24 C
Dhaka
Wednesday, December 8, 2021
Home Technology Machinery & Equipment সুঁই ও সুঁইয়ের ইতিহাস

সুঁই ও সুঁইয়ের ইতিহাস

সুঁই খুব সূক্ষ্ম একটি বস্তুু যা আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের নানাকাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সুঁই একটি ছোট, খুব সরু ধাতুর টুকরা যা সেলাইয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটির এক প্রান্তে একটি তীক্ষ্ণ বিন্দু রয়েছে এবং একটি সুতোর মধ্য দিয়ে যাওয়ার জন্য অন্যদিকে একটি গর্ত রয়েছে।

সুঁইকে শিল্প বিপ্লবের একেবারে আ্দি বিকাশে জোরদার ভূমিকা রাখার জন্য ‘স্ট্রিং রেভ্যুলেশন’এর গুরূত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ মনে করা হয়। ব্রোঞ্জ যুগে সুইয়ের আকৃতিতে আরও পরিবর্তন আসে। তখন ধাতুর ব্যবহার শুরু হয়েছে। গ্রীসে তখন বড় সুঁই দিয়ে নারীদের দীর্ঘ পোশাকের ঝুল সেলাই করা হত। লৌহ যুগে রোমানরা লোহা এবং হাতির দাঁতের সুই ব্যবহার করতো। তখন রুপার তৈরি সুঁইও ব্যবহৃত হত বিভিন্ন রাজকীয় কাজে। ব্রোঞ্জ যুগে বসবাসকারী পেরুর অধিবাসীদের সমাধিতে রূপার তৈরি সুঁই পাওয়া গেছে।

