22 C
Dhaka
Wednesday, December 7, 2022
Home Technology বাঙালীর ঐতিহ্যবাহী পোশাক লুঙ্গি | Lungi the traditional dress of bengali people.

বাঙালীর ঐতিহ্যবাহী পোশাক লুঙ্গি | Lungi the traditional dress of bengali people.

লুঙ্গি ছাড়া বাঙালী পুরুষদের দিন চলেই না। আরামদায়ক আর ঢিলেঢালা হওয়ায় লুঙ্গির ব্যবহার বাঙালী পূর্বপুরুষদের হৃদয় জয় করে নিয়েছে। সাধারণত পুরুষদের ঘরের পোশাক হিসেবেই জনপ্রিয় লুঙ্গি। জনপ্রিয় বললে অবশ্য কম বলা হয়। খুব খুব জ‌নপ্রিয়। অনেকে তো বাইরের পোশাক হিসেবেও লুঙ্গিকে পছন্দ করেন। ঘরে বাইরের পোশাক হিসেব লুঙ্গি শুধু বাংলাদেশের ঐতিহ্য নয়, অনেক দেশেই লুঙ্গির ব্যবহার রয়েছে। লুঙ্গি এবং লুঙ্গি পরার স্টাইলেও অনেক বৈচিত্র। এমনকি মেয়েরাও লুঙ্গি পরেন কোথাও কোথাও।

লুঙ্গি ড্যান্সের কথা তো আমাদের সকলেরই জানা। পৃথিবীতে লুঙ্গি নিয়ে কতনা রসালো গল্প আছে তা বলে শেষ করা যাবে না। তবে চলুন লুঙ্গির ইতিহাস সম্পর্কে কিছু কথা শুনে নিই। কিন্তু বাঙালির লুঙ্গি পরার ইতিহাস খুব বেশিদিন আগের নয়। ইতিহাস তাই সাক্ষ্য দেয়। বেশি দূরে যেতে হবে না। ইংরেজ আমলের দিকে একটু তাকান। সে সময়ে সাধারণ মানুষের পোশাক হিসেবে ধুতি, গামছাকেই পাবেন।

সিরাজগঞ্জ মহকুমার তৎকালীন ম্যাজিস্ট্রেট পি নোলান পাবনা জেলার একজন সাধারণ গৃহস্থের দৈনন্দিন পোশাক বর্ণনায় লিখেছেন:
The ordinary rayat wears only dhuti, costing about 12 annas or 1s. 6d., and a small cloth called gamcha, which he puts on his head when it is hot. It is kept well to cool his body, and used for a variety of purposes like a kerchief.

ইতিহাস

লুঙ্গি মূলত বার্মিজ শব্দ। লুঙ্গি নামের পোশাকটি দেহের নিচের অংশে অতি সযত্নে পড়া হয়ে থাকে। ভারত, বাংলাদেশ, মায়ানমার এবং শ্রীলঙ্কায় এর প্রচলন সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।

ধারণা করা হয় লুঙ্গির সূচনা দক্ষিণ ভারতে। দক্ষিণভারতের তামিলনাড়ুকেই এর জন্মস্থান বলা হয়। দক্ষিণ ভারতের সংস্কৃতিতে লুঙ্গি এখনো এক বড় জায়গা দখল করে আছে। তবে এখন এই লুঙ্গি আমাদের উপমহাদেশের বহু সম্প্রদায়ই ব্যবহার করে থাকেন। ভারতে প্রাথমিককালে আসা আরব অধিবাসীরা কুর্তা, চোগা আর তহমত ব্যবহার করতেন। সে সময় লুঙ্গি ছিল সেলাইহীন। পরবর্তীকালে আব্বাসীয় দরবারের নীতি অনুসরণে ভারতীয় মুসলিমদের লুঙ্গিতে সেলাই পড়ে।

ভেস্তি নামের এক ধরনের পোষাককে লুঙ্গির উত্তরসূরি হিসেবে ধরা হয়। ইতিহাস বলে এক কালে মসলিন কাপড়ের তৈরি এই ভেস্তি তামিল থেকে ব্যবিলনে নিয়মিতভাবে রপ্তানী হতো। ব্যবিলনের যেসব প্রত্নতাত্বিক নিদর্শন খুঁজে পাওয়া যায় তাতে “সিন্ধু” শব্দটি খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। তামিল ভাষায় সিন্ধু শব্দের অর্থ করলে দাঁড়ায় কাপড় বা পোষাক। তখন বারাদাভারগাল নামের তামিলনাড়ুর জেলেদের এক সম্প্রদায় ছিল। মূলত তারায় পশ্চিম আফ্রিকা, ইজিপ্ট (বর্তমান মিশর),মেসোপটেমিয়ায় লুঙ্গি রপ্তানি করতো। সময়ের সাথে, সাদা কাপড়ে ফুল এবং অন্যান্য নকশা চিত্রিত হয়ে পরবর্তীতে লুঙ্গিতে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে লুঙ্গি বাংলাদেশ, বার্মা, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া এবং পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোয় বেশি জনপ্রিয়।

লুঙ্গি প্রসঙ্গে এ জেড এম শামসুল আলম তার বাঙালি সংস্কৃতি বইতে লিখেছেন,‘বাঙালি মুসলিম ভদ্র শ্রেণির অতীতের পোশাক ছিল পায়জামা, পাঞ্জাবি। সাধারণ মানুষের পোশাক ছিল লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি।’

গবেষক গোলাম মুরশিদ তাঁর ‘হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি’ বইতে লিখেছেন, ‘উনিশ শতক শেষ হওয়ার আগেই ইংরেজি-শিক্ষিতদের মধ্যে পশ্চিমা পোশাক অথবা সে পোশাকের কিছু উপকরণ অনুপ্রবেশ করেছিল। তবে বৃহত্তর বাঙালি সমাজে বহাল থাকে সনাতনী পোশাক।’ গোলাম মুরশিদ লিখেছেন, ‘বিশ শতকের গোড়ার দিকে মুসলিম-পরিচালিত পত্রপত্রিকায় শিক্ষিত মুসলমানদের ধুতি পরার সমালোচনা করা হয়েছে।’ তখন ওই সব পত্রপত্রিকার নিবন্ধে ধুতির বদলে পাজামা পরার অনুরোধ জানানো হয়। গ্রামের মুসলমানরা অবশ্য আগে থেকেই ধুতির বদলে লুঙ্গি পরতে শুরু করে। দেশ ভাগের পর দ্রুত পূর্ববাংলায় পুরুষদের পরনে ধুতির জায়গা দখল করে নেয় লুঙ্গি।

নকশা

জনপ্রিয়তার কথা চিন্তা করলে এক রঙের বা, দুই রঙের চেক লুঙ্গিই বেশি জনপ্রিয়। চেক লুঙ্গিগুলো মূলত প্রবীণদের মাঝেই বেশি জনপ্রিয় হয়ে থাকে। তবে বিভিন্ন নকশা করা লুঙ্গিও বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। লুঙ্গির সাথে অনেকটাই স্কার্টের মিল আছে। লুঙ্গি স্কার্টের মতো গোল করে সেলাই করা থাকে। কোন কোন সম্প্রদায়ে শুধু পুরুষেরাই লুঙ্গি পড়ে থাকে আবার কোন কোন সম্প্রদায়ে পুরুষ মহিলা উভয়েই এ পোষাকটি পড়ে থাকে। বিভিন্ন সম্প্রদায়ে লুঙ্গি পড়ে শুধুমাত্র প্রতিদিনের কাজই করা হয় না, তার সাথে সাথে বিয়ের অনুষ্ঠানসহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও যাওয়া হয়ে থাকে।

পরিমাপ ও কাপড়

সাধারণত সাড়ে তিন হাত চওড়া আর পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাত লম্বা লুঙ্গির চাহিদা বেশি। সুতি ও লিনেন কাপড়ের লুঙ্গি আরামদায়ক বলে এগুলোই বেশি ব্যবহার করা হয়। তবে সিল্কের লুঙ্গি উৎসব বা বিয়ের অনুষ্ঠানের উপযোগী করে বানানো হয়।

লুঙ্গি এবং বাংলাদেশ

বাংলাদেশ লুঙ্গি ‘ম্যানুফ্যাকচারাস, এক্সপোর্টার্স অ্যান্ড ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য ও ব্যবসায়ীদের তথ্যনুযায়ী, দেশের প্রায় চার কোটি লোক লুঙ্গি পরে। প্রতিজন দুটি করে লুঙ্গি পরলেও তাহলে বার্ষিক চাহিদা প্রায় আট কোটি পিস, যার বাজার মূল্য প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা। লুঙ্গি বাংলাদেশে একটি অনানুষ্ঠানিক পোশাক হিসেবে দেশে প্রচলিত।
স্বাধীনতার পর একসময় নরসিংদী, কেরানীগঞ্জের রুহিতপুর, দোহার, নবাবগঞ্জ ও শ্রীনগরের হস্তচালিত তাঁতের তৈরি লুঙ্গি প্রসিদ্ধ ছিল। কিন্তু চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ১৯৯৮ সালের দিকে যন্ত্রচালিত তাঁতের লুঙ্গি তৈরি শুরু হয়। বর্তমানে যন্ত্রচালিত তাঁতেই চাহিদার ৯৫ শতাংশ লুঙ্গি তৈরি হচ্ছে।

বর্তমানে ছোট-বড় মিলিয়ে লুঙ্গি উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা সহস্রাধিক। এর মধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠান শুধু স্থানীয়ভাবে উৎপাদন ও বিক্রি করে থাকে। তবে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানই তাঁত মালিকদের কাছে কার্যাদেশ দিয়ে লুঙ্গি তৈরি করিয়ে আনে। তারপর এতে নিজেদের প্রতীক লাগিয়ে বাজারজাত করে।

একসময় নামে-বেনামে বিক্রি হওয়া লুঙ্গি এখন পরিচিতি পাচ্ছে নিজস্ব ব্র্যান্ডে। দেশে প্রথম লুঙ্গির ব্র্যান্ডিং শুরু করে হেলাল অ্যান্ড ব্রাদার্স। ট্রেডমার্ক লাইসেন্স নিয়ে ১৯৯৩ সালে স্ট্যান্ডার্ড এবং আমানত শাহ লুঙ্গি ব্র্যান্ডিং শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় পরে এটিএম, অনুসন্ধান, পাকিজা, বোখারি, অমরসহ আরো বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান শুরু করে লুঙ্গির ব্র্যান্ডিং।

লুঙ্গির সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার বসে নরসিংদীর বাবুরহাট, সিরাগঞ্জের শাহজাদপুর ও টাঙ্গাইলের করটিয়ায়। এসব বাজার থেকেই সারা দেশের পাইকারি ব্যবসায়ীরা লুঙ্গি কিনে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করেন। পাইকারি বাজার নরসিংদীর বাবুরহাটের পাকিজা লুঙ্গি কালেকশনের ব্যবস্থাপক মেরাজুল হক মেরাজ কালের কণ্ঠকে জানান, দীর্ঘদিন ধরে পাকিজা বস্ত্রশিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও মাত্র চার বছর আগে লুঙ্গি উৎপাদন শুরু করেছে। তারা তাঁত, ব্ল্যাকবেরি, স্কাই, ওয়েস্ট, রংধনুসহ প্রায় ৫০ ধরনের লুঙ্গি তৈরি করছি। প্রতি থান ৮৪০ টাকা থেকে শুরু করে তিন হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশের লুঙ্গি

সিরাজগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও নরসিংদীর লুঙ্গি এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে রফতানি হচ্ছে ২৫টি দেশে। প্রায় দুই কোটি পিস লুঙ্গি রফতানি হচ্ছে এসব দেশে। বছরে প্রায় সাড়ে ১২ কোটি টাকা আয় হচ্ছে।

বিদেশে অনেক বাংলাদেশি কাজ করছেন। তাদের চাহিদা পূরণ করতেই মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, বাহারাইন, দুবাই, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া, ইন্দোনেশিয়া, কানাডা, ইংল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্রসহ ২৫ দেশে লুঙ্গি রফতানি হচ্ছে। এসব দেশে বসবাসকারী বাঙালিরাই মূলত এ লুঙ্গির ক্রেতা। ইন্দোনেশিয়াসহ অনেক দেশের লোকজন শখ করে এ দেশের লুঙ্গি কিনেন।

অন্যান্য সংস্কৃতিতে লুঙ্গি

ভারত- ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে লুঙ্গির বেশ প্রচলন আছে। কেরালায় নারী পুরুষ উভয়েই লুঙ্গি পড়ে থাকেন। এখানে লুঙ্গিকে কিছুটা দরিদ্র পোষাক হিসেব বিবেচনা করা হয়।

তামিলনাড়ুতে শুধু পুরুষরাই লুঙ্গি পড়ে থাকেন।

মায়ানমার- মায়ানমারে লুঙ্গিকে লোঙ্গাই বলে ডাকা হয়ে থাকে। এটি মায়ানমারের জাতীয় পোষাক। পুরুষেরা এটি ঘরে বাইরে সর্বত্রই পড়ে থাকেন। মহিলাদের লুঙ্গি এখানে তামাইন হিসেবে সুপরিচিত।

ইয়েমেন- ইয়েমেনে লুঙ্গিকে ডাকা হয় মা’আউস নামে। ইয়েমেনে সকল বয়সের পুরুষরাই স্বাচ্ছন্দে এই মা’আউস পরিধান করে থাকেন। সোমালিয়াতেও লুঙ্গির মতো পোষাক পুরুষদের মাঝে বেশ জনপ্রিয়। সোমালিয়ায় অফিসের সময় বাদে অন্য সময়ে প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে সাধারণ জনগণ সবাই লুঙ্গি পড়ে থাকেন। সোমালিয়ায় লুঙ্গির সাথে আবার অতিরিক্ত হিসেবে বেল্টও পরিধান করা হয়ে থাকে।

জাপান- জাপানেও লুঙ্গির প্রচলন আছে। সেখানে লুঙ্গি একটি উৎসবের পোষাক। ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়ায় লুঙ্গিকে সারং বলে অভিহিত করা হয়। এ দুই দেশের মানুষেরা লুঙ্গির ভেতর জামা ইন করে পড়েন। এই লুঙ্গির উপড়ে সোমালিয়ার মানুষের মতো তারা বেল্টও পড়ে থাকেন।

