুমাত্র পরিবেশবান্ধব ভাবে তৈরি করা হচ্ছে তাই নয় বরং এগুলো পরিধানকারীর ত্বকের জন্যও আরামদায়ক। ফ্যাশন ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলোজির একটা দল অ্যালজি থেকে ইয়ার্ণ- লাইক ফাইবার তৈরি করেছেন। দৃঢ় এবং নমণীয় এই ফাইবারগুলো বাজারজাতযোগ্য বায়োইঞ্জিনিয়ারড টেক্সটাইল তৈরির সম্ভাবনা দেখাচ্ছে। এছাড়াও, ফাইবারগুলো প্রাকৃতিকভাবেই আগুন প্রতিরোধী এবং কটনের তুলনায় দ্রুত বায়োডিগ্রেড হয়।

ছাত্রাকের সাহায্যে ফেব্রিক উৎপাদন :

ডাচ ফার্ম নেফা (NEFFA) এর প্রতিষ্ঠাতা আনিলা হুইটিংক (Aniela Hoitink) বলেন, “ পরিবেশগত সমস্যাগুলোর কারণে কারখানাগুলো বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। প্লাস্টিক দূষণ একটা বড় সমস্যা এবং খাদ্যের পরিবর্তে আমরা তুলো চাষ করতে পারি এমন জমির পরিমাণও খুব কম আছে। এসব কথা বিবেচনায় রেখে হুইটিংক একটি ফেব্রিক তৈরি করেছেন মাইসিলিয়া থেকে –যা হচ্ছে মাশরুমের শিকড়। ছত্রাকগুলো ডিস্কের উপর উৎপাদন করা হয় এবং এগুলো কোন সিম (seam) ছাড়াই একসাথে অটকে থেকে কাস্টম পোশাক তৈরি করতে সক্ষম।

ব্যাক্টেরিয়া এর মাধ্যমে ফেব্রিকের ডাইং :

ডাইং শিল্পে পানির ব্যবহার এবং পানি দূষণের ক্ষেত্রে একটি বিশাল পরিবেশগত প্রভাব ফেলে। যুক্তরাজ্যের ফার্ম ফেবার ফিউচার (Fabae Future) একটা বিকল্প ডাইং পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন যেখানে স্ট্রেপ্টোমাইসেস কোলি কালার জাতীয় ব্যাক্টেরিয়া ব্যবহার করে গাজনের মাধ্যমে ফেব্রিকের কালারেশন অর্থাৎ ডাইং সম্ভব।

মেডিটেক এবং লিভিং অর্গানিজম এর ব্যবহার এবং একটি নতুন প্রস্তাবনা :

টেক্সটাইল প্রযুক্তি ও চিকিৎসা বিজ্ঞান এর সংমিশ্রণ মেডিটেক অথবা মেডিকেল টেক্সটাইল নামে পরিচিত। মেডিকেল সেক্টরে টেক্সটাইলের ব্যবহারের দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। ব্যান্ডেজ এবং ক্ষত ড্রেসিংয়ের দীর্ঘ তালিকার মধ্যে টেক্সটাইল উপকরণ দুর্দান্ত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। নতুন নতুন ফাইবার, ইয়ার্ণ এবং ফেব্রিকের উৎপাদন মেডিটেক প্রযুক্তিকে সমৃদ্ধ করে চলেছে। মেডিটেক সেক্টরে লিভিং অর্গানিজমের ব্যবহার নতুন সম্ভাবনার সূচনা করতে পারে।

মেডিকেল সেক্টরে সিল্ক ফেব্রিকের বহুল ব্যবহার প্রচলিত। সিল্কের জৈব উপযুক্ততা এবং বায়োডিগ্রেডেশন গুণাবলির জন্য বিভিন্ন মেডিকেল অপারেশন যেমন: সেলাই , অস্ত্রোপচার এর জন্য ব্যবহৃত মেশ এবং ফেব্রিক এর জন্য সিল্ক ব্যবহার হয়ে আসছে। কিন্তু অপারেশন যেমন: ক্ষত নিরাময়, টিস্যু ইঞ্জিনিয়ারিং এসব এ্যাপ্লিকেশন এর জন্য সিল্কের ব্যবহার ট্রায়াল পর্যায়ে আছে। বর্তমানে মাকড়সা থেকে সিল্কের ব্যবহার বহুল খ্যাতি পেয়েছে। এই ধরনের সিল্কের ব্যবহার মেডিকেল সেক্টরেও সম্ভব কিনা এই বিষয়ে গবেষণা দরকার যা টেক্সটাইল শিল্পের বিস্তারে ব্যাপক ভূমিকা পালন করতে পারে।

মেডিকেল সেক্টরে মাইক্রোবিয়াল এনজাইম এর ব্যবহার ব্যাপকভাবে হয়ে থাকে। ডায়াগ্নসিস (Diagnosis Treatment), বায়োকেমিক্যাল ইনভেস্টিগেশন (Biochemical investigation), বিভিন্ন ভয়ঙ্কর রোগের নিরীক্ষণ এর জন্য মাইক্রোবিয়াল এনজাইম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