সুঁঁই খুব তুচ্ছ একটা প্রাত্যহিক অনুষঙ্গ হলেও আমরা এর হাজারো ব্যবহার ভুলে যেতে পারি না। প্রত্নতত্ত্ববিদ এলিজাবেথ অয়েল্যান্ড বারবারা সুঁইকে শিল্প বিপ্লবের একেবারে আ্দি বিকাশে টিকে থাকা একটি অনুষঙ্গ যেটাকে তিনি বলছেন ‘স্ট্রিং রেভ্যুলেশন’প্রাগৈতিহাসিক সময়ে মানুষের টিকে থাকার লড়াইয়ের সাথে সাথে নিতান্ত প্রয়োজনে যে শিল্পটি গড়ে উঠেছিল তা হল সূচিশিল্প। সুঁই আর সুতার সম্মিলনে এই শিল্প ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছিল। আধুনিক সভ্যতার বিকাশে এই শিল্পের ভূমিকা যদিও আমরা অনুভব করতে পারি না, কিন্তু সুঁঁই-সুতোর কাজ হাজার বছরের পুরনো একটি শিল্প। এই শিল্পের বয়স কম করে হলেও বিশ হাজার বছরের পুরোনো আর এর মূল অনুষঙ্গ সুইয়ের রয়েছে আরও পুরনো ইতিহাস। কোন লিখিত প্রমাণ না পাওয়া গেলেও ধারণা করা হয় চল্লিশ হাজার বছর পুরনো প্রাচীন-প্রস্তর যুগে অর্থাৎ প্যালিওলিথিক সময়েও সুইয়ের ব্যবহার ছিল। আরবে, মুসলিম চিকিৎসকরা শল্য চিকিৎসায় সুইয়ের ব্যবহার শুরু করে সবার আগে।প্রাচীন প্রস্তর যুগে মানুষের জীবন সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা না গেলেও বৈরি আবহাওয়া ও প্রকৃতিতে নিরন্তর সংগ্রাম করে জীবন ধারণ করতে হয়েছে। তাদের জীবন সহজ ছিল না। পশু শিকার ছিল একমাত্র কাজ। পশুর চামড়া থেকে শীত নিবারণের উদ্দেশ্যেই প্রাচীন প্রস্তর যুগের মানুষ প্রাণীর হাড়, হরিণের শিং কিংবা হাতির দাঁত থেকে সুঁই তৈরি করতে শেখে। সে সময়কার সুঁইয়ে ফুটোর জায়গায় ছিল খাজ কাটা যেখানে পশুর কোন পেশিতন্তু শুকিয়ে বা গাছের আঁশ শুকিয়ে সূতো হিসেবে ব্যবহার করা হতো। পঁচিশ হাজার বছর পুরনো গ্রাভেটিয়ান সভ্যতায়ও ফুটোসহ সুঁইয়ের অস্তিত্ব দেখতে পাওয়া যায়। এ সময়ে মানুষ মাছের কাটা, কাঠ এবং হাতির দাঁত দিয়ে সুঁই তৈরি করতো এবং সেগুলো ছিল ভারী এবং মোটা। অনেক সুঁঁইয়ের শেষ প্রান্তে বা মাঝখান ফুটো থাকলেও বেশির ভাগ সুঁঁইয়ের পিছন দিকে একটা বাকানো হুকের মত থাকত।বরফ যুগের পর নতুন কোন জায়গায় বসতি স্থাপন করা ছিল সভ্যতার যাত্রায় কয়েক ধাপ এগিয়ে যাওয়া। পশুর চামড়া সেলাই করে বস্ত্র হিসেবে পরিধান করার বুদ্ধি না হলে এ যাত্রায় অগ্রগতি কিছুতেই সম্ভব ছিল না। পশুর চামড়া সেলাই করতে সুঁঁই ছিল অন্যতম এক আবিস্কার। নতুন নতুন জায়গায় বসতি স্থাপন এবং সভ্যতার অগ্রযাত্রায় সুই এবং সেলাইয়ের ভূমিকা অনস্বীকার্য। শুধু প্রয়োজন মেটাতেই গ্রেভেটিয়ান যুগের মানুষ সুঁঁইয়ের ব্যবহার করেনি, তারা সামাজিক প্রয়োজনেই সুঁঁই ব্যবহার করেছে।ব্রোঞ্জ যুগে সুঁঁইয়ের আকৃতিতে আসে আরও পরিবর্তন। খুব সম্প্রতি আবিষ্কৃত রেড ইন্ডিয়ান এবং অন্যান্য আদিবাসীদের ডেরায় পাখির ডানার হাড়ের তৈরি সুঁঁই আবিস্কৃত হয়েছে। অর্থাৎ পাখির পাতলা হাড়কেও কোন কোন জাতি সুঁঁই হিসেবে ব্যবহার করেছে। শীতকালে পশুর চামড়া সেলাই করে পরার জন্য পশুর পেশীতন্তু শুকিয়ে সুতো বানিয়ে সুইয়ে ব্যবহার করা হতো। এখনো জিপসী সম্প্রদায়ের মধ্যে কাটাকে তেলের মধ্যে সিদ্ধ করে শক্ত বানিয়ে সুঁই হিসেবে ব্যবহার করার রীতি প্রচলিত আছে। প্রাচীন মিশরে দুই ফুটো বিশিষ্ট ধারালো সুঁইয়ের ব্যবহার ছিল। প্রত্নতত্ববিদ হেনরিখ শ্লিম্যান “ট্রয়” এ ছয়টি হাড়ের তৈরি সুঁঁই খুঁজে পেয়েছিলেন। সবগুলোর খাঁজকাটা ছিল কিন্তু তার মধ্যে একটা ছিল চোখ বিশিষ্ট, এর মানে ট্রয় সাম্রাজ্যে সুঁঁই সুতোর ব্যবহার ছিল। রোমান সাম্রাজ্যে প্রাপ্ত সুঁই ছিল তামা আর লোহার তৈরি এবং সেগুলো ছিল চোখ বিশিষ্ট, মানে সুতো পরানোর জন্য ফুটো।

ভারতীয় ইতিহাসে বৈদিক সময় (খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০-৫০০) থেকেই সুই সুতোর ব্যবহারের ইতিহাস জানা যায়। ময়ূর সাম্রাজ্য (খ্রিস্টপূর্ব ৩২২-১৮৫) এর ইতিহাসেও সেলাই করা কাপড় পরিধানের রীতি প্রচলিত ছিল। এই সময় নারীরা সাজগোজের জন্য এমব্রয়ডারি করা কাপড় পরিধান করতো। অবসর সময়ে নারীরা সুঁঁই সুতো ব্যবহার করে কাপড়ে নানা ডিজাইনের নকশা করার রীতি এই সময় থেকেই শুরু হয়। সাইবেরিয়ার ইনিয়া নদী তীরবর্তী অঞ্চলে বিজ্ঞানীরা ২০ হাজার সেলাইয়ের সুঁইয়ের সন্ধান পান।ধ্রুপদী যুগের শুরুতেও নকশা করা কাপড় পরার রীতি চালু ছিল। তখনো নারীরা সুঁই সুতা ব্যবহার করে বিভিন্ন নকশা ফুটিয়ে তুলতো কাপড়ে। গুপ্ত রাজত্বে সেলাই করা কাপড় জনপ্রিয় হয়ে উঠে। সুন্দর সেলাই করা পোশাক এবং তাতে নকশা ছিল রাজকীয় প্রতীক। বৈদিক যুগ থেকে প্রচলিত উত্তরীয় ধীরে ধীরে নারীদের বিশেষ পোশাক ঘাগরায় রূপান্তরিত হয়। সিন্ধু উপত্যকায় নারীদের শুধু মাত্র নিচের অংশে কাপড় পরিধান করতে দেখা যেতো কিন্তু উপরের অংশ থাকত খোলা। যদিও ময়ূর সাম্রাজ্যের আগে থেকেই নারীরা উপরের অংশে সেলাই করা বস্ত্র পরিধানে অভ্যস্ত ছিল। গুপ্ত আমল থেকেই ভারতীয় উপমহাদেশে মূলত সুই সুতার বহুল ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়। সিন্ধু সভ্যতায় কাপড় সেলাই করে পরিধানের প্রচলন ছিল অর্থাৎ সুঁঁই সূতার ব্যবহার আমরা ভারতীয় প্রাচীন সভ্যতাতেও লক্ষ্য করি। অন্যদিকে নৃতত্ত্ববিদদের মতে চীনারা প্রথম উপযুক্ত স্টিলের সুঁঁই তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিল বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। যদিও অনেক গবেষক মনে করেন এর মূল উৎস ভারত। আবার আব্বসিয় যুগে আরব ব্যবসায়ীরা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধাতু সংগ্রহ করে নিজেরাই তা থেকে উন্নতমানের ধাতব জিনিস বানাতে সক্ষম ছিলেন। তারা উন্নত প্রযুক্তির লোহার মিশ্রণ সংগ্রহ করতো যা ভারতে তৈরি স্টিলের মত ছিল। তারা তা থেকে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় এবং সৌখিন জিনিসপত্র তৈরি করতো। তার মধ্যে ছিল বিভিন্ন আকৃতির সুঁঁই। দামেস্ক এবং তালেদু’র বিখ্যাত অস্ত্র তৈরির কারখানায় তারা এসব তৈরি করতো। দামেস্ক এবং তালেদু’র অস্ত্র কারখানায় তৈরি তলোয়ার ছিল জগত বিখ্যাত। হাতির দাঁত আর কাঠের সুঁঁইয়ে সেলাই হত প্রাচীন মানুষের পরিধেয়। সুঁঁইয়ের ইতিহাস ঘাটলে আমরা বুঝতে পারি কীভাবে পশ্চিমা বিশ্ব যান্ত্রিকভাবে বিশ্বকে পরিচালিত করেছে। যদিও ৩৫০০বছর আগে ভারতীয় চিকিৎসার ইতিহাসে সুঁঁইয়ের ব্যবহার সম্পর্কে জানা যায় কিন্তু এর মূল বিকাশ ঘটে আরবদের দ্বারা। এবং ইউরোপে এর বিকাশ ছিল অভাবনীয়। আরবরা যেহেতু ধাতব জিনিস তৈরি করতে জানতো তারা স্টিলের সুই তৈরির কৌশলও আবিষ্কার করে। চিকিৎসা বিজ্ঞানেও আরবরা অন্যদের তুলনায় অনেক এগিয়ে ছিল। তারা শল্য চিকিৎসায় সুইয়ের ব্যবহার শুরু করে। আরব সাম্রাজ্য তখন বিস্তৃত অনেক দূর পর্যন্ত। স্পেনে তখন মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।স্পেন মুসলিমদের কাছ স্টিলের সুই তৈরির গোপন সুত্র জেনে নেয়। পরে অভিবাসিদের মাধ্যমে স্পেন থেকে তা ইংল্যন্ডে পৌঁছে। এমনকি অষ্টম হেনরির ( ১৫০৯-১৫৪৭) এর সময়েও লন্ডনে সুই তৈরির দক্ষতা জানে স্পেন থেকে আগত এক অভিবাসির কাছ থেকে। সুঁঁই সে সময়ে বিশেষ গুরুত্বের সাথে রাখা হত। গৃহস্থালি অন্যতম জরুরী জিনিস হিসেবে মহিলারা বিশেষ বাক্সে করে সুঁঁই রাখত।

চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিশেষ ভূমিকা পালনকারী আবুল কাশিম আল যাহাওয়ারি (৯৩৬-১০১৩) ছিলেন একজন দক্ষ সার্জন। তাঁকে বলা হতো পশ্চিমের আবাল্কাসিস। তাঁর লেখা বই “আল-তাশরিফ” শল্য চিকিৎসায় আজও গুরুত্বপুর্ণ। শল্য চিকিৎসায় তিনি বিভিন্ন প্রকারের সুই ব্যবহার করতেন। “আল-তাশরিফ” বইয়ে যাহাওয়ারি শল্য চিকিৎসায় বিভিন্ন প্রকার সুইয়ের বিস্তারিত ব্যবহার উল্লেখ করেছেন। সেই সুঁঁইগুলো ছিল স্টীলের তৈরি সোজা কিংবা বাঁকা সুঁই।

হাতির দাঁতের সুঁই অনেক কাল মানুষের সঙ্গে ছিল।সুঁই তৈরির যে দক্ষতা আরবরা ইউরোপে এবং পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোতে নিয়ে গিয়েছিল যা তারা ১৬৫০ ক্রিস্টাব্দ পর্যন্ত গোপন রেখেছিল তা ইংল্যান্ড শুরু করে সপ্তদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে।

সুঁই উৎপাদনে উনবিংশ শতাব্দী ছিল শ্রেষ্ঠ সময়। নতুন নতুন মেশিনারি, সেলাই মেশিনের আবিস্কার, টেক্সটাইল শিল্পের বিকাশ, স্টীম জাহাজের কারণে বাণিজ্য বিস্তার, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ব্যপ্তির কারণে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় অন্যান্য শিল্পের সাথে সুঁঁই শিল্পেরও চাহিদা বেড়ে যায়, সাথে বেড়ে যায় উৎপাদন। সায়েন্টিফিক অ্যামেরিকান এর মতে ১৯০৬ এর মধ্যে শুধুমাত্র আমেরিকাতেই প্রতিদিন তিরিশ লক্ষাধিক সুঁঁই উৎপাদন হতো। আমেরিকায় বিক্রি হওয়া বেশির ভাগ সুঁঁই ইংল্যান্ডে তৈরি হতো।

ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে রেডিখ সুঁই-শিল্পের একেবারে উপরের দিকে অবস্থান করছিল। তারা বিশ্বের পুরো নব্বই ভাগ সুইয়ের চাহিদা পূরণ করতো। ধীরে ধীরে প্রতিযোগিতা বাড়তে থাকে। জার্মান সুই প্রস্তুতকারীরা ১৮৫০ এর দিকে কারিগরি দিক থেকে নেতৃত্বে চলে আসে। এসময়েই সুম্যাক কোম্পানি এক ধরনের মেশিন আবিষ্কার করে যা এক ধাক্কায় সুইয়ে সুতা পরানো যায়। বর্তমান সময়েও জার্মান মেশিন-সুঁঁই প্রস্তুতকারীরা উৎপাদনে একেবারে প্রথম সারিতে অবস্থান করছে।

বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সুঁঁই সাইবেরিয়ার এই গুহায় পাওয়া গেছে, সাইবেরিয়ান টাইমস
সূচিশিল্পের অপরিহার্য অনুষঙ্গ সুই বহু ব্যবহারে তার গুরুত্ব হারিয়ে ফেললেও আধুনিক পৃথিবীর বিকাশে রয়েছে এর অপরিহার্য অংশগ্রহণ। ঝলমলে ফ্যাশন জগতের আজকের যে দুনিয়া তা তৈরি হতো না যদি সুঁঁইয়ের নিরব না ভূমিকা থাকত।

writer :
Abir Mohammad Sadi
BUTEX
Sr.Campus Ambassador, BUNON

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

” জাতীয় বস্ত্র দিবসে টেক্সটাইল বিষয়ক কুইজের আয়োজন করেছে সিটেক ক্যারিয়ার ক্লাব”

৪ ডিসেম্বর জাতীয় বস্ত্র দিবস ২০২১ উপলক্ষে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, জোরারগন্জ,চট্টগ্রাম (সিটেক) এর ক্যারিয়ার বিষয়ক ক্লাব "সিটেক ক্যারিয়ার ক্লাব" কর্তৃক সকল...

লিখিত অনুমোদন পেয়েছে সিটেক ক্যারিয়ার ক্লাবের নতুন কমিটি

টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, জোরারগন্জ, চট্টগ্রাম এর ক্যারিয়ার বিষয়ক ক্লাব " সিটেক ক্যারিয়ার ক্লাব" এর ২০২১-২২ সেশানের গঠিত নতুন কমিটিকে লিখিত অনুমোদন...

চট্টগ্রাম টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে সপ্তাহব্যাপী অল ওভার প্রিন্টিং ওয়েবিনার সম্পন্ন : মূল্যায়ন পরীক্ষা ১৪ নভেম্বর

অল ওভার প্রিন্টিং (All Over Printing) এবং ডিজাইন ডেভেলপমেন্ট (Design Development) এর ওপর চট্টগ্রাম টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ারিং কলেজে (সিটেক) AOPTB (All Over...

অধ্যক্ষের সাথে সিটেক ক্যারিয়ার ক্লাবের নবগঠিত কমিটির সৌজন্য সাক্ষাত

চট্টগ্রাম টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (সিটেক) এর ক্যারিয়ার বিষয়ক সংগঠন সিটেক ক্যারিয়ার ক্লাবের ২০২১-২০২২ সেশনের নবগঠিত কমিটির সাথে অত্র কলেজের সম্মানিত অধ্যক্ষ...

LEVIS | Levi Strauss & Co. | ফ্যাশন ব্র্যান্ড লেভিস

Levi Strauss & Co. একটি আমেরিকান পোশাক সংস্থা যা Levi's ব্র্যান্ডের ডেনিম জিন্সের জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত। ১৮৫৩ সালের মে মাসে এটি...

পোশাক এবং টেক্সটাইল প্রযুক্তির আবিস্কারের টাইমলাইন | Timeline of clothing and textiles technology

টেক্সটাইল ফাইবার এবং ফেব্রিকের আদী থেকে বর্তমান ইতিহাসঃ ১. ২৭০০ খ্রিস্টপূর্ব - টেক্সটাইল উপকরণ এবং ঝুড়ি এবং...

করোনা মোকাবেলায় অসচ্ছলদের জন্য ইসাথির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ “মানবিক উপহার”

সারা বিশ্ব যখন করোনার মহামারিতে আক্রান্ত, স্থবির হয়ে গেছে মানুষের জীবনযাত্রা, ভেঙ্গে গেছে অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা তখন বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়।