সোমালিয়া- সোমালিয়াতে অফিসের সময় বাদে অন্য সময়ে প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে সাধারণ জনগণ সবাই লুঙ্গি পরে থাকেন। তবে সেখানে লুঙ্গির সঙ্গে বেল্টও পরিধান করা হয়। লুঙ্গির প্রচলন আছে জাপানে। উৎসবের পোশাক হিসেবে সেখানে লুঙ্গি পরে। ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়ায় লুঙ্গিকে সারং বলা হয়। আশ্চর্যজনক ব্যাপার হলো এই দুই দেশে লুঙ্গির ভেতর জামা ইন করে পরা হয়। সোমালিয়ার মতো তারা বেল্টও পরেন। ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার এবং শ্রীলঙ্কায় লুঙ্গির প্রচলন বেশি দেখা গেলেও মালদ্বীপ, আফ্রিকার অনেক দেশ, পলিনেশীয় দ্বীপপুঞ্জ, ক্যারিবীয় অঞ্চল এমনকি লাতিন আমেরিকার দেশগুলোয়ও লুঙ্গি বেশ জনপ্রিয়। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে লুঙ্গির বেশ প্রচলন আছে। কেরালায় নারী-পুরুষ উভয়েই লুঙ্গি পরেন। এখানে লুঙ্গিকে কিছুটা দরিদ্র পোশাক হিসেব বিবেচনা করা হয়। মিয়ানমারে লুঙ্গিকে লোঙ্গাই ডাকা হয়। লুঙ্গি মিয়ানমারের জাতীয় পোশাক। পুরুষরা এটি ঘরে-বাইরে সর্বত্রই পরে থাকেন। মহিলাদের লুঙ্গি এখানে তামাইন হিসেবে সুপরিচিত। ইয়েমেনে লুঙ্গিকে ডাকা হয় মা’আউস।

সবশেষে বলতে হয় লুঙ্গি আমাদের একটি ঐতিহ্যবাহী পোষাক। বেশ আরামদায়ক হওয়ার সুবাদে শুধু বাংলাদেশেই নয় সারা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানেই এর কদর রয়েছে। অনেক পোশাক হারিয়ে গেলেও দেশের প্রাচীন পোশাক হিসেবে লুঙ্গি টিকে আছে সগৌরবে। ঐতিহ্য আর আরামের পাশাপাশি স্টাইলেও কি কম যায় লুঙ্গি!

References:

  1. http://bonikbarta.com/
  2. http://www.kalerkantho.com/
  3. http://www.somewhereinblog.net/
  4. http://www.roar.media
  5. http://archive.prothom-alo.com/
Writer:
Saikat Hossain Shohel

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

গত রবিবার (২৭ নভেম্বর, ২০২২) শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অডিটরিয়ামে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময়...

সম্পূর্ণ হলো নিটারের এফডিএই ডিপার্টমেন্টের ফাইনাল ড্রেস সাবমিশন

সাভারে অবস্থিত ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড রিসার্চ নিটারে ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের ফাইনাল ড্রেস সাবমিশন...

নিটারে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

ঢাকার নিকটস্থ সাভারের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড রিসার্চ (নিটার) এর বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রাইমএশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে টেক্সটাইল ক্লাব উদ্বোধনী এবং নবীন বরন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

গত ২রা নভেম্বর প্রাইমএশিয়া বিশ্ববিদ্যালয় টেক্সটাইল ক্লাবের আয়োজনে টেক্সটাইল ক্লাব উদ্বোধনী এবং নবীন বরন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত...

অল ওভার প্রিন্টিং সেক্টরের বর্তমান চ্যালেঞ্জ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

“অল ওভার প্রিন্টিং টেকনোলজিস্টস বাংলাদেশ - এওপিটিবি” সংগঠন অল ওভার প্রিন্টিং সেক্টরের বর্তমান চ্যালেঞ্জ বিষয়ক একটি অনলাইন সেমিনার করেন। অনলাইন সেমিনারটি রবিবার...

পিটেক হাল্ট প্রাইজ অন ক্যাম্পাস প্রোগ্রামের ইতিবাচক অগ্রগতি

পাবনা টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ারিং কলেজ (পিটেকে) প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হচ্ছে হাল্ট প্রাইজের অনক্যাম্পাস ক্যাম্পেইন। এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যে (২০২০-২১) সালের জন্য ব্যবস্থাপনা...

আগামী দুই বছর বৃদ্ধি পাবে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি

বাংলাদেশের সামগ্রিক রফতানির একটি বড় অংশ আসে টেক্সটাইল শিল্প থেকে, যা মোট রফতানির ৮০% এরও বেশি সমন্বিত। প্রাথমিকভাবে বিশ্বজুড়ে ১৬০ টিরও...