মেডিকেল সেক্টরে ব্যবহৃত টেক্সটাইল এমন হতে হবে যাতে করে মানুষের অসুবিধা এর কারণ না হয়। প্রচলিত পদ্ধতিতে টেক্সটাইল ডাইং এর জন্য যে কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় তা অনেক সময় ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই লিভিং অর্গানিজম দ্বারা ডাইং করা টেক্সটাইল এইক্ষেত্রে বিরাট এক সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে। উদাহরণস্বরূপ : ব্যাক্টেরিয়া এর মাধ্যমে ফেব্রিক ডাইং কেমিক্যাল ডাইং এর একটা বিকল্প পদ্ধতি। এটি একটা টেকসই সমাধান যা প্রচলিত পদার্থ বিজ্ঞানের চিকিৎসাগুলির মৌলিক এবং উদ্ভাবনী অবদান । এভাবে পরিবেশগত জৈবপ্রযুক্তি এর সোর্সগুলো ব্যবহার করে টেক্সটাইল উৎপাদন সম্ভব হলে তা চিকিৎসা খাতে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত হয়ে উঠতে পারে। এই বিষয়ে বর্তমানে ব্যাপকভাবে গবেষণার প্রয়োজন আছে। 

ফ্যাশন শিল্প এখন বায়োটেকনোলজি (জৈব প্রযুক্তি) বিপ্লবের সূচনা দেখতে পাচ্ছে যেখানে পোশাক তৈরিতে লিভিং অর্গানিজমের ব্যবহার করা হুচ্ছে যা থেকে উন্নত এবং আরও টেকসই উপকরণের উৎপাদন সম্ভব। এভাবে টেকসই টেক্সটাইলের উৎপাদন এবং ব্যবহারের মধ্য দিয়ে মানবজাতির সর্বনিম্ন প্রয়োজনীয় জীবনধারার মানকে বজায় রাখা সম্ভব হবে। লিভিং অর্গানিজমব(জীবন্ত জিব) থেকে টেকসই টেক্সটাইলের উৎপাদনকে ফ্যাশন শিল্পের মূলধারায় পরিণত করার জন্য এখনও আরও অনেক গবেষণা মূলক কাজের প্রয়োজন। এই ধরনের উৎপাদনের বড় চ্যালেঞ্জ হল প্রোটোটাইপ জৈবিক প্রক্রিয়াগুলোকে শিল্প-স্কেল উৎপাদনে রূপান্তরিত করা যা এই পন্যগুলকে ব্যাপকভাবে উপলব্ধ এবং সাশ্রয়ী করে তোলার মূল বিষয় হবে। ফ্যাশন শিল্পকে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর এবং টেকসই রাখার জন্য লিভিং অর্গানিজম থেকে টেক্সটাইল উৎপাদন ভবিষ্যতে এক অনন্য বিপ্লব ঘটাবে।

রেফারেন্স (References) :
1. www.scientificamerican.com
2. www.fabricoftheworld.com
3. www.springwise.com
4. https://geneticliteracyproject.org
5. HOLLAND, C., NUMATA, K., RNJAK‐KOVACINA, J. & SEIB, F. P. 2019. The biomedical use of silk: past, present, future. Advanced healthcare materials, 8, 1800465.
6. LELLIS, B., FÁVARO-POLONIO, C. Z., PAMPHILE, J. A. & POLONIO, J. C. 2019. Effects of textile dyes on health and the environment and bioremediation potential of living organisms. Biotechnology Research and Innovation, 3, 275-290.
Writer: 
Puja Kundu 
BUTEX 
Sr. Research Assistant, Bunon

29 COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি “ছায়া সংসদ” বির্তক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ওর্য়াল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।

"করোনা মহামারীর শুরুতে দারিদ্রতা বাড়লেও এখন তা নিয়ন্ত্রনে। সরকারি হিসাবে সার্বিক দারিদ্র্যের হার ২০ থেকে ২২ শতাংশ। কিন্তু করোনা মোকাবিলায় সরকারি...

আড়ং বাংলাদেশের একটি হস্ত ও কারুশিল্প ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান

রিপোর্টারঃ দীপংকর ভদ্র দীপ্তজাতীয় বস্ত্র প্রকৌশল ও গবেষণা ইন্সটিটিউট (নিটার)ক্যাম্পাস এম্বাসেডর, বুনন দেশে দারিদ্র্য বিমোচন ও নারীর...

All Over Printing Technologist of Bangladesh – AOPTB পরিচালনা পর্ষদ এর ভার্চুয়াল মিটিং

ডেস্ক রিপোর্ট, বুনন টেক্সটাইল প্রিন্টিং এর জগতে বর্তমানে অন্যতম চাহিদার শির্ষে রয়েছে অলওভার প্রিন্টিং। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায়...

Rotary এবং Flat Bed মেশিনের পার্থক্য এবং এদের ফাংশন

Md Shawkat Hossain (Sohel) Manager:- CAD Unifill Composite Dyeing Mills Ltd Textile Printing বলতে আমরা যা বুঝি তা হল, এটি...

করোনা পরবর্তী ৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানী সম্ভাবনা, প্রস্তাবনা -১৪

আপনি বিগত তিন দশকে আপনার মেধায়, যোগ্যতায়, ত্যাগে, একনিষ্ঠতায় আপনার প্রতিষ্ঠানকে একটা সম্মানজনক অবস্থানে অবশ্যই নিয়ে গেছেন ! কিন্তু কোথায় যেন...

যুক্তরাজ্য এবং ভিয়েতনামের মধ্যে মুক্ত বানিজ্য চুক্তি সম্পাদন

যুক্তরাজ্য এবং ভিয়েতনাম ঘোষণা দিয়েছে যে, তাদের উদ্দেশ্য অদূর ভবিষ্যতে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে পরিকল্পনা অনুযায়ী অগ্রসর হওয়া এবং এরই...

আধুনিক বিশ্বে স্মার্ট টেক্সটাইলস ...

স্মার্ট টেক্সটাইলস (Smart Textiles) হলো বিভিন্ন ধরনের উদেশ্য সাধনের জন্য বিশেষ গুনাবলির সম্মিলিত এক ধরনের বস্ত্র ,এখানে ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